সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৫

আউটসোর্সিং কি? কিভাবে নিজের সফল ক্যারিয়ার তৈরি করবেন?


outsourcing
outsourcing
আউটসোর্সিং নিয়ে বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে অনেক বেশি লেখালেখি হচ্ছে। রাতারাতি বড়লোক কিংবা রাতারাতি নিজেকে একটু বদলে নেবার আশা দিয়ে যারা বাহারি ও রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে প্রতিনিয়ত আকৃষ্ট করার চেষ্টায় মত্ত হয়ে আছেন একটি শ্রেনীর মানুষ। অনলাইনে আয় করা যায় এমন অনেক বাহারি বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অনেক বন্ধুরায় প্রতারিতও হচ্ছেন। কেউবা আবার বর্তমানে এই ক্ষেত্রটিকে (আউটসোর্সিং) সদ্য সমালোচিত এমএলএম ব্যাবসার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। বাস্তব প্রেক্ষাপটে আউটসোর্সিং আসলে কি ?

আউটসোর্সিং কি?

শব্দটি আমাদের বাংলাদেশে যে খুব বেশি জনপ্রিয় কিংবা পরিচিত তা নয়, তবে কিছু শ্রেণীর অসাধু ব্যাবসায়ী আর লিপটপ বিজ্ঞাপনের কল্যাণে শব্দটি এখন অনেক মানুষের মনে নানাভাবে কৌতুহলের জন্ম দিয়ে চলছে, এবং ইতিমধ্যে আমাদের বাংলাদেশীদের কাছে আউটসোর্সিং শব্দটি অতি পরিচিত একটি শব্দ হিসাবে পরিচিতি পাচ্ছে। অন্যদিকে আউটসোর্সিং আবার অনেকের কাছে নিন্দিত একটি শব্দ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে একিইভাবে। কিন্তু এমনটা কোনভাবেই হবার কথা মোটেও ছিল না। এখন থেকে ৭-৮ বছর আগেও আমাদের বাংলাদেশের মানুষ এই শব্দটির সাথে পরিচিত ছিল না বললেই চলে। সেই সময় যে আউটসোর্সিং এর কাজ হতনা তা নয়, কিন্তু সেই সময় এখনকার মত ছিল না। প্রতিযোগীতা মূলক এবং পরিবর্তনশীল বিশ্বায়নের এই সময়ে আমরা লক্ষ্য করছি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে আর্থ-সামাজিকতার অস্থিরতার কারনে অর্থনৈতিক বৈশম্য দিনদিন বেড়েই চলছে এবং অব্যবস্থাপনার কারনে বেকার সমস্যা বাড়ছে প্রতিদিনই। বাংলাদেশও এর অংশে কম নয় এবং তার শিকার আমরা প্রতিনিয়ত হচ্ছিও বটে। যার কারণে আমারদের দেশের বেকার যুবকদের পাশাপাশি অল্প-স্বল্প আয়ের মানুষেরা জীবনের প্রয়োজনে বিকল্প আয়ের উৎস খুজছে। এই সুযোগে আউটসোর্সিং শব্দটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে অতি দ্রুত পৌঁছেছে বলে আমার। আসলে কি এই আউটসোর্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এই ধরণের সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব ? এর সঠিক উত্তর হল সম্পূর্ণরুপে না হলেও অনেকাংশেই এর সম্ভব। তবে এর পেছনে বিভিন্ন রকমের কিন্তু জড়িত আছে বলে আমার ধারণা !! যেমন আমাদের বাংলাদেশের এখন যেখানে যায় না কেন, সেখানেই শোনা যায় এই আউটসোর্সিং এর কথা, যার উপস্থাপন হল কিভাবে “সহজ উপায়ে অনলাইনে আয়”।

আপনি কি আউটসোর্সিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী?

এত সহজে আমরা যদি অনলাইনে হাজার হাজার ডলার/টাকা আয় করতে পারতাম তাহলে পৃথিবী কোটি কোটি মানুষ শুধুই টাকা আয়ের জন্য দিন রাত পরিশ্রম বন্ধ করে শুধুই ঘরে বসে কম্পিউটার আর অনলাইন সংযোগ নিয়ে যার যার ঘরে বসে আয় করার জন্য উঠে পরে লেগে যেত, আর ঘরে বসে হাজার হাজার ডলার আয় করত। কিন্তু বাস্তবে অনলাইনে আয়ের চিত্রটা একটু ভিন্ন। আসলে আপনার যদি অনলাইনে কাজের দক্ষতা থাকে তাহলে আউটসোর্সং কেন অন্য যেকোন সেক্টরে আপনি খুব সহজেই সফল হতে পারেন। আউটসোর্সিং এর ভিন্নমাত্রা হল, এখানে (আউটসোর্সিং) কাজ করা এবং অনলাইনে কাজ পাবার স্বাধীনতা আপনার আছে যা আপনি অন্য কোন পেশায় তা পাবেন না বললেই চলে। পার্থক্য হল আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে পাবেন এবং এখই সাথে উপযুক্ত পাওনা পাবেন, অন্যান্য পেশায় যার জন্য প্রতিনিয়ত কর্তাদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মন কাষাকষি প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে, যা আউটসোর্সিং করলে আপনি পাবেন না। এক কথায় আউটসোর্সিং হল উপযুক্ত কাজ করে এবং তা থেকে সহজ উপায়ে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম। যেখানে আপনার সফল হতে হলে, অবশ্যই আপনাকে প্রথমেই দক্ষতা অর্জন করতেই হবে, এবং কাজ করার জন্য আপনাকে সঠিক মার্কেটপ্লেস আসতে হবে।

আউটসোর্সিং কি ?

আউটসোর্সিং হচ্ছে তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল একটি স্বাধ পেশা। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে কাজ করে আয়ের একটি অন্যতম পেশা। একটু সহজ ভাবে বলতে চাইলে, ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে অন্যকোন বা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তা করিয়ে নেয়া। নিজের প্রতিষ্ঠান বাদে অন্য কোন ব্যক্তি অথবা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এসব কাজ করানোকেই মূলত আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন, মূলত তারাই হলেন ফ্রিল্যান্সার।

আউটসোর্সিং কাজ  কি ?

আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আমরা বিভিন্ন ধরণের কাজ পেতে পারি। যেমন: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, লেখা ও অনুবাদ, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, প্রশাসনিক সহায়তা, গ্রাহকসেবা (Customer Service), ব্যবসাসেবা, বিক্রয় ও বিপণন ইত্যাদি। এই প্রকার কাজ ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে করে দিতে পারলেই অনলাইনে আয় করা আপনার পক্ষে সম্ভব। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের কাজের ব্যাবস্থা আছে এই বিশাল বড় আউটসোর্সিং জগতে। কিন্তু আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব‌্যাবসায়ী বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়তই নানা পদ্ধতির মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে খুব সহজেই আয় করার নামে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে। বাস্তবে উপরে উল্লিখিত কাজগুলোতে যদি আপনার কোন কারিগরি কাজের দক্ষতা থাকে তবেই কেবলমাত্র আউটসোর্সিং জগতে থেকে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। কোনপ্রকার কাজের দক্ষতা ছাড়া এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে ভালকোন কিছু জানা না থাকলে ধোকা খাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তাই আগে কাজ করার জন্য নিজেকে তৈরী করুন, তারপর এই পেশায় আসার চিন্তা ভাবনা করুণ। সত্যি বলতে আপনি যদি আপনার কাজের দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাছে লাগাতে পারেন তাহলেই আপনাকে দিয়েই সম্ভব এই সেক্টরে দেশের হয়ে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা। শুধু দরকার ইনকামের সঠিক দিক নির্দেশনা, এবং যে কাজ করবেন তার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা।

make money online
make money online

আউটসোর্সিং কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন ?

আমাদের বাংলাদেশে এবং বিশ্বের প্রায় দেশেই আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে এমন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল হতে পারেননি। সর্বদা মনে রাখবেন আউটসোর্সিং একটি স্বাধীন ও মুক্ত পেশা, সেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে আপনার কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই আয় করার জন্য, এবং আপনি যার কাছ থেকে এই উপার্জন করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই এই উপার্যন আপনাকে করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজ যদি সঠিক না হয়, আপনার কাজে যদি কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকে, আপনি যদি কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক বেশী মনযোগী না হন, আপনার কাজে যদি অনেক বেশী স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া সম্ভব নয়। আউটসোর্সিং এ সর্বদা আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতায় আপনাকে উপরের স্তরে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি ক্ল্যায়িন্তকে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ছিটকে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে অনেক খানি বেড়ে যাবে।



রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৫

আপনি কি SEO শেখার কথা ভাবছেন ? তাহলে পোস্টটি অবশ্যই পড়ুন


টাইটেল দেখেই নিশ্চিই বুঝতে পেরেছেন এটা SEO বিষয়ক টিউন। এটি একদম নতুনদের জন্য যারা SEO শিখতে আগ্রহি। আমি আমার SEO কোর্সটিকে মোট ১৬ টি পর্বে সাজিয়েছি। এছাড়াও এই ১৬ টি পর্ব শেষে আপনাদের সাথে আমার বিশেষ টিপস নিয়ে ২ টি পর্ব শেয়ার যাতে আপনারা শেখার পর সরাসরি আরনিং শুরু করতে পারেন। আশা করছি শেষ পর্যন্ত আপনাদেরকে সাথে পাব। আমি আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজ ভাষায় আপনাদের SEO শেখাতে চেষ্টা করব। আর আমি আপনাদেরকে এমন ভাবে শেখাতে চেষ্টা করব যাতে আপনারা নিশ্চিত আয় করতে পারেন। এই পর্বে আপনাদেরকে SEO এর সাথে পরিচিত করাতে গিয়ে অনেক বড় করে ফেলেছি ভয় পাবেন না পরবর্তী পর্ব গুলো অনেক ছোট। আসুন মুল কথায় আসি.

 দেশে ও বিদেশে SEO এর চাহিদা প্রচুর। কারণ একটি ওয়েব সাইট এর মুল চালিকা শক্তি হচ্ছে SEO।। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ব্যবসাই প্রযুক্তি নির্ভর। তাই প্রচুর পরিমাণে
E-Commerce ওয়েব সাইট তৈরি হচ্ছে।ব্যাবসায়িরা তাদের ব্যাবসারম প্রসার ঘটানর জন্য SEO এর সাহায্য নিচ্ছেন। আর ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস যেমন Elance,Up work(O-Desk) এ এর চাহিদা প্রচুর। বর্তমানে একজন দক্ষ সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজার মাসে প্রায় ১০০-১০০০ US ডলার উপার্জন করছে যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৮০০-৭৮০০ টাকা। ক্ষেত্র বিশেষে এই পরিমান আর বেশি। কি চমকে গেলেন নাকি চমকানোর কিছুই নেই বিশ্বাস না হলে একবার যেকোনো ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস এ ঘুরে দেখে আসতে পারেন।

আয়ের উপায়ঃ
SEO এর মাদ্ধমে আয়ের বিভিন্ন উপায় আছে। আপনি আপনার সাইটে SEO করে ব্যাপক পরিমান আনতে পারেন।যখন আপনার সাইট ভিজিটর এর আনাগনা বাড়বে তখন আপনি আপনার সাইটটিকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন। আর এধরনের সাইট থেকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়েও আয় করা যায়। বিজ্ঞাপন দিয়ে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় Google Adsence(সোনার হরিন) আসলেই Google Adsence সোনার হরিন এর মত কাজ করে।। Google Adsence পাওয়ার পর সেটাকে ধরে রাখতে পারলে লাইফে আর কিছু লাগবে না। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস এ SEO এর অনেক কাজ পাওয়া যায় যেমনঃ Keyword Research, Backlinking, On page optimization, Off page optimization,Article Writing ইত্যাদি। আপনারা নিজেদের সাইটকে SEO করার মাধ্যমেও আয় করতে পারেন আবার ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস থেকেও আয় করতে পারেন।

১.কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।
২. ইন্টারনেট সংযোগ।
৩.কম্পিউটার ও ইন্টারনেট চালানোর ন্যূনতম দক্ষতা।
৪.একটি ওয়েব সাইট বা ব্লগ (চিন্তা নেই আমি আপনাদেরকে ফ্রী ব্লগ খুলার নিয়ম ও বলে দেবো)
৫. ধৈর্য। শুধু SEO নয় যেকোনো কাজে সফলতা লাভের মূল চাবিকাঠি হল ধৈর্য।
৬.বিভিন্ন সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলার দক্ষতা। প্রাথমিক ভাবে এগুলা থাকলেই হবে।

সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজেসন (SEO) হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে কোন একটি ওয়েব সাইটকে সার্চ এঞ্জিন সমূহের সাথে পরিচিত করা যায় এবং সার্চ এঞ্জিন এর প্রথমের দিকে আনা যায়।আমার কাছে এর চেয়ে আর সহজ কোন সংজ্ঞা নেই। আসা করি সবাই বুজতে পেরেছেন সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজেসন (SEO) কি?


আমরা সবাই Search Engine সমন্ধে জানি তবুও যারা জানিনা তাদেরকে বলছি। সার্চ এঞ্জিন এর উদাহারন হিসেবে বলা যায় Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি।এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Google।।আমরা গুগল এ যাই লিখে সার্চ দেইনা কেন গুগল আমাদেরকে কোননা কোন ফলাফল প্রদর্শন করে। এখনে আমরা যা লিখে সার্চ দেই তাহোল সার্চ এঞ্জিন এর ভাষায় Keyword এবং সার্চ দেয়ার পর যা ফলাফল আসে তাহোল Search Result।আমরা Keyword Research পর্বে Keyword সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।


১.অন পেজ SEO : অন পেজ SEO হল আপনার ওয়েব পেজ এর ভিতরের কাজ বা সার্চ এঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইটটিকে খিজে পাবে তার প্রক্রিয়া। অন পেজ SEO এর মুল কাজ প্রধানত Keyword Research ও Meta Tag। Keyword Research ও Meat Tag সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
২.অফ পেজ SEO:অফ পেজ SEO হল অন পেজ SEO এর ঠিক উল্টো। আপনার ওয়েব পেজ এর বাইরের কাজকে অফ পেজ SEO বলে।।আগেই বলে রাখি অফ পেজ SEO এর কোন শেষ নেই আপনি আপনার সাইট এ যতো বেশি অফ পেজ SEO করবেন আপনার সাইট এর Page Rank,Visitor, Alexa Rank ইত্যাদি তত বাড়বে।
অফ পেজ SEO এর মুল কাজ সমুহঃ
1.Backlink/Link Building
2.Drictory Sumiton
3 .Social Book Marking
4.Article Sumiton
5.Blog Commenting
6.Forum Posting


SEO কি? SEO এর জন্য কি কি শিখবেন?

Best Java, Android Games, Apps
Bagerhat Freelancing Group
SEO
এসইও বিষয়টা কি, কিভাবে করতে হয়, কিভাবে করলে বিষয়টা স্পামিং হয়, সব একসাথে উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতার আলোকে লিখার চেষ্টা করেছি। এসইও জ্ঞান থাকার কারণেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারছি, লোকাল ব্যবসাতে সফল হতেও এসইও জ্ঞান ছাড়া কল্পনা করতে পারিনা।  সবকিছুতেই এসইও লাগে। জীবনের চলার পথেও এসইও লাগে।

এসইও যখন শিখবেন, কি কি শিখবেন বিষয়টাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:

পুরো বিষয়টাকে বুঝানোর সুবিধার্থে লোকাল যেকোন ব্যবসার সাথে তুলনা করে ব্যাখ্যা করি, তাহলে নতুনদের বুঝতে সুবিধা হবে। কারণ এসইওর কাজইতো হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা।

১) ১ম ধাপ, কীওয়ার্ড রিসার্চ:

আপনার ব্যবসার সুবিধার জন্য কোন কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবেন, সেটি সঠিকভাবে বাছাই করতে না পারলে পুরো ব্যবসাটাই লস।
উদাহরণ: আপনি লোকাল ভাবে ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসা করবেন। কোন জায়গাতে দোকান কিনলে ভাল হবে, দোকানে কোন ধরনের ড্রেস উঠালে সেই জায়গাতে ভাল বিক্রি করা যাবে, বর্তমানে কোন শব্দ ব্যবহার করলে ক্রেতাদের কাছে বেশি আগ্রহ জন্মাবে, সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে আগে রিসার্চ করে খুজে বের করতে হয়। পাখি ড্রেস, এ পাখি শব্দটার জন্য ড্রেসটার বিক্রি কি পরিমাণ হয়েছে সবাই জানেন। এই যে পাখি ড্রেস নাম দিলে মানুষজন বেশি খাবে, সেটি খুজে বের করাকেও এসইওর ভাষাতে কীওয়ার্ড রিসার্চ বলে।

২) ২য় ধাপ, অনপেইজ এসইও:

কীওয়ার্ড বাছাই করার পর সঠিক এবং উপযুক্ত কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের পুরো গঠন ঠিক করা হয়। গঠনের মধ্যে রয়েছে: কনটেন্ট, হাইলাইট জায়গাগুলোতে কীওয়ার্ড ব্যবহার, ইত্যাদি।
উদাহরণ: লোকাল ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসার আইডিয়া পরিকল্পনা করলেন ১ম ধাপে। এবার দ্বিতীয় ধাপে ১ম ধাপের উপর ভিত্তি করে দোকানটাকে সাজানো শুরু। ১ম ধাপের গবেষনার উপর ভিত্তি করে নাম ঠিক করা, ডেকোরেশন সাজানো সব করতে হবে। যদি ১ম ধাপের গবেষণাতে বের হয়, মেয়েদের ওয়েস্টার্ণ ড্রেস বেশি বিক্রি হবে, তাহলে ডেকোরেশনে ওয়েষ্টার্ণ লুকটা নিয়ে আসতে হবে, তাহলে গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়বে। এরকমভাবে দোকান সাজানোটা তখন অনেক জরুরী কাজ হয়ে দাড়ায়।
উপরের দুটি ধাপ এককালীন কাজ। একবার হয়ে গেলে আর করা লাগেনা।
শেষ ধাপ, যা যতদিন ব্যবসা থাকবে ততদিন চালিয়ে যেতে হবে।

৩) শেষ ধাপ: অফপেজ এসইও বা মার্কেটিং:

কীওয়ার্ড রিসার্চ শেষ, সেই অনুযায়ি ওয়েবসাইটকেও গুছানো শেষ। তাতেই এসইওর কাজ শেষ হয়ে যায়নি। এবার শুরু আসল কাজ। সারাজীবন এ কাজটি করে যেতে হবে। এ কাজটিতে সফলতার উপরই সব সফলতা নির্ভর করছে। আর সেটা হচ্ছে অফপেজ এসইও। যেসব জায়গাগুলোতে মানুষ জনের অবস্থান বেশি, সেসব জায়গাতে গিয়ে পরিবেশের সাথে মানানসইভাবে আপনার বক্তব্য উপস্থাপনকেই অফপেইজ এসইও বলে। সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগিং, ফোরাম টিউনিং, ভিডিও মার্কেটিং, ব্লগ টিউমেন্টিংয়ের মাধ্যমে আপনার বক্তব্যকে মানুষের সামনে আকর্ষনীয় উপস্থাপন করতে হয়।
উদাহরণ: খুব সুন্দর ভাবে দোকান গুছানো শেষ করলেন দ্বিতীয় ধাপে। অনেক দামি ডেকারেশন করলেন। এবার এভাবে ফেলে রাখলেই ভাল কাস্টমার পাবেননা। কিছু পেতে পারেন, মার্কেটের নিয়মিত কিছু কাস্টমারকে। কিন্তু বেশি ভাল পরিমান লাভজন হওয়ার জন্য লিফলেট, টিউনার, পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন, টিভিতে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। যে যত আকর্ষনীয়ভাবে যত বেশি বিজ্ঞাপন চালাতে পারে, তার বিক্রি তত বেশি হয়।
আমাদের দেশে এসইও নতুন যারা শিখছে, তারা ভাবছে ১ম দুটি ধাপ শিখতে পারলেই বিশাল কিছু করার স্বপ্ন দেখা শুরু করে। কিন্তু সারাজীবন যেই মার্কেটিংটা করতে হবে, সেটির জন্য যে ক্রিয়েটিভিটি, প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে, মূল খেলাটা এখানেই হবে, সেটিকে খুব বেশি জোর করে শিখছেনা। হুমম, ১ম দুটি ধাপ ঠিক না থাকলে যতই মার্কেটিং করুক ফলাফল খুব বেশি পাওয়া সম্ভবনা, সেটা সবসময়ই মানতে হবে। এমনকি মার্কেটিংয়ের জন্য এবং ২য় ধাপের জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ না করলেতো কি নিয়ে কাজ করবেন, সেটি খুজে পাবেননা। সেজন্য সেটা খুজে বের করাটা জরুরী। কিন্তু দিনশেষে মূল টার্গেটেড ফলাফলটাই বের হবে মার্কেটিংয়ের কারনে। এবং সারাজীবন এ কাজটি চালিয়ে যেতে হবে।

অফপেইজটা আসলে কি?

লক্ষ্য করুন, অফপেইজ বলতে মার্কেটিং বলেছি। মার্কেটিং বলতে বুঝায় মানুষের কাছে আপনার পণ্যকে কিংবা সেবাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, চাহিদা তৈরি করা। মার্কেটিং মানে গুগলকে দেখানোর জন্য ফাঁকি দিয়ে কোন জায়গাতে নিজের পণ্যের লিংক দিয়ে আসাকে বুঝায় না। গুগলে দেখানো কিছু ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করতেতো অবশ্যই হবে। তবে সেই ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, গুগল মানুষের মনের উপর, মানুষের চাহিদাকে গবেষণা করে কিছু গাইডলাইন তৈরি করেছে মাত্র। মানুষ কোন ধরনের বিষয়গুলো বেশি পছন্দ করে, কোন ধরনের বিষয়গুলো মানুষ বিরক্ত হয়, সেই বিষয়গুলোর একটা গাইড তৈরি করেছে, যাকে গুগলে অ্যালগরিদম বলা হয়। 

কিন্তু যেটা দেখা যাচ্ছে সেই অ্যালগারিদমটা গুগল তৈরি করেছে মানুষের চাহিদা, বিরক্তকে তৈরি করে। এবং আরো গবেষণা করে নিয়মিত গুগল তাদের অ্যালগারিদম আপডেটও করছে। তার মানে গুগলে মানুষের চাহিদা, পছন্দ, বিরক্তকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদেরও সেটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা যেটা করছি, গুগলে ফাক ফোকড় গুলোকে ফাকি দিয়ে লিংক দিয়ে আসাকে শিখছি খুব বেশি। যার ফলাফল হচ্ছে, গুগলের পরবর্তী কোন আপডেটে গিয়ে সাইট পেনাল্টী খাচ্ছে।

কি করা উচিত?

সোশ্যাল মিডিয়া, ফোরাম, কিংবা ব্লগ যে জায়গাই বলুন, সবজায়গাতে এমন টিউন করতে হবে, যাতে আপনার লিংকে মানুষ ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে আসে। আবার ভুয়া কিছু লিংকে ক্লিক করিয়ে ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইট টপে চলে আসবেনা। ভিজিটর ওয়েবসাইটে এসে যদি বেশি সময় ধরে অবস্থান করে (বাউন্সরেট কমাতে হবে), এক পেজ থেকে আরেক পেজে যাতায়াত করে (ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার), এবং পরবর্তীতে সেই ভিজিটর যদি  আবারও এ ওয়েবসাইটে ঘুরেফিরে আসে (রিটার্ণিং ভিজিটর), তাহলেই গুগল আপনার সাইটকে সার্চের টপে রাখবে।


১) কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ (অবশ্যই মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ন) ওয়েবসাইট হতে ভিজিটর আসতেছে
২) ভিজিটর কি পরিমাণে আসতেছে?
৩) ভিজিটরগুলোর আচরণ লক্ষ্য করার চেষ্টা করছে
-  ভিজিটরগুলো ওয়েবসাইটে কতক্ষণ অবস্থান করছে?
-  ভিজিটরগুলো এসেই চলে যাচ্ছে নাকি একপেজ থেকে আরেকপেজে যাতায়াত করছে
-  ভিজিটরগুলো একবার এ সাইটে এসে কি আর সারাজীবনে এ সাইটে না আসার প্রতিজ্ঞা করছে নাকি ঘুরেফিরে নিয়মিত আসছে।

এ বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে গুগল আপনাকে সার্চের টপে নিয়ে আসবে নাকি পিছনে ফেলে দিবে তা ঠিক করে। এবার বিষয়গুলো যা যা বললাম, চোখ বন্ধ করে এবার চিন্তা করুনতো, এসইওর জন্য যা যা করবেন, সেটিকে গুগলের চিন্তা করে করতে হয়, নাকি মানুষের চিন্তা করে করতে হয়। মানুষের জন্য কনটেন্ট (আর্টিকেল, ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি) তৈরি করবেন, সেই কনটেন্ট দেখে যাতে মানুষ আপনার সাইটে আছে তাহলেই গুগল আপনাকে একটা মার্ক দিবে। এবার আপনার ওয়েবসাইটটাকেও  এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে মানুষ পছন্দ করে, তাদের কাছে বারবার আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তৈরি করতে হবে। মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এরকম কোন মেসেজ গুগল পেলেই আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চের টপে নিয়ে আসতে হবে। আর এটাই হচ্ছে এসইও।

এসইওকে গুগলের জন্য এত করার বিষয়টা এতবেশি সমাজে প্রচলিত হয়ে গেছে, যার জন্য এসইও নিয়ে স্পামিংটা হচ্ছে খুব বেশি। মানুষের জন্য করার চিন্তা করলে সবার ভাবনাতে আসতো মানুষের মধ্যে বিরক্ত তৈরি করে নিজের পণ্যের কিংবা সেবার কিংবা ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা সম্ভব না। কিংবা আনা গেলেও সে ২য়বার আর আসার চিন্তাও করবেনা।

আসুন এবার দেখি একারণে মার্কেটিংয়ে কি কি ভুল প্রচলিত দেখতে পাচ্ছি:

সবচাইতে বড় ভুল হচ্ছে খুব বেশি প্রোডাক্টকে হাইলাইট করি। আর এ কারণে কোন প্রোডাক্ট মার্কেটিংয়ে ব্যর্থ হই, কোন ব্লগের মার্কেটিংয়েও ভিজিটর আনতে ব্যর্থ হই, অ্যাফিলিয়েশনের ক্ষেত্রেও ভাল ইনকাম করতে পারিনা।

নিজেকে সেলসম্যান হিসেবে প্রস্তুত করে কোন কিছুর মার্কেটিং করা আধুনিক মার্কেটিং পলিসির সাথে যায়না্। আধুনিকযুগের মার্কেটিং পলিসি হচ্ছে যে প্রোডাক্টকে নিয়ে মার্কেটিংয়ের কাজ করবেন, সেই প্রোডাক্ট বিষয়ে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে সবার কাছে অবস্থান তৈরি করতে হবে। তাহলে একজন এক্সপার্ট হিসেবে আপনার পরামর্শ দেওয়া প্রোডাক্টকেই মানুষ কিনতে আগ্রহী হবে।


ক) কোম্পানীর নামে ফেসবুক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের প্রোফাইল খুলে কাজ করা হয়। এমনকি ব্লগিং করার সময় প্রোফাইলটাও হয়ে থাকে কোম্পানী কিংবা নিজের প্রোডাক্ট কিংবা নিজের ওয়েবসাইটের নামে। এ কাজটি অত্যন্ত মারাত্নক ভুল।
ব্যক্তির নামে সকল প্রোফাইল খুলবেন। সেই ব্যক্তির পরিচয় হিসেবে কোম্পানী কিংবা ওয়েবসাইটের পরিচয় তুলে ধরবেন।
খ) যে প্রোফাইল থেকে মার্কেটিং করা হয়, সেই প্রোফাইলের সকল টিউন হয়ে থাকে মার্কেটিং টিউন। এতে আসতে আসতে সেই ব্যক্তির পরিচয় সেলসম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এর পর যেটা হয়, সবার ভাবনাতে চলে আসে, সেলসম্যানতো তার প্রোডাক্টকে সেরা বলবেই। তাই তার বক্তব্যের গ্রহনযোগ্যতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সেলসম্যান না এক্সপার্ট এবং অ্যাডভাইজার হিসেবে প্রোফাইলটিকে প্রতিষ্ঠা করবেন।

গ) প্রোডাক্ট সংক্রান্ত পেজটিতে সকল টিউন হয়ে থাকে প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। সেটা হলে গ্রহণযোগ্যতা কমে যেতে থাকে। প্রোডাক্ট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতামূলক টিউন করতে হবে। যেমন: ওজন কমানোর ঔষধ বিক্রির জন্য পেজ হলে সেখানে বেশি টিউন হবে, ওজন বৃদ্ধি পেলে কি কি ক্ষতি হয় এ সংক্রান্ত টিউন।

ঘ) ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে ব্লগিং বিষয়টি হয় প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। ব্লগের টিউন হবে অবশ্যই সচেতনতামূলক, পরামর্শমূলক। সেখানে সর্বোচ্চ আপনার পেজের লিংক দিয়ে আসতে পারেন। তাহলে যারা আগ্রহী তারা পেজটিতে লাইক দিতে পারে। এবং তারা কোন একসময়ে প্রোডাক্ট কিনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

ঙ) নিজের গ্রুপের বাইরে অন্যের গ্রুপে গিয়ে নিজের মার্কেটিং টিউন করে আসা হয়। যা পুরোপুরি স্পামিং। অন্যের গ্রুপে টিউন করতে হলে, সেখানে বিভিন্ন এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমূলক টিউন কিংবা টিউমেন্ট করে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে হবে। তখন মানুষ এমনিতেই আপনার ওয়াল ভিজিট করে জেনে নিবে কি অফার আপনি দিচ্ছেন। এতে অন্যের গ্রুপে স্পামিং করার হাত থেকে বাচা যায় এবং ব্যান খাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

চ) প্রোফাইল পিকচারে নিজের বাদের অন্য কোন প্রাণী কিংবা ফুলের ছবি ব্যবহার করা হয়। এবং নাম না দিয়ে অদ্ভুত নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল খুলা হয়। এরকম অন্য ছবি কিংবা অদ্ভুত নাম দেখলে বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়না। এমনকি বেশিরভাগ মানুষই নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে এরকম ব্যক্তিদের দেখতে চায়না। সুতরাং প্রোফাইল পিকচার এবং প্রোফাইল নামের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত হতে হবে।

ছ) ফোরাম টিউনিং কিংবা ব্লগ টিউমেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে অনেকেই শুরুতেই মার্কেটিং লিংক টিউন করে আছে। যা ব্যান খেতে সহযোগীতা করে। ব্যান না খেলেও সেটি পাঠকের গ্রহণযোগ্যতা পায়না। সেই ক্ষেত্রেও আগে কিছু টিপস এবং পরামর্শমূলক টিউন করে নিজেকে সংক্রিষ্ট বিষয়ে এক্সপার্ট প্রমাণ করতে হয়। তারপর লিংক টিউন করলে সেটির গ্রহনযোগ্যতা থাকে।

মনে রাখবেন সকল ক্ষেত্রে, আপনার সকল অ্যাক্টিভিটিসে মার্কেটিং টিউন হবে ৩০% এবং এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমুলক টিউন হবে ৫০% এবং বাকি ২০% হবে ব্যক্তিগত বিষয়ক টিউন। এ সুত্র মনে রাখলে এসইওতে সফল হবেন, অ্যাফিলিয়েশনের প্রোডাক্ট বিক্রিতে সফল হবেন।

এসইও বিষয়ে উপরে তিনটি ধাপ সঠিকভাবে না শিখে অ্যাফিলিয়েশন শুরু করলে সফল হতে পারবেননা। ইনভেস্টটাই শুধু হবে।

এসইও যখন ভালভাবে জানবেন, তখন ইনকাম করতে পারবেন অনেকগুলো উপায়ে:

এসইও  মার্কেটপ্লেস থেকে ১০০-৫০০ডলার ইনকামের বিষয়না। এটা বিশাল বড় ক্যারিয়ার।
- মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের মাধ্যমে
-  ব্লগিংয়ের মাধ্যমে
- অ্যাডসেন্স কিংবা অন্য কোন অ্যাড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে
- অ্যাফিলিয়েশনের মাধ্যমে
- কোন লোকাল অনলাইন বেস ব্যবসা চালু করে
- ইকমার্স ব্যবসার মাধ্যমে
- সিপিএ মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে
-  লোকাল কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে
- কোন এসইও টিমের টীম মেম্বার হিসেবে কাজ করে।

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৫

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার যেভাবে শুরু করবেন

 
bagerhat freelancing group
ফ্রিল্যান্স এর মাধ্যমে আপনি স্বাধীন ভাবে অর্থ আয় করতে পারেন এবং নিজে স্বাবলম্বী হতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রে সবার মনেই একটি প্রশ্ন থাকে, কিভাবে আমি ফ্রিল্যান্স শুরু করব? অনেকেই সঠিক পন্থা না জেনে শুরুতেই হতাশ হয়ে পড়েন। এটা ঠিক সঠিক পথে সঠিক উপায়ে যদি আপনি ফ্রিল্যান্স শুরু করেন তবে অবশ্যই আপনি ফ্রিল্যান্স জগতে নিজের একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন।

আগে ফ্রিল্যান্স মার্কেটের সাথে পরিচিত হনঃ

এটা সত্য বর্তমানে একজন ব্যক্তি যদি নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তাহলে সেটা একক ভাবে অনেক কঠিন। আপনি যদি কোন কাজ জানেন এবং আপনি ওই কাজ করতে আগ্রহী এই বার্তা আপনার ক্লায়েন্টকে জানানো আপনার একার পক্ষে সম্ভব নয়। ভয় পাবেন না, এ ক্ষেত্রে বর্তমানে আপনাকে সাহায্য করার জন্য অনেক ফ্রিল্যান্স মার্কেট সাইট রয়েছে এরা আপনাকে খুব সহজেই আপনার ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিবে।

বর্তমানে নাম করা  ফ্রিল্যান্স সাইট সমূহ হচ্ছেঃ

এসব ফ্রিল্যান্স সাইট সমূহ খুব সহজ ভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে ফ্রিল্যান্স জগতে। এসব সাইটের মাধ্যমে অনেক গ্রাহক তাদের প্রয়োজনীয় কাজ সুলভ মূল্যে করিয়ে নিতে পারছে অপর দিকে অনেক ফ্রিল্যান্সার এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পারছে। একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে কাজ শুরু করতে হবে প্রথমে এসব সাইটে আপনাকে সংযুক্ত হতে হবে।

যেভাবে এসব সাইটে আপনি এক্সেস পেতে পারবেনঃ

  •  যে ফ্রিল্যান্স সাইটে আপনি কাজ করতে চান সেই সাইটের ওয়েব ঠিকানা আপনার ব্রাউজারে লিখুন অথবা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করুন।
  • ওই সাইটের টার্ম ও কন্ডিশন সমূহ ভালো করে পড়ুন এতে আপনার অনেক কিছু জানা হয়ে যাবে।
  • ওই সাইটে আপনার নিজের একটি প্রোফাইল খুলে ফেলুন।
  • এবার আপনি যে কাজ করতে পারেন সেই কাজের জন্য বিড শুরু করুন।
আপনি যখন কোন কাজের জন্য বিড করবেন এরপর আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে যদি আপনার বিড প্রাইজে কাজ দেয় তাহলে আপনাকে তিনি আপনার বিড অনুযায়ী কাজ দিবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে বলে রাখছি বর্তমানে অনেক ফ্রিল্যান্স সাইটে কাজের জন্য বিড করার আগে ওই কাজের জন্য আপনাকে ইস্কিল টেস্ট দিতে হবে। এতে ভয়ের কিছু নেই আপনি যদি কাজ জানেন তাহলে এই টেস্ট আপনার প্রোফাইল আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
এতক্ষণ পর্যন্ত যা যা বললাম আপনাকে এর সব কিছুই সঠিক ভাবে করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে কাজ পেতে হলে অবশ্যই আপনি যে কাজ করবেন সেই কাজের ইস্কিল আপনার প্রোফাইলে সংযুক্ত করতে হবে। যেমন আপনি যদি কোন ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে চান তাহলে আপনার ইস্কিলে অবশ্যই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট রাখতে হবে অথবা আপনি যদি লেখার কোন প্রকল্পে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রোফাইলে লিখার ইস্কিল সংযুক্ত করতে হবে।

আপনি আপনার ইস্কিল বাড়াতে যা যা করতে পারেনঃ

  • যে কাজ করতে আপনি আগ্রহী সে কাজ শেখার জন্য আপনার এলাকার যেকোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হতে পারেন।
  • কোন প্রতিস্থানে অনলাইন কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।
  • অথবা ইস্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে শিক্ষা নিয়েছেন তা ঝালিয়ে নিতে পারেন।
সবচেয়ে বাস্তব সত্যি কথা হচ্ছে  ফ্রিল্যান্স মার্কেটে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার সার্টিফিকেট থেকে বাস্তব জীবনে আপনি হাতে কলমে কি জানেন তা দেখতে চাইবে অতএব আপনি যে কাজ করতে চান তাঁর একটি পোর্টফলিও তৈরি করে রাখতে পারেন যা ক্লায়েন্টকে দেখাতে পারেন।

গ্রামীনফোনে মাত্র ৩৬ টাকা ৪ জিবি ইন্টারনেট ডাটা এক মাসের জন্য অফারটি উপভোগ করুন।

bagerhat freelancing group
Gp Offer
আপনিও পেতে পারেন ৯ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট এবং আপনি এটা নিতে পারবেন প্রতি সিমে ৪ বার, মোট ৪ জিবি, তাছাড়া সাথে আরও কিছু বোনাস। আমার এই টিউনে আপনি ১০০% উপকৃত হবেন।

প্রথম ধাপঃ আপনার অথবা আপনার পিতা অথবা মাতার ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি করুন ১ কপি, এবং পাছপোর্ট সাইজের ছবি ১ কপি।

দ্বিতীয় ধাপঃ আপনার এলাকাতে রেজিষ্ট্রেশন করে সিম বিক্রি করে এমন কোন দোকানে যান।

৩য় ধাপঃ আপনি নতুন একটি সিম কিনুন রেজিষ্ট্রেশন করে। সিমটি ৭২ ঘন্টার মধ্যেই চালু হবে, অপেক্ষা করতে থাকুন, সিমটি চালু হলে আপনি একটি এস, এম, এস পাবেন, সিমের মধ্যে অগ্রিম থাকবে ৫ টাকা, তার পর এই সিমে ১৬ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ২০ টাকা, এবং ৩৪ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ৪৫ টাকা আর ৫৪ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ৭৫ টাকা, আপনি এই টাকা গুলি যে কোন দোকান থেকেই রিচার্জ করতে পারেন, এবং এই বোনস গুলি শুধু প্রথম রিচার্জের ক্ষেত্রেই, যদি কোন দোকানদার ইচ্ছে করে তাহলে আপনাকে এই রিচার্জগুলি ফ্রি করে দিতে পারে, কারন আপনার এই সিমে সে এই পরিমান টাকা রিচার্জ করলেই সে দোকানদার সাথে সাথে এই টাকাটা আবার ফ্লেক্সিলোডের সিমে ফেরত পাবে, বোনাস হিসেবে।

৪র্থ ধাপঃ এখন তো আপনার রিচার্জ হয়ে গেছে এখন আপনি *111*90# ডায়াল করুন দেখবেন আপনার সিমে ১ জিবি ইন্টারনেট চলে আসছে, এভাবে আপনি ৪ বার ডায়াল করতে পারবেন এবং ৪ জিবি ইন্টারনেট পাবেন। সিম চালু হওযার সাথে সাথে আবার আপনি ৫০ এম.বি ইন্টারনেট পাবেন, এই এম.বি গুলির মেয়াদ থাকবে ১ মাস, আপনি আরামে ব্যবহার করুন।

Best Java, Android Games, Apps
Copyright © 2014 Bagerhat IT Institute