মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬

একুশে ফেব্রুয়ারী থেকে বিটিসিএল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম ৩৫% কমেছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে এবং বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারি বাড়াতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম প্রায় ৩৫% কমেছে।আমাদের রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন করতে বেশী প্রয়োজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারি সেই লক্ষে বিটিসিএল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম  ৩৫% কমেছে।বিটিসিএলের গ্রাহকদের  আরও বেশী ভালো সার্ভিস দিবে বিটিসিএল।।নিচে কিছু ইন্টারনেট প্যাকেজের নতুন মূল্য এবং বিস্তারিত দেওয়া হল।তায় আর দেরি না করে আজই আপনি আপনার পছন্দের ইন্টারনেট প্যাকেজটি কিনে ফেলুন।

রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

ব্যবসা প্রসারে ফেসবুকের ব্যবহার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার, ব্লগার আর অনলাইন ই কমার্স ব্যবসায়ীদের জন্য


what is Facebook Marketing?

আমরা অনেকেই ফেসবুক কে সুধু মাত্র সময় কাটানোর মাদ্ধম মনে করি। কিন্তু ফেসবুক কে কেবল সময় কাটানোর জায়গা মনে করে যারা ফেসবুক ব্যবহার করা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চান, তাদের জন্য আমার আজকের এই লেখা। সারা বিশ্বে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন মানুষ নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করেন। সুতরাং বুঝতে সমস্যা হওয়ার কথা না, যে কোনো ব্যবসাকে প্রচারের জন্য পোস্টার, টিভি বিজ্ঞাপন কিংবা পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন দেওয়ার চাইতে ফেসবুকের মাধ্যমে আরও কয়েকগুণ বেশি কার্যকরীভাবে ব্যবসার প্রসার করা সম্ভব।
ফেসবুক অ্যাড কে কয়েকগুণ বেশি এই জন্য বলছি কারণ এখানে টার্গেটেড ক্রেতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব, সম্ভাব্য ক্রেতারা কিছু কেনার আগে পণ্যের মালিকের কাছ থেকে আরও কিছু বিষয় জেনে নেওয়ার সুযোগ পান এবং সবশেষে নিশ্চিত হয়ে কিনতে পারেন।
ব্যবসায়িক সুবিধা পেতে ফেসবুকের ব্যবহার

১. বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী এই ফেসবুক নিয়মিত ব্যবহার করে। ফেসবুকের অফিসিয়াল হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে ৯০০ মিলিয়ন মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন এবং গড়ে প্রতি ইউজার প্রতি মাসে ৪০৫ মিনিট ফেসবুকে ব্যয় করেন। এতো মানুষের কাছে নিজের পণ্যকে পৌঁছানোর জন্য এটি সবচাইতে ভালো উপায়।
২. যারা আপনার পণ্য কিংবা সেবা নেয়ার জন্য খুঁজছে, তাদেরকে সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।
৩. বর্তমান ক্রেতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ক্রেতার সাথে সংযুক্ত থাকা যায়।
৪. আপনার ব্যবসা-কেন্দ্রিক একটি কমিউনিটি তৈরি করা যায় যেখানে সবাই পণ্যের বিষয়ে সমালোচনা কিংবা অন্য যে কোনো মতামত জানাতে পারে।
৫. আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত কোনো ব্লগি কিংবা কোনো আর্টিকেল লিখে থাকলে সেটায় আরও বেশি পাঠক পাবার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম ফেসবুক।
ফেসবুক প্রোফাইল, ফেসবুক পেজ এবং ফেসবুক গ্রুপের মধ্যে তুলনা
ফেসবুক পেজঃ ফেসবুক পেজ যে কোন প্রতিস্থানের জন্য অত্তন্ত গুরুত্ত পূর্ণ। কোন কোম্পানির ব্রান্ডিংয়ের জন্য কোম্পানির নামে পেজ তৈরি করতে হবে। অফিসিয়াল সকল নোটিশগুলো এখানে পোস্ট করতে হবে। পেজে শুধুমাত্র অ্যাডমিন পোস্ট করতে পারে এবং ক্রেতারা জেন পেজে সরাসরি পোস্ট করতে না পারে সেই সেটিং করে রাখতে হবে। অ্যাডমিন হিসেবে এখানে পেজের নাম দেখায়, কোন ব্যক্তির নাম প্রকাশ পায় না। পেজের ফ্যানরা অ্যাডমিন কর্তৃক দেয়া বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করতে পারেন কিংবা message অপশনের মাধ্যমে কোম্পানি সম্পর্কে যে কোনো প্রশ্ন করতে পারেন।

ফেসবুক প্রোফাইল
অনেকে কোম্পানির নামে প্রোফাইল তৈরি করে থাকেন। এটা কখনও করবেন না। কারণ এটি মানুষের মাঝে বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং অন্যদের এ প্রোফাইলের সাথে ফ্রেন্ড হতে নিরুৎসাহিত করে। এক্ষেত্রে উচিত হবে, ব্যক্তির নামে প্রোফাইল তৈরি করা এবং তাদেরকে এ কোম্পানির স্টাফ হিসেবে দেখানো। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ব্যক্তিকে দেখেই কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষদের আস্থা তৈরি হয়। সুতরাং ব্যক্তিকে জনপ্রিয় করাটাও ব্যবসার মার্কেটিংয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ট্রিকস। যেমনঃ মনির হোসেন ক্রিয়েটিভ আইটিতে গ্রাফিকসে কোর্স করায় দেখে গ্রাফিকস কোর্স করার ক্ষেত্রে মানুষ এ প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করে।
ফেসবুক গ্রুপ
ব্যবসায়িক পণ্যের কিংবা সেবার নামে গ্রুপ তৈরি করতে পারেন। অর্থাৎ যদি আপনার প্রতিষ্ঠান গ্রাফিকস সার্ভিস দিয়ে থাকে, তাহলে creative graphics work- এ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করতে পারেন। এ গ্রুপে বিভিন্ন গ্রাফিকস সম্পর্কিত পোস্ট থাকবে। যারা গ্রাফিকসের কাজ পছন্দ করেন, তাদের নিয়ে একটি কমিউনিটি হবে এটি।
ব্যবসার প্রসারে পেজ
আগেই বলেছি ফেসবুক পেজ তৈরি করা হয়, ব্যবসার ব্রান্ডিংয়ের জন্য। এ পেজ কেন কিংবা কিভাবে ব্রান্ডিংয়ে কাজে লাগে সেটি দেখবো এবার।
ব্যবসায়িক পেজ থাকার সুবিধা
ফেসবুক পেজে অনেকজন অ্যাডমিন থাকার সুযোগ আছে। সুতরাং অনেকজন মিলে পেজ ম্যানেজ করা সম্ভব। ফেসবুক পেজ সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে ওয়েবসাইটের পণ্যকে খুঁজে পেতে বা র‌্যাংকিং-এ পেতে এ পেজ ভালোই কাজ করে। পেজ তৈরির সময় বিভিন্ন ক্যাটাগরি সিলেক্ট (লোকাল বিজনেস, ব্র্যান্ড, মিউজিশিয়ান ইত্যাদি) করতে হয়, যা ব্যবহারকারীকে পেজটি আরও বেশি প্রাসঙ্গিকভাবে খুঁজে পেতে সহায়তা করে।

ফেসবুক পেজ তৈরি
ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হলে আপনার উপযুক্ত ক্যাটাগরি বাছাই করবেন। যেহেতু আমরা এখানে ব্যবসার মার্কেটিংয়ের জন্য ফেসবুকের ব্যবহার নিয়ে কথা বলছি, সুতরাং একদম প্রথমটি অর্থাৎ local business এ ক্লিক করতে হবে। এখান থেকে পেজ তৈরি করে প্রোফাইল আপডেটের মতো করেই পেজে ব্যবসার তথ্য দিয়ে আপডেট করে নিন। সে জন্য এডিট পেজে গিয়ে আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্য, ওয়েবসাইট ঠিকানা, লোগো ব্যবহার করতে পারেন। আপনি আপনার পেজকে সক্রিয় করার জন্য কয়েকজন অ্যাডমিন বানিয়ে নিতে পারেন। বাইরে থেকে কেউ জানতেও পারবে না কে এই পেজের অ্যাডমিন। যেই অ্যাডমিন সেখানে কমেন্ট কিংবা পো্স্ট করুক, সেখানে পোস্টদাতার নাম হিসেবে পেজের নাম দেখাবে। সুতরাং সেই পেজের কোন অ্যাডমিন যদি কোন কারণে না থাকে, তারপরও কোন সমস্যা নেই।
কীভাবে আপনার পেজের প্রচার করবেন বা ফ্যান বাড়াবেন?

পেজ তৈরি শেষ, এখন এখানে ফ্যান বাড়াতে বাড়াতে হবে। ফ্যান বাড়ানোর জন্য কয়েকটি আইডিয়া দিচ্ছি।
মানুষ সংযুক্ত থাকার উপযোগী পেজ
পেজ তৈরি করলেন এবং বিভিন্ন জায়গাতে পেজটি শেয়ার করলেন কিংবা লাইক বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কুটকৌশল অবলম্বন করলেন কিংবা বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে লাইক বাড়ালেন। এভাবে বাড়ালে যে ব্যবসার প্রসারের জন্য লাইক বাড়ালেন, সে ব্যবসার তেমন কোন উপকারই হবেনা। পেজে এমন সব কনটেন্ট নিয়মিত পোস্ট করতে হবে, যাতে ব্যবহারকারীরা সেই পেজে যুক্ত হওয়ার মতও কোন কারণ খুঁজে পান।
ইতোমধ্যে আপনার বিভিন্ন নেটওয়ার্কে থাকা বন্ধুদেরকে পেজে যুক্ত করুন
নিজের প্রোফাইলে থাকা বন্ধুদের সবার প্রথমে যুক্ত করে নিন। আপনার মেইল লিস্টে থাকা বন্ধুদেরকেও পেজে যুক্ত করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। তাদেরকেও অনুরোধ করুন, তাদের বন্ধুদেরকে আমন্ত্রণ জানাতে।
ফ্যানদেরকে প্রতিটি পোস্টে সক্রিয় রাখুন
মাঝে মাঝে বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে এমন পোস্ট করুন, যাতে পেজে উপস্থিত ফ্যানরা কমেন্ট করতে বাধ্য হয়। হতে পারে, কোন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে আসলেন, সবাই সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যই সেখানে কমেন্ট করবে। আর যারা কমেন্ট করবে, তাদের প্রত্যেকের নিজেদের নিউজ ফিডে সেই পোস্টটি তখন দেখাবে। তাতে করে তার লিস্টে থাকা সকল বন্ধুরা পোস্টটি দেখতে পারবে এবং পেজটি সম্পর্কেও জানতে পারবে। এভাবে করে আপনার পেজে আরও বেশি ফ্যান যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

দ্রুত কিছু ফ্যান বৃদ্ধির জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপন
গুগল অ্যাডওয়ার্ডের মত ফেসবুকেও টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়। ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ গ্রুপ এমন কি ইভেন্টেরও বিজ্ঞাপন দেয়া যায়। গুগল অ্যাডওয়ার্ডের মতো করেই নির্দিষ্ট দেশ, নির্দিষ্ট বয়সের ব্যবহারকারীরা দেখবে এরকমভাবে বিজ্ঞাপন সেট করে দেয়া যায়।
ব্লগিংয়ের সময় পেজের লিংক প্রচার
বিভিন্ন জায়গাতে গেস্ট ব্লগিংয়ের সময় ফেসবুক পেজের লিংক প্রচার করে আসতে পারেন। সে সব গেস্ট ব্লগিংয়ের নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট ভিজিটর থাকে। এমন কোন আর্টিকেল লিখেন যাতে সেইসব ব্লগিং সাইটের পাঠকরা ফেসবুক পেজে যুক্ত হতে নিজের থেকেই আগ্রহবোধ করেন। এইসব আর্টিকেল থেকে আসা ফেসবুক ফ্যানরা আপনার ব্যবসার জন্য সবচাইতে বেশি কার্যকরী হবে।
পার্সোনাল প্রোফাইল তৈরি
কিভাবে ফেসবুকে পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয়, সেটি লিখে আর্টিকেল বড় করার প্রয়োজন মনে করি না। কিন্তু ব্যবসার প্রোমোট করার জন্য প্রোফাইল কিভাবে আপডেট করতে হবে, সেটি নিয়ে একটু কথা বলব।
১. পার্সোনাল প্রোফাইলের About লিংকে গিয়ে, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সাথে যদি কোন কোর্স করার থাকে, তাহলে সেগুলো উল্লেখ করতে হবে।
২. About You-এ এমন কোন তথ্য দিন, যাতে আপনার কাজের ক্ষেত্রটা সহজেই বোঝা যায়। আপনাকে প্রফেশনালভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
৩. contact information এ যোগাযোগের সকল মাধ্যমগুলোর তথ্য এখানে অবশ্যই উল্লেখ করবেন। মেইল অ্যাড্রেস, পার্সোনাল ওয়েবসাইট থাকলে সেটির ঠিকানা, স্কাইপ আইডি ও মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করুন।
৪. আপনার দক্ষতার পরিচয় পাওয়া যায়, এমন কিছু ডিজাইন করে কভার ফটো হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. প্রোফাইল ফটো হিসেবে নিজের স্মার্ট কোনো ছবি ব্যবহার করুন। এমন কোনো ছবি ব্যবহার করবেননা, যা আপনার প্রফেশনাল পরিচয়ের সাথে যায়না।
ব্যবসার প্রসারে ফেসবুক গ্রুপ
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে ফেসবুক গ্রুপ তৈরি না করে ব্যবসায়িক পণ্য কিংবা সেবার উপর ভিত্তি করে ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করলে, একটি ভালো কমিউনিটি গড়ে উঠার সম্ভাবনা থাকে।

শেষ কথা
বর্তমান যুগে ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে সকল মানুষগুলো প্রচুর পরিমানে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সেজন্য চিরাচরিত পদ্ধতিগুলোতে মার্কেটিং করার চাইতে অনলাইনে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে মার্কেটিং করলে সবচাইতে ভালো ফিডব্যাক পাওয়া যাবে। কিন্তু মার্কেটিংয়ের কাজে এমন কোন কাজ করা যাবেনা, যেটা আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের বিরক্তির কারণ সৃষ্টি হতে পারে। একটি কথা অবসসই মনে রাখবেন “প্রচারেই প্রসার”।


বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৬

আউটসোর্সিংয়ে সফল তাঁরা

অনলাইনে বাইরের কাজ করে আয় করা—তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যার পোশাকি নাম আউটসোর্সিং। কয়েক বছর হলো বাংলাদেশের তরুণেরা সফলভাবে এ কাজে যুক্ত হচ্ছেন। নানা পরিসংখ্যানের তথ্য হলো, দেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার তরুণ মুক্ত পেশাজীবী (ফ্রিল্যান্সার) হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আউটসোর্সিংয়ে। অনিয়মিতভাবে যুক্ত আছেন আরও অনেকে। তথ্যপ্রযুক্তির এ খাতে উৎসাহ দিতে ২০১১ সাল থেকে আউটসোর্সিং পুরস্কার দিচ্ছে সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। চলতি বছরের পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ১৩ এপ্রিল। পুরস্কার পাওয়া সফল কয়েকজন ফ্রিল্যান্সারকে নিয়ে আজকের আয়োজন। লিখেছেন—রাহিতুল ইসলাম ও মো. রাফাত জামিল
আউটসোর্সিং করার জন্য জানতে হবে
সুলতানা পারভীন

সুলতানা পারভীন 

প্রায় দুই বছর ধরে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছেন চট্টগ্রামের মেয়ে সুলতানা পারভীন। সাত ভাইবোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। পত্রপত্রিকায় আউটসোর্সিংয়ে অনেকের সাফল্য দেখেই কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। ‘তাই বিকন আইটি নামের একটি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিংয়ের ওপর একটি কোর্স করলাম। পরে ২০১২-এর ডিসম্বরে প্রথম কাজ শুরু করি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) নিয়ে।’ বললেন সুলতানা পারভীন।
এখন অবশ্য এসইও করেন না, রেসিপি, ব্লগ লেখার কাজ করছেন তিনি। ব্লগ এবং বিভিন্ন পর্যালোচনা লিখে থাকেন ফরমায়েশ মতো। ৪০ হাজার টাকা আয় করছেন প্রতি মাসে। অ্যামাজন থেকে তাঁর ই-বুকও বের হয়েছে। দুই ছেলেমেয়ে তাঁর। বললেন, ‘আসলে অনেকে বলে আউটসোর্সিং করতে গেলে বেশি কিছু জানা লাগে না। বিষয়টা এমন না। অবশ্যই জানা দরকার। কারণ ইংরেজি এবং যে বিষয়ের ওপর কাজ করতে চান, সেটির ওপর দক্ষতা থাকতে হবে।’
নিশ্চিত হোক ইন্টারনেট সংযোগ
প্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা

প্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা 

প্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা ২০১১ সালের ডিসেম্বরে রাঙামাটি শহরে বসে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ। প্রথমে হাব পেজ ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং-সম্পর্কিত বিষয়ে অনুচ্ছেদ লেখা, তারপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ নেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেই করছেন আউটসোর্সিংয়ের কাজ। এ কাজে অনুপ্রাণিত করেছেন গ্রামের অনেককে। বর্তমানে ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার এবং ইল্যান্স ডটকমের মাধ্যমে ওয়েব বিপণনের কাজ করছেন। এখন দল বানিয়ে কাজ করছেন। প্রতি মাসে আয় করছেন ৩৮ হাজার টাকা করে। ইন্টারনেট সংযোগের বিড়ম্বনা এড়াতে নিজের দলবল নিয়ে চলে এসেছেন চট্টগ্রামে। প্রতুল এবার রাঙামাটি জেলা থেকে পুরস্কার পেয়েছেন। প্রতুল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘আমাদের এখানে ইন্টারনেট সংযোগের গতি অনেক ধীর, সব সময় সংযোগ থাকেও না। রাঙামাটির মতো জেলায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা গেলে এখানে বসেই অনেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করতে পারবে।’
সততা ও নিয়মানুবর্তিতা থাকতে হবে
জি এম তাসনিম আলম

জি এম তাসনিম আলম 

২০১১ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ শুরু করেন তাসনিম আলম। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইফোনের অ্যাপলিকেশন (অ্যাপ) নির্মাতা হিসেবে কাজ করতেন। এরপর ওডেস্কের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু করেন আউটসোর্সিংয়ের কাজ।
মুঠোফোনের অ্যাপলিকেশন তৈরি করেন তাসনিম। ওডেস্কের মাধ্যমেই বেশি কাজ পান। প্রথমে একা শুরু করলেও বর্তমানে দল গঠন করেছেন। দলে আছেন ডিজাইনার এবং প্রোগ্রামার। প্রতি মাসে আয় করছেন দুই লাখ টাকার বেশি। তিনি বলেন, কাজের মধ্যে সততা ও নিয়মানুবর্তিতা থাকতে হবে। যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ নেওয়া উচিত। কাজ নেওয়ার সময় ঠিকমতো বুঝে নিতে হবে, তাহলে দুপক্ষের মধ্যে একটা সুসম্পর্ক ও আস্থার জায়গা সৃষ্টি হবে।
চাই দক্ষতা ও ধৈর্য
আনিসুল ইসলাম

আনিসুল ইসলাম 

এসইও ও অনলাইন বিপণন বিভাগে সেরা নির্বাচিত হয়েছেন আনিসুল ইসলাম। ২০১২ সালে খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে স্নাতক আনিসুল পড়াশোনার পাশাপাশি গৃহশিক্ষকতা করতেন। নিজে উদ্যোগী হয়ে ২০১০ সাল থেকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) কাজ শুরু করেন। ২০১২ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। এরপর এক বছর চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফরচুন টেক নামে একটি আউটসোর্সিং কোম্পানি চালু করেন। বর্তমানে তিনি কোম্পানি নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আনিসুল এখন প্রতি মাসে পাঁচ হাজার ডলার আয় করেন। তিনি বলেন, ‘যাঁরা কাজ করতে চান প্রথমত ধৈর্য ধরতে হবে। ধৈর্য ছাড়া আউটসোর্সিং পেশা সম্ভব হবে না। কোন বিষয়ের ওপর কাজ করবেন তার ওপর দক্ষতা থাকতে হবে।’
শেয়ার ব্যবসার লোকসান পুষিয়ে নিতে
শামসুল আলম

শামসুল আলম 

শামসুল আলম পেশায় একজন ব্যাংকার, পাশাপাশি করতেন শেয়ার ব্যবসা। ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে ২৫ লাখ টাকা লোকসান হয় তাঁর। বাড়তি আয়ের মাধ্যমে ক্ষতিটা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে শুরু করেন আউটসোর্সিং। প্রথম কিছুদিন সময় নেন কাজটা বোঝার জন্য। ২০১১ সালের শেষ সময় থেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডেটা এন্ট্রি ও গবেষণাধর্মী কাজ করতে শুরু করেন। এ কাজে পার করেছেন আড়াই বছরেরও বেশি সময়। শেয়ার ব্যবসার জন্য নেওয়া ব্যাংক ঋণের প্রায় পুরোটাই শোধ করেছেন ইতিমধ্যে। এখন শামসুল আলমের আয় প্রতি মাসে দুই লাখ টাকারও বেশি।
গড়ে তুলেছেন ‘ওয়েফটি’ নামে একটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সাতজন তরুণ। তিনি বলেন, ‘আমি এই কাজটাকে আউটসোর্সিং কিংবা ফ্রিল্যান্সিং বলতে চাই না, এটা আসলে অনলাইন উদ্যোক্তা হওয়ার একটি বিশাল ক্ষেত্র।’
পেপ্যাল থাকলে সুবিধা হতো বেশি
আবদুর রাজ্জাক

আবদুর রাজ্জাক 

২০১২ সালে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিং, আর সেটাও বগুড়ায় বসে। কাজটা বুঝে উঠতে সময় লেগেছে, ২০১৩ সালে বেড়ে গেছে কাজের পরিধি। আড়াই বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে গেছেন বহুদূর, এখন দুজনে মিলে সব কাজ দেখাশোনা করেন। গ্রাফিকস নিয়েই কাজ তাঁর। এনভাটো ডটকমে বিক্রি করেন নিজের তৈরি গ্রাফিকস ডিজাইন। গড়ে প্রতিদিন আট ঘণ্টা কাজ করেন তিনি। প্রতি মাসে আয় করছেন সাত লাখ টাকার বেশি।
‘উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকায় আসি। একটা কম্পিউটার গ্রাফিকস প্রতিষ্ঠানে কাজ করা শুরু হয়। এরপর একজন বড় ভাইয়ের কাছে শুনি আউটসোর্সিংয়ের কথা।’ আবদুর রাজ্জাকের শুরুটা এভাবেই। আউটসোর্সিং এখন তাঁর পেশা হয়ে গেছে। আবদুর রাজ্জাক বললেন, ‘আমাদের দেশে পেপ্যালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের সুবিধা না থাকার কারণে নিজস্ব ওয়েবসাইট ব্যবহার করে কাজ করতে পারছি না। পেপ্যাল থাকলে সুবিধা হতো আমাদের।’ নিজে যেমন ভালো করছেন আউটসোর্সিংয়ে তেমনি বগুড়ায় তরুণদের দিচ্ছেন ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ।
শুধু টাকা আয়ের জন্য কাজ করি না
মাহফুজা সেলিম

মাহফুজা সেলিম 

ঢাকা মিরপুর বাঙলা কলেজে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে পড়ছেন মাহফুজা সেলিম। কম্পিউটার গ্রাফিকস তাঁর ভালো লাগে। তাই একটি কোর্স করেছিলেন তিনি। বললেন, ‘একদিন আমার এক বান্ধবী পরামর্শ দিল ফ্রিল্যান্সিং করার। ২০১১-এর জানুয়ারিতে ওডেস্কে কাজ শুরু করি। ধীরে ধীরে কাজের গতি বাড়তে থাকে।’
বর্তমানে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় করেন। ‘তবে শুধু টাকা আয়ের জন্য আউটসোর্সিং করি না। এটুকু মাথায় রেখে কাজ করি, আমি একজন বাংলাদেশি। আর আমি কাজ করছি বাইরের বায়ারদের সঙ্গে, আমার পরিচিতির সঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা আছে।’
শখ থেকেই শুরু
নূর মোহাম্মদ

নূর মোহাম্মদ 

২০০৭ সালে আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করেন নূর মোহাম্মদ। কাজ করেন ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে। ফ্রিল্যান্সার ডটকমেই মূলত কাজ করেন তিনি। প্রথমে একা শুরু করলেও বর্তমানে ১৫ জনের একটি দল আছে তাঁর। মাসিক আয় এক লাখ টাকা প্রায়। তিনি বলেন, ‘শখ থেকেই এ কাজের শুরু। প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা এ ক্ষেত্রে খুব একটা কাজে আসে না। অনলাইন থেকে বিভিন্ন বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও টিউটোরিয়াল দেখেই কাজটা আয়ত্তে এনেছি। অনলাইনে অনেক ডিজাইন কমিউনিটি আছে, যাদের করা নানা রকম ডিজাইন আমাকে এই কাজে আসতে উৎসাহিত করেছে।’ নূর মোহাম্মদ নিজে করেন ওয়েব ডিজাইনের কাজ।
চাকরির চেয়ে ফ্রিল্যান্সিং ভালো
ইয়াসির আরাফাত

ইয়াসির আরাফাত 

দুই বছর ধরে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছেন ইয়াসির আরাফাত। ওডেস্ক, ইল্যান্স ও সরাসরি বায়ারের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ‘মিডাস জেড-টেকনোলজি’ ফ্রিল্যান্সিং প্রতিষ্ঠানে আছে অংশীদারত্ব। মূলত প্রোগ্রামিং করেন, ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজই বেশি করেন। প্রতি মাসে আয় করেন চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা। নিজের প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিয়ে কাজ করিয়ে নেন। ‘সবাইকে বুঝতে হবে চাকরি করার চেয়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করা ভালো। এখানে স্বাধীন মনে কাজ করা যায়।’ বললেন ইয়াসির আরাফাত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ভবিষ্যৎ আনেক ভালো বলে তাঁর ধারণা। এ ক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে—এমনটাই ভাবেন ইয়াসির।
বিষয়টি ধৈর্যের
সায়েমা মুহিত

সায়েমা মুহিত 

ঢাকা সিটি কলেজ থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক পড়ার সময় আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করেন সায়েমা মুহিত পড়াশোনার পাশাপাশি ২০১১ সালে প্রথম সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) কাজ শুরু করেছেন তিনি। স্বামী মহিউদ্দিন মুহিতও আউটসোর্সিংয়ে আছেন, গত বছর বেসিস পুরস্কার পেয়েছেন।
সংসার দেখাশোনার বাইরে পুরো সময় আউটসোর্সিং করেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে সায়েমা সবার বড়। বর্তমানে তিনি ১৫ ঘণ্টা করে কাজ করেন, এখন সায়েমার প্রতি মাসে আয় এক লাখ টাকার বেশি। তিনি বলেন, ‘আউটসোর্সিং বিষয়টি ধৈর্যের। মেয়েদের উদ্দেশে বলব, বাইরে চাকরি করার চেয়ে ঘরে বসে আউটসোর্সিং করা অনেক ভালো।’
সম্মিলিতভাবে কাজ করার বড় ক্ষেত্র
মহানন্দ সরকার

মহানন্দ সরকার 

তরুণদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করছেন ৩৮ বছর বয়সী মহানন্দ সরকার। একসময় চাকরির পাশাপাশি কাজ করতেন। পরে চার হাজার ডলারের একটা বড় কাজ পেয়ে যান। কয়েকজন তরুণকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের উপযোগী করে গড়ে তোলেন। সবাই মিলে শেষ করেন প্রকল্পটি।
এর পর থেকেই শুরু। চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন এখন। দুই বছর ধরে করছেন এই কাজ। ইল্যান্স ও সরাসরি বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেন তিনি। এসব প্রকল্পের গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ করেন। প্রতি মাসে আয় এক লাখ টাকা। তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে বিনা মূল্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেন।
তিনি বলেন, যেকোনো পেশাজীবী ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করতে পারবেন। এ জন্য তাঁকে যেকোনো বিষয়ে দক্ষ হতে হবে এবং ভালো ইংরেজি জানতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করার একটা বড় ক্ষেত্র আউটসোর্সিং।
রপ্ত করতে লাগে ছয় মাস
শাকিল হোসাইন

শাকিল হোসাইন 

ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে পুরস্কার পেয়েছেন শাকিল হোসাইন। ২০১১ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করছেন। প্রতি মাসে আয় ৩০ হাজার টাকার মতো। মাইক্রো ওয়ার্কস এবং ওডেক্সের মাধ্যমে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করেন তিনি।
শাকিল আগে চাকরি করতেন একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে। স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাকরি ছেড়ে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিং। প্রথমদিকে কিছু বাধা ছিল, সেগুলো কাটিয়ে উঠেছেন। জানালেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে কাজটা বুঝে নেওয়া এবং বুঝিয়ে দেওয়াই বড় একটা ব্যাপার। বড়জোর ছয় মাস কিংবা এক বছর লাগে এই কাজটি রপ্ত করতে।
দক্ষ হলে সফলতা আসবে
আবু সালেহ মো. কায়সার

আবু সালেহ মো. কায়সার 

শিক্ষকতা ছেড়ে আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করেছেন আবু সালেহ মো. কায়সার। কাজ করছেন প্রায় আড়াই বছর হয়ে গেল। মুঠোফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কল ও এসএমএস ব্লক করার একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন তিনি। ছেড়ে দিয়েছেন অনলাইন বাজারে। ইউরোপের কয়েকটি দেশে এ অ্যাপ জনপ্রিয়। কল অ্যান্ড এসএমএস ব্লকার প্রো নামের এ অ্যাপ থেকে কায়সারের আয় হয় মাসে প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকা। তিনি বলেন, এই কাজের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করা যায়। কাজটা করার জন্য একটু দক্ষ হতে হবে, তবেই আসবে সফলতা।


সূত্র: প্রথম আলো।

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৬

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে চান? তাহলে ছোট কাজ করে আজ থেকে অনলাইনে আয় করা শুরু করুন।


online earn by mini job

আমারা মার্কেট প্লেসে পত্রিকা থেকে ওয়েবসাইট দেখে Account Open করে থাকি যার কারণে আমাদের সফলতার চেয়েও ব্যার্থতার গ্লানি অনেক বেশি।
 মার্কেট প্লেসে কাজ না পাওয়ার অন্যতম আরেকটি কারণ হচ্ছে আমরা বিড করার সময় কোন প্রকার Working related reliable sample দিনা, বা দিলেও    Sample Quality অতিমাত্রা হওয়ার কারণে বায়ার আমাদের Invite না করে Decline করে দেয়, তাই আবেদন করার পুর্বে কাজ বুঝে আবেদনের সাথে একটি sample দিলে আপনি প্রতি ১০ টি আবেদনে কমপক্ষে ১ টি Interview পাওয়ার কথা।
কিন্তু আমরা হলাম বাঙ্গালী জাতি আমরা খুব আরাম প্রিয় মানুষ তাই আমরা কিবাভে কাজ কম করা জায় এই চিন্তাই করি সব সময়। বা যেখানে কোন লাভ নেই সে খানে আমরা দেখিনা। কিন্তু এটা বুঝিনা যে Sample আমাদের Instant কিছু না দিলেও আমাদের পরবর্তিতে অনেক কিছুই দিয়ে থাকে।

তাই আপনার যাতে করে আপনার বিডের জন্য sample তৈরি করে ও কিছু আয় করতে পারেন সে ব্যাবস্থা করার প্রচেষ্টা করছি।
অনেক site আছে যেখানে আপনি bid ছাড়া ও ছোট ছোট  কাজ করতে পারবেন সে রকম কিছু site হলো  



আপনি এইসব সাইট থেকে প্রতিদিন যদি ধর্য্য ধরে কাজ করেন তাহলে মিনিমাম ২-৩ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে কাজ করবেন?

গুগলে সার্চ দিন বা ভিডিও টিউটোরিয়াল পাওয়ার জন্য ইউটিউব এ সার্চ দিন কিভাবে কাজ করবেন। এ টু জেড বিস্তারিত বুঝতে পারবেন।

ধন্যবাদ

শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৬

ইন্ডিকেটর কিভাবে আপনাকে লাভ এর থেকে লস করাই বেশি জেনে নিন কাজে লাগবে

কেমন আছেন সবাই। নতুন বছরের নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম অনেকদিন ধরেই কোন পোস্ট করতে পারিনি তবে এখন থেকে প্রতিনিয়ত পোস্ট করে যাব।এবং খুব শিঘ্রই ক্যান্ডেলস্টিক কিছু সিক্রেট নিয়ে আলোচনা করবো যার দ্বারা আপনারা বেশ কিছু পিপস কামাতে পারবেন।

অনেকদিন ধরেই আমাকে অনেকই বলছে ইন্ডিকেটর নিয়ে পোস্ট করতে আজকে আমি আপনাদের কে ইন্ডিকেটর এর বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবো এর ভাল দিক খারাপ দিক।

যারা ফরেক্স মার্কেট এ নতুন প্রবেশ করে তাদের প্রথম ট্রেড হাতিয়ার হয় ইন্ডিকেটর এর মাধ্যেমেই ট্রেড করা এবং প্রফিট করা এবং সাথে সাথে লস করা।এমনকি আমি নিজেও ইন্ডিকেটর ব্যবহার করেছি।এমন কোন ফরেক্স ট্রেডার নেই যে ইন্ডিকেটর ব্যবহার করেননি।

ইন্ডিকেটর নিয়ে যারা ট্রেড করেন তারা প্রথমে অনেক প্রফিট করেন এবং পরে আস্তে আস্তে সেই প্রফিট বেশিদিন থাকেনা।

কারন?
তাহলে ছবির সাথে দেখানো যাক।

indicator loss reason


১ নং ছবিতে দেখুন ঐখানে ইন্ডিকেটর সেল পজিশন দেখিয়েছে এবং আপনি সেল দিলে খুব সহজেই বেশ কিছু পিপস প্রফিট করতে পারবেন।

এবার ২নং ছবি খেয়াল করুন।কি বুঝলেন ইন্ডিকেটরটি আপনাকে বাই সিগনাল দিচ্ছে কিন্তু কিছুক্ষন পরেই সেইটা সেল সিগনাল দিল। এইটুকুই হয়তোবা আপনার স্টপলস হিট করাবে।

তাহলে বুঝতে পারলেন বিষয়টা।অনেকটা কপালের ওপর আরকি।আপনি বেস্ট ইন্ডিকেটর লিখে হয়তো গুগলে সাচ দিতে দিতে কি বোড ক্ষয় করে ফেলেছেন।আপনি অনেক ভাল ভাল ইন্ডিকেটরের রিভিউ পাবেন অনলাইনে।কিন্তু সব রিভিউতে শুধু ভাল পজিশন গুলি দিয়ে দেখানো থাকে যেমন উপরের ছবির ১নং এ আছে।

অনেক ইন্ডিকেটর আছে বাই সেল সিগনাল চার্টে দিখিয়ে দেই যেমন মনে করি কোন পেয়ারে চার্টে সেল সিগনাল দিল।দেখার সাথে সাথে সেল মেরে দিলেন কিন্তু কিছুক্ষন পর মার্কেটে সেল ফোর্স বেশি থাকলে মার্কেট ডাউনে যেতে লাগলো সাথে সাথে আপনার ইন্ডিকেটর সেল সিগনাল রিপেইন্ট করে আবার কিছু নিচে সেল সিগনাল দিবে।

এই হচ্ছে আমাদের ইন্ডিকেটর রহস্য।

আপনি আগে ফরেক্স সম্পর্কে ভাল করে জানুন অনেক কিছু বুঝার আছে।শুধু ইন্ডিকেটর নিয়ে পড়ে থাকবেননা।তাহলে জীবনে কিছুই শিখতে পারবেননা। লস ছাড়া লাভের মুখ কখনোই দেখবেননা।

ইন্ডিকেটর দিয়ে যদি হাজার হাজার ডলার প্রফিট করা যেত তাহলে রিক্সাওয়ালারা রিক্সা চালানো বাদ দিয়ে একটা লাপটপ কিনে ইন্ডিকেটর টার্মিনাল এ সেট করে ট্রেড করা শুরু করে দিত।সেল সিগনাল দিলে সেল আর বাই সিগনাল দিলে বাই। তাহলে রিক্সাওয়লারা আজ কোটিপোটি হয়ে যেত।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫

JSC - PSC পরীক্ষার ফল 2015 জেনে নিন খুব ভিন্ন ভাবে।



শিক্ষা ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পঞ্চম শ্রেণীতে সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল, প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি) পরীক্ষায় যথাক্রমে৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ তে প্রকাশিত হবে, বলেন. প্রাথমিক শিক্ষা শ্যামল কান্তি ঘোষ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পিএসসি ফলাফল সোমবার প্রকাশ করা হবে নিশ্চিত.
এই পিএসসির পরীক্ষা তারিখ দেশের রাজনৈতিক সঙ্কটের জন্য পরিবর্তন. এই কারণে, প্রার্থীরা তাদের ফলাফলের জন্য সবচেয়ে নিরাশ হয়. আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পিএসসির ফল ২০১৫ ডাউনলোড করতে পারেন. আপনি প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট ফলাফলের ও প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে dperesult.teletalk.com.bd এ EBT পরীক্ষার রেজাল্ট 2015 এবং প্রয়োজনীয় স্কুল খুব পেতে হবে.

পিএসসি পরীক্ষার ফলাফল 2015



পিএসসির ফল 2015 জন্য এবং ধাপ নিচে অনুসরণ করুন:
• যেমন পিএসসি বা EBT হিসেবে আপনার পরীক্ষার নাম নির্বাচন
• আপনার জেলার নাম নির্বাচন
• নির্বাচন আপনার থানা / Upzilla নাম বা কোড
• আপনার ক্ষণস্থায়ী বছরের নির্বাচন
• আপনার পরীক্ষার রোল দিন এবং পেতে ফলে জন্য জমা
এসএমএস দ্বারা পিএসসি পরীক্ষার ফল 2015 তে
সাধারণ ছাত্রদের জন্য এসএমএস বিন্যাস:
DPE <স্পেস> থানা / উপজেলা কোড নম্বর <স্পেস> রোল নম্বর <space> 16222 পাঠান
EXP: DPE 47 2357 এবং 16222 পাঠাতে
Ebtedayee ছাত্রদের জন্য এসএমএস বিন্যাস:
EBT <স্পেস> থানা / উপজেলা কোড নম্বর <স্পেস> রোল নম্বর <space> 16222 পাঠান
EXP: EBT 47 5723 এবং 16222 পাঠাতে

শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৫

আউটসোর্সিংয়ে দেশে দুই লাখ তরুণের কর্মসংস্থান হবে




‘আউটসোর্সিংয়ে সবচেয়ে ভালো সুযোগ রয়েছে তরুণদের। সরকার বিপিও’র মাধ্যমে ভবিষ্যৎ তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায়। আগামী পাঁচ বছরে বিপিও খাতে দুই লাখের বেশি তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’
৯ ডিসেম্বর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশের প্রথম বিপিও সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এই ঘোষণা দেন।
বিপিও সামিট’র আয়োজন করেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)।

সভাপতির ভাষণে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‌’আউটসোর্সিং বাংলাদেশের সম্ভঅবনাময় খাতের অন্যতম। আমাদের তরুণেরা অত্যন্ত মেধাবী। আউটসোর্সিংয়ের বিভিন্ন কাজে এ দেশের তরুণদের সুযোগ করে দিয়ে তাদের বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে চায় আমাদের সরকার।’

বর্তমানে গার্মেন্টস খাত দেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আউটসোর্সিং খাত গার্মেন্টস শিল্প খাতকেও ছাড়িয়ে যাবে। আউটসোর্সিংয়ে ক্ষেত্রে বর্তমানে আয় হচ্ছে ১০০ মিলিয়ন ডলার।  আগামীতে সেটা বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত দুই দিনের বিপিও সামিটে  মোট ১১টি আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৭৯ জন দেশি ও ৯ জন বিদেশি আইসিটি বিশেষজ্ঞ অংশ নিয়েছেন।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে আমার সফলতার গল্প।







ফ্রিল্যান্সিং কি?

সবাই জানেন আমার বলার দরকার নেই। আজকে আমি আপনাদের আমার সফলতার গল্প শুনাবো। অনেক সময় নিয়ে বসেছি অনেক কিছু লিখবো। আশা করি একটু সময় নষ্ট করে পড়লে আপনার লস হবে না।
আমি আরো ৪/৫ বছর আগে অনলাইনের সাথে জড়িত কিন্তু তখন অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এটাই জানতাম না। ফেসবুক বিভিন্ন সাইট থেকে ডাউনলোড এইসব করতে পারতাম। পরে আস্তে আস্তে আমি বিভিন্ন সাইট ভিজিট করার পর অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে পারলাম।

টেকটিউনস এর শুরু থেকেই ছিলাম কিন্তু শুধু আর্টিকেল পড়তাম এটা আমার টেকটিউস এর ২য় আইডি আগের আইডি জিমেইল আইডি সব গুলিয়ে খেয়েছি মনে নেই। যায়হোক অনলাইন থেকে প্রতিদিন ইনকাম করুন ৫ডলার প্রতিদিন ১০০০টাকা ইনকাম করুন।এই রকম আর্টিকেল অনেক দেখা যেত বর্তমানে ভাল ভাল টেক সাইট যারা পরিচালনা করেন তাদের সাইটেই এই সব আর্টিকেল বেশি ছিল। নাম বলবো না।
কারন তখন তারাও এত অভিজ্ঞ ছিলনা। ইনকাম এর রাস্তা ছিল ক্লিক পিটিসি সাইট।এই বর্তমানে টেকটিউস এ বেশি দেখা যাচ্ছে। আবারো সেই পিটিসি।
আমি নতুন তাই পিটিসি বুঝি না আর্টিকেল দেখে তার রেফারেন্স এ জনেয় করলাম।উফফফ ক্লিক করছি আর ১সেন্ট কখনো ২সেন্ট করে জমা হচ্ছে। আমার তো অনেক ভাল লাগছে আমি ও এখন অনেক টাকার মালিক হব। কোন মতে কিছুদিনের মধ্যে রেফারেন্স বাড়িয়ে ৫ডলার করলাম।টিউন পরে পাইজা একাউন্ট করলাম তারপর ৫ডলার ক্যাশআউট করলাম মেইল এ বললো ২৪ঘন্টার মধ্যে টাকা পেয়ে যাব। ৩দিন হলে গেল ৪দিন হয়ে গেল এভাবে মাস পেরিয়ে গেল পেন্ডিং তো পেন্ডিং ধুল শালা ফালতু অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়না।
এই বলে প্রায় ১বছর পিছিয়ে গেলাম।তার মধ্যে অনেক ডুলেন্সার ইটিসি ইটিসি সাইট আসলো কাজ ক্লিক পারলাম টাকা পেলাম আবার চলে গেল। তারপর থেকে আরো কঠিন শিক্ষা হলো তারপর টেকটিউন বিভিন্ন টে সাইট এ ভিজিট করে অনলাইন ইনকামের সঠিক রাস্তাগুলি খুজে পেলাম।অনেক সার্চ করেছি অনেক কষ্ট করেছি যা কাউকে বলে বুঝাতে পারবো না।যারা নিজে নিজে শিখেছে তারা যানে কতটা কষ্ট করে শিখা লেগেছে। কারন তখন একটা সমস্যা ছিল কোন টিউন সাজানো ছিল না এ টু জেড নিজের খুজে খুজে বের করা লাগতো নিজের বুঝা লাগতো। কিন্তু এখন ভিডিও টিউটোরিয়াল ইবুক কত কিছু আছে। যা দেখে অনেক ভাল লাগে।
আমি প্রথমে ওয়েব সাইট করলাম ব্লগে। ব্লগ সাইট জীবনের প্রথম ওয়েব সাইট করতে পেরে আমি খুব খুশি ছিলাম। এরপর জানতে পারলাম সাইটের ভিজিটর বেশি থাকলে বিভিন্ন এডস কম্পানি থেকে এডস বসিয়ে ইনকাম করা যায়। গুগল এডসেস ও পাইছিলাম ইংরেজি তে করা একটা ব্লগ ছিল কিন্তু ২০ডলার হওয়ার পর একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়।
কিন্তু আমি হতাস হয়নি।এডসেন্স এর বিপরীত পন্থা খোজ করেছি।এবং জানতে পেরেছি অসংখ্য এডস কম্পানি আছে যারা ফ্রি ব্লগে এডস দিয়ে থাকে, আমি একটা এডস কম্পনি থেকে এডস বসালাম। ভালই লাগছে আমি সঠিক পন্থায় ইনকাম করতে যাচ্ছি। কিন্তু এডস বসানোর পরে আরো অনেক হতাস হয়ে পরি কারন তখন নেট বিল খুব বেশি ছিল ৩৪৫টাকা ১জিবি।
একদিকে নেট বিল নিয়ে চিন্তা অন্য দিকে ইনকাম হচ্ছেনা। পরে গুগল টেকটিউনস ঘেটে জানতে পারলাম ওয়েবসাইট এর প্রান ভিজিটর।ভিজিটর নেই ইনকাম নেই। সাথে সাথে শিখা শুরু করলাম ভিজিটর কিভাবে বাড়াতে হয় এর জন্য করতে হবে এসইও টিউন পড়ে শিখলাম এসইও এরপর থেকে ব্লগের ভিজিটর ও অনেক বাড়তে লাগলো।ইনকাম ও বাড়তে লাগলো। আমি খুব খুশি আমার জীবনের প্রথম পেমেন্ট ছিল ৫০ডলার। অন্যের কাছে বিক্রি করতে একটু দেরি দেগেছিল কিন্তু ৫০ডলার এর টাকাই পেয়েছিলাম।
এরপর আমি দেখলাম ব্লগ থেকে কি হবে বিভিন্ন সাইটে দেখি ওডেস্ক থেকে বিড দিয়ে অনেক কাজ পা্ওয়া যায়। ওডেস্কে এ একাউন্ট করলাম কিন্তু সফলতা পেলাম না কারণ আমি নিজে আমি নিজেই ওডেস্ক বাদ দিয়েছি কারন আমার ইংলিশ স্কিল ভাল ছিল না। আমি বায়ার এর কাজ পেলেও হ্যান্ডেল করতে পারবোনা। তাই মনস্থির করলাম ইংলিশ ভাল করে শিখে এই মার্কেট প্লেস এ বসবো।
ব্লগ এ ছিলাম কিছু থিম ডাউনলোড করে মডিফাই করতাম।এতে মন ভরতো না অন্যের খুব সুন্দর সুন্দর সাইট দেখে মাথা খারাপ হয়ে যেত। আমি তখন ওয়েব ডিজাইন শিখতে লাগলাম। আমি এটাও অনেক কষ্টে শেষ করেছি। আমি প্রথমে কোডিং বুঝতামনা  আমি খাতায় নোট করে করে শিখেছি এখনো অনেক দিন কোন সাইট এর কাজ না করলে ভুলে যায় কিন্তু আমার নোট দেখলে সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে যায়।
ডিজাইন শিখতে যেয়ে আমি গ্রাফিক্স ডিজাইন টা ও আয়ত্ব করে নিলাম আগেই ফোটোশপ এর ভাল কাজ জানতাম
এরপর আমি একটি নিউস সাইট তৈরী করলাম। ইনকাম ভালই আচ্ছিল সবকিছু মিলিয়ে
এখন যা বলবো অনেকে হাসি পাবে।
আমার এইচটিএমএল সাইট ছিল নতুন টিউন করতাম নতুন    এইচটিএমএল ফাইল তৈরী করে আবার সব জাইগায় সেই লিংক সেট করা লাগতো নতুন পিকচার সব কিছু কোডিং দিয়ে সেট করতাম অনেক কষ্টরে ভাই বলে বুঝাতে পারবো না।
এরপর বুঝলাম এই সাইট টাকে ডেভেলপ করতে হবে। কোন প্লাটফর্মে কনভার্ট করতে হবে। বেছে নিলাম ওয়ার্ডপ্রেসকে বেসিক পিএইচপি জানলেই মুটামুটি নিজের ডিজাইন করা সাইট ওয়ার্ডপ্রেসে ডেভেলপ করা সম্ভব এরপর ডেভেলপ করার পর আমি এখন খুব সহজেই টিউন ইমেজ সব কিছু আপলোড করতে পারি।

আমি যা যা করেছি অনেক সময় লেগেছে। আপনারা আমার প্রোফাইল ভিজিট করতে পারেন দেখবেন আমার অনেক আগের টিউন কেউ আমাকে হেল্প করুন।এইসব টিউন।

আমি অনেক গুলা সাইট ডিজাইন করছি এতে বেশ কিছু টাকা ইনকাম করছি। এখনো তৈরী করে যাচ্ছি।কারন এই কাজের শেষ নেই।
আমি এর মধ্যে   একটা টিউন দেখলাম ডাউনলোড সাইট থেকে ইনকাম করুন। আমি সাথে সাথে এইটা নিয়ে রিসার্চ করতে লাগলাম কি করতে হবে কিভাবে করবো বুঝতে  অনেক দেরী হয়েছে কিন্তু সফল হয়েছি। আমি একটি সাইট তৈরী করে ডিডিও গুলি অন্য আপলোড  সাইটে আপলোড করে  সেই লিংক গুলি আমার সাইটের সেই ডিডিওর ছবির নিচে লিখে লিংক করে দিয়েছি। এতে আমার খুব বেশি ইনকাম হচ্ছিল কিন্তু আপলোড সাইটে দেখলাম এদের ফ্রি মেম্বারদের জন্য খুব কম রেট দেই এবং ডাউনলোড দিতে গেলে ডাউনলোড কোথায় আছে দুরবিন দিয়ে খোজা লাগে তাই এদের কাছ থেকে প্রিমিয়াম করে নিলাম ১বছরের এক একটা সাইটের এক এক রকম রেট। এরপর আমার ইনকাম আরো প্রচুর বাড়তে লাগলো।

আমি আগেই বলেছি ওয়েব সাইটের প্রান ভিজিটর তাই ভিজিটর নেই কোন ইনকাম নেই ভিজিটর না থাকলে ডাউনলোড করবে কে? আর আপনাকে ওরা ডাউনলোড এর উপর ভিত্তি করে ডলার পে করবে।
তারমধ্যে আমি ফরেক্স সম্পর্কে জানতে পারি ফরেক্স নিয়ে খুব ইন্টারেস্ট ছিল আমি ফেসবুক এর মাধ্যেমে খুব ভাল একজন ব্যক্তিকে খুজে পেলাম যে ফরেক্স সম্পর্কে খুব অভিজ্ঞ। আমি তার সাথে পরে  থাকলাম দির্ঘ ৩বছর। যদিও অনেক আগে ফরেক্স একাউন্ট করছিলাম কিন্তু ক খ কিছুই বুঝিনি।

প্রথমে আমি সাইটের ইনকাম থেকে ডলার ডিপোজিট করতাম কিন্তু প্রথম দিকে অনেক লস খেয়েছি। আমার মাথায় শুধু একটা জিনিস খেলতো আমি যদি লস খেয়ে মার্কেট থেকে চলে যায় তাহলে আমি আর শিখতে পারবোনা।আমি লস থেকে অনেক কিছু শিখেছি।

এখনো আমি ফরেক্স শিখে যাচ্ছি কারন এটার শিখার শেষ নেই প্রাইস অ্যাকশন ক্যান্ডেল এই দুই জানলে ফরেক্স মার্কেট এ আপনি টিকে থাকতে পারবেন। বেশি প্রফিট না করলেও লস খাবেননা।
এখন আমি লস করিনা কিন্তু বেশি লাভ করতে যায়না।

এখন আমি ফুল টাইম ফরেক্স ট্রেডার
এখন সব মিলিয়ে আমি একটা ভাল দিকে আগাচ্ছি। আমি দীর্ঘ ৪বছর এই অনলাইন নিয়ে পড়ে আছি। ৩বছর লেগেছে শিখতে এখনো শিখে যাচ্ছি। শেখার শেষ নেই
আপনি যদি মন দিয়ে কিছু করার চেষ্টা করেন তাহলে অবশ্যই অনেক দূরে যেতে পারবেন শুধু একটা কথায় মনে রাখবেন যত কষ্ট হোক না কেন হাল ছাড়বেন না।



কারো কোন সাহায্যে দরকার হলে আমার পেজে জানাবেন। যতটুকু পারি সাহায্যে করবো।

সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৫

আউটসোর্সিং কি? কিভাবে নিজের সফল ক্যারিয়ার তৈরি করবেন?


outsourcing
outsourcing
আউটসোর্সিং নিয়ে বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে অনেক বেশি লেখালেখি হচ্ছে। রাতারাতি বড়লোক কিংবা রাতারাতি নিজেকে একটু বদলে নেবার আশা দিয়ে যারা বাহারি ও রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে প্রতিনিয়ত আকৃষ্ট করার চেষ্টায় মত্ত হয়ে আছেন একটি শ্রেনীর মানুষ। অনলাইনে আয় করা যায় এমন অনেক বাহারি বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অনেক বন্ধুরায় প্রতারিতও হচ্ছেন। কেউবা আবার বর্তমানে এই ক্ষেত্রটিকে (আউটসোর্সিং) সদ্য সমালোচিত এমএলএম ব্যাবসার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। বাস্তব প্রেক্ষাপটে আউটসোর্সিং আসলে কি ?

আউটসোর্সিং কি?

শব্দটি আমাদের বাংলাদেশে যে খুব বেশি জনপ্রিয় কিংবা পরিচিত তা নয়, তবে কিছু শ্রেণীর অসাধু ব্যাবসায়ী আর লিপটপ বিজ্ঞাপনের কল্যাণে শব্দটি এখন অনেক মানুষের মনে নানাভাবে কৌতুহলের জন্ম দিয়ে চলছে, এবং ইতিমধ্যে আমাদের বাংলাদেশীদের কাছে আউটসোর্সিং শব্দটি অতি পরিচিত একটি শব্দ হিসাবে পরিচিতি পাচ্ছে। অন্যদিকে আউটসোর্সিং আবার অনেকের কাছে নিন্দিত একটি শব্দ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে একিইভাবে। কিন্তু এমনটা কোনভাবেই হবার কথা মোটেও ছিল না। এখন থেকে ৭-৮ বছর আগেও আমাদের বাংলাদেশের মানুষ এই শব্দটির সাথে পরিচিত ছিল না বললেই চলে। সেই সময় যে আউটসোর্সিং এর কাজ হতনা তা নয়, কিন্তু সেই সময় এখনকার মত ছিল না। প্রতিযোগীতা মূলক এবং পরিবর্তনশীল বিশ্বায়নের এই সময়ে আমরা লক্ষ্য করছি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে আর্থ-সামাজিকতার অস্থিরতার কারনে অর্থনৈতিক বৈশম্য দিনদিন বেড়েই চলছে এবং অব্যবস্থাপনার কারনে বেকার সমস্যা বাড়ছে প্রতিদিনই। বাংলাদেশও এর অংশে কম নয় এবং তার শিকার আমরা প্রতিনিয়ত হচ্ছিও বটে। যার কারণে আমারদের দেশের বেকার যুবকদের পাশাপাশি অল্প-স্বল্প আয়ের মানুষেরা জীবনের প্রয়োজনে বিকল্প আয়ের উৎস খুজছে। এই সুযোগে আউটসোর্সিং শব্দটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে অতি দ্রুত পৌঁছেছে বলে আমার। আসলে কি এই আউটসোর্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এই ধরণের সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব ? এর সঠিক উত্তর হল সম্পূর্ণরুপে না হলেও অনেকাংশেই এর সম্ভব। তবে এর পেছনে বিভিন্ন রকমের কিন্তু জড়িত আছে বলে আমার ধারণা !! যেমন আমাদের বাংলাদেশের এখন যেখানে যায় না কেন, সেখানেই শোনা যায় এই আউটসোর্সিং এর কথা, যার উপস্থাপন হল কিভাবে “সহজ উপায়ে অনলাইনে আয়”।

আপনি কি আউটসোর্সিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী?

এত সহজে আমরা যদি অনলাইনে হাজার হাজার ডলার/টাকা আয় করতে পারতাম তাহলে পৃথিবী কোটি কোটি মানুষ শুধুই টাকা আয়ের জন্য দিন রাত পরিশ্রম বন্ধ করে শুধুই ঘরে বসে কম্পিউটার আর অনলাইন সংযোগ নিয়ে যার যার ঘরে বসে আয় করার জন্য উঠে পরে লেগে যেত, আর ঘরে বসে হাজার হাজার ডলার আয় করত। কিন্তু বাস্তবে অনলাইনে আয়ের চিত্রটা একটু ভিন্ন। আসলে আপনার যদি অনলাইনে কাজের দক্ষতা থাকে তাহলে আউটসোর্সং কেন অন্য যেকোন সেক্টরে আপনি খুব সহজেই সফল হতে পারেন। আউটসোর্সিং এর ভিন্নমাত্রা হল, এখানে (আউটসোর্সিং) কাজ করা এবং অনলাইনে কাজ পাবার স্বাধীনতা আপনার আছে যা আপনি অন্য কোন পেশায় তা পাবেন না বললেই চলে। পার্থক্য হল আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে পাবেন এবং এখই সাথে উপযুক্ত পাওনা পাবেন, অন্যান্য পেশায় যার জন্য প্রতিনিয়ত কর্তাদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মন কাষাকষি প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে, যা আউটসোর্সিং করলে আপনি পাবেন না। এক কথায় আউটসোর্সিং হল উপযুক্ত কাজ করে এবং তা থেকে সহজ উপায়ে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম। যেখানে আপনার সফল হতে হলে, অবশ্যই আপনাকে প্রথমেই দক্ষতা অর্জন করতেই হবে, এবং কাজ করার জন্য আপনাকে সঠিক মার্কেটপ্লেস আসতে হবে।

আউটসোর্সিং কি ?

আউটসোর্সিং হচ্ছে তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল একটি স্বাধ পেশা। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে কাজ করে আয়ের একটি অন্যতম পেশা। একটু সহজ ভাবে বলতে চাইলে, ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে অন্যকোন বা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তা করিয়ে নেয়া। নিজের প্রতিষ্ঠান বাদে অন্য কোন ব্যক্তি অথবা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এসব কাজ করানোকেই মূলত আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন, মূলত তারাই হলেন ফ্রিল্যান্সার।

আউটসোর্সিং কাজ  কি ?

আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আমরা বিভিন্ন ধরণের কাজ পেতে পারি। যেমন: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, লেখা ও অনুবাদ, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, প্রশাসনিক সহায়তা, গ্রাহকসেবা (Customer Service), ব্যবসাসেবা, বিক্রয় ও বিপণন ইত্যাদি। এই প্রকার কাজ ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে করে দিতে পারলেই অনলাইনে আয় করা আপনার পক্ষে সম্ভব। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের কাজের ব্যাবস্থা আছে এই বিশাল বড় আউটসোর্সিং জগতে। কিন্তু আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব‌্যাবসায়ী বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়তই নানা পদ্ধতির মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে খুব সহজেই আয় করার নামে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে। বাস্তবে উপরে উল্লিখিত কাজগুলোতে যদি আপনার কোন কারিগরি কাজের দক্ষতা থাকে তবেই কেবলমাত্র আউটসোর্সিং জগতে থেকে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। কোনপ্রকার কাজের দক্ষতা ছাড়া এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে ভালকোন কিছু জানা না থাকলে ধোকা খাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তাই আগে কাজ করার জন্য নিজেকে তৈরী করুন, তারপর এই পেশায় আসার চিন্তা ভাবনা করুণ। সত্যি বলতে আপনি যদি আপনার কাজের দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাছে লাগাতে পারেন তাহলেই আপনাকে দিয়েই সম্ভব এই সেক্টরে দেশের হয়ে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা। শুধু দরকার ইনকামের সঠিক দিক নির্দেশনা, এবং যে কাজ করবেন তার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা।

make money online
make money online

আউটসোর্সিং কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন ?

আমাদের বাংলাদেশে এবং বিশ্বের প্রায় দেশেই আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে এমন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল হতে পারেননি। সর্বদা মনে রাখবেন আউটসোর্সিং একটি স্বাধীন ও মুক্ত পেশা, সেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে আপনার কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই আয় করার জন্য, এবং আপনি যার কাছ থেকে এই উপার্জন করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই এই উপার্যন আপনাকে করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজ যদি সঠিক না হয়, আপনার কাজে যদি কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকে, আপনি যদি কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক বেশী মনযোগী না হন, আপনার কাজে যদি অনেক বেশী স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া সম্ভব নয়। আউটসোর্সিং এ সর্বদা আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতায় আপনাকে উপরের স্তরে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি ক্ল্যায়িন্তকে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ছিটকে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে অনেক খানি বেড়ে যাবে।



রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৫

আপনি কি SEO শেখার কথা ভাবছেন ? তাহলে পোস্টটি অবশ্যই পড়ুন


টাইটেল দেখেই নিশ্চিই বুঝতে পেরেছেন এটা SEO বিষয়ক টিউন। এটি একদম নতুনদের জন্য যারা SEO শিখতে আগ্রহি। আমি আমার SEO কোর্সটিকে মোট ১৬ টি পর্বে সাজিয়েছি। এছাড়াও এই ১৬ টি পর্ব শেষে আপনাদের সাথে আমার বিশেষ টিপস নিয়ে ২ টি পর্ব শেয়ার যাতে আপনারা শেখার পর সরাসরি আরনিং শুরু করতে পারেন। আশা করছি শেষ পর্যন্ত আপনাদেরকে সাথে পাব। আমি আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজ ভাষায় আপনাদের SEO শেখাতে চেষ্টা করব। আর আমি আপনাদেরকে এমন ভাবে শেখাতে চেষ্টা করব যাতে আপনারা নিশ্চিত আয় করতে পারেন। এই পর্বে আপনাদেরকে SEO এর সাথে পরিচিত করাতে গিয়ে অনেক বড় করে ফেলেছি ভয় পাবেন না পরবর্তী পর্ব গুলো অনেক ছোট। আসুন মুল কথায় আসি.

 দেশে ও বিদেশে SEO এর চাহিদা প্রচুর। কারণ একটি ওয়েব সাইট এর মুল চালিকা শক্তি হচ্ছে SEO।। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ব্যবসাই প্রযুক্তি নির্ভর। তাই প্রচুর পরিমাণে
E-Commerce ওয়েব সাইট তৈরি হচ্ছে।ব্যাবসায়িরা তাদের ব্যাবসারম প্রসার ঘটানর জন্য SEO এর সাহায্য নিচ্ছেন। আর ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস যেমন Elance,Up work(O-Desk) এ এর চাহিদা প্রচুর। বর্তমানে একজন দক্ষ সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজার মাসে প্রায় ১০০-১০০০ US ডলার উপার্জন করছে যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৮০০-৭৮০০ টাকা। ক্ষেত্র বিশেষে এই পরিমান আর বেশি। কি চমকে গেলেন নাকি চমকানোর কিছুই নেই বিশ্বাস না হলে একবার যেকোনো ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস এ ঘুরে দেখে আসতে পারেন।

আয়ের উপায়ঃ
SEO এর মাদ্ধমে আয়ের বিভিন্ন উপায় আছে। আপনি আপনার সাইটে SEO করে ব্যাপক পরিমান আনতে পারেন।যখন আপনার সাইট ভিজিটর এর আনাগনা বাড়বে তখন আপনি আপনার সাইটটিকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন। আর এধরনের সাইট থেকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়েও আয় করা যায়। বিজ্ঞাপন দিয়ে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় Google Adsence(সোনার হরিন) আসলেই Google Adsence সোনার হরিন এর মত কাজ করে।। Google Adsence পাওয়ার পর সেটাকে ধরে রাখতে পারলে লাইফে আর কিছু লাগবে না। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস এ SEO এর অনেক কাজ পাওয়া যায় যেমনঃ Keyword Research, Backlinking, On page optimization, Off page optimization,Article Writing ইত্যাদি। আপনারা নিজেদের সাইটকে SEO করার মাধ্যমেও আয় করতে পারেন আবার ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস থেকেও আয় করতে পারেন।

১.কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।
২. ইন্টারনেট সংযোগ।
৩.কম্পিউটার ও ইন্টারনেট চালানোর ন্যূনতম দক্ষতা।
৪.একটি ওয়েব সাইট বা ব্লগ (চিন্তা নেই আমি আপনাদেরকে ফ্রী ব্লগ খুলার নিয়ম ও বলে দেবো)
৫. ধৈর্য। শুধু SEO নয় যেকোনো কাজে সফলতা লাভের মূল চাবিকাঠি হল ধৈর্য।
৬.বিভিন্ন সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলার দক্ষতা। প্রাথমিক ভাবে এগুলা থাকলেই হবে।

সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজেসন (SEO) হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে কোন একটি ওয়েব সাইটকে সার্চ এঞ্জিন সমূহের সাথে পরিচিত করা যায় এবং সার্চ এঞ্জিন এর প্রথমের দিকে আনা যায়।আমার কাছে এর চেয়ে আর সহজ কোন সংজ্ঞা নেই। আসা করি সবাই বুজতে পেরেছেন সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজেসন (SEO) কি?


আমরা সবাই Search Engine সমন্ধে জানি তবুও যারা জানিনা তাদেরকে বলছি। সার্চ এঞ্জিন এর উদাহারন হিসেবে বলা যায় Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি।এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Google।।আমরা গুগল এ যাই লিখে সার্চ দেইনা কেন গুগল আমাদেরকে কোননা কোন ফলাফল প্রদর্শন করে। এখনে আমরা যা লিখে সার্চ দেই তাহোল সার্চ এঞ্জিন এর ভাষায় Keyword এবং সার্চ দেয়ার পর যা ফলাফল আসে তাহোল Search Result।আমরা Keyword Research পর্বে Keyword সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।


১.অন পেজ SEO : অন পেজ SEO হল আপনার ওয়েব পেজ এর ভিতরের কাজ বা সার্চ এঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইটটিকে খিজে পাবে তার প্রক্রিয়া। অন পেজ SEO এর মুল কাজ প্রধানত Keyword Research ও Meta Tag। Keyword Research ও Meat Tag সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
২.অফ পেজ SEO:অফ পেজ SEO হল অন পেজ SEO এর ঠিক উল্টো। আপনার ওয়েব পেজ এর বাইরের কাজকে অফ পেজ SEO বলে।।আগেই বলে রাখি অফ পেজ SEO এর কোন শেষ নেই আপনি আপনার সাইট এ যতো বেশি অফ পেজ SEO করবেন আপনার সাইট এর Page Rank,Visitor, Alexa Rank ইত্যাদি তত বাড়বে।
অফ পেজ SEO এর মুল কাজ সমুহঃ
1.Backlink/Link Building
2.Drictory Sumiton
3 .Social Book Marking
4.Article Sumiton
5.Blog Commenting
6.Forum Posting


SEO কি? SEO এর জন্য কি কি শিখবেন?

Best Java, Android Games, Apps
Bagerhat Freelancing Group
SEO
এসইও বিষয়টা কি, কিভাবে করতে হয়, কিভাবে করলে বিষয়টা স্পামিং হয়, সব একসাথে উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতার আলোকে লিখার চেষ্টা করেছি। এসইও জ্ঞান থাকার কারণেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারছি, লোকাল ব্যবসাতে সফল হতেও এসইও জ্ঞান ছাড়া কল্পনা করতে পারিনা।  সবকিছুতেই এসইও লাগে। জীবনের চলার পথেও এসইও লাগে।

এসইও যখন শিখবেন, কি কি শিখবেন বিষয়টাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:

পুরো বিষয়টাকে বুঝানোর সুবিধার্থে লোকাল যেকোন ব্যবসার সাথে তুলনা করে ব্যাখ্যা করি, তাহলে নতুনদের বুঝতে সুবিধা হবে। কারণ এসইওর কাজইতো হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা।

১) ১ম ধাপ, কীওয়ার্ড রিসার্চ:

আপনার ব্যবসার সুবিধার জন্য কোন কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবেন, সেটি সঠিকভাবে বাছাই করতে না পারলে পুরো ব্যবসাটাই লস।
উদাহরণ: আপনি লোকাল ভাবে ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসা করবেন। কোন জায়গাতে দোকান কিনলে ভাল হবে, দোকানে কোন ধরনের ড্রেস উঠালে সেই জায়গাতে ভাল বিক্রি করা যাবে, বর্তমানে কোন শব্দ ব্যবহার করলে ক্রেতাদের কাছে বেশি আগ্রহ জন্মাবে, সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে আগে রিসার্চ করে খুজে বের করতে হয়। পাখি ড্রেস, এ পাখি শব্দটার জন্য ড্রেসটার বিক্রি কি পরিমাণ হয়েছে সবাই জানেন। এই যে পাখি ড্রেস নাম দিলে মানুষজন বেশি খাবে, সেটি খুজে বের করাকেও এসইওর ভাষাতে কীওয়ার্ড রিসার্চ বলে।

২) ২য় ধাপ, অনপেইজ এসইও:

কীওয়ার্ড বাছাই করার পর সঠিক এবং উপযুক্ত কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের পুরো গঠন ঠিক করা হয়। গঠনের মধ্যে রয়েছে: কনটেন্ট, হাইলাইট জায়গাগুলোতে কীওয়ার্ড ব্যবহার, ইত্যাদি।
উদাহরণ: লোকাল ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসার আইডিয়া পরিকল্পনা করলেন ১ম ধাপে। এবার দ্বিতীয় ধাপে ১ম ধাপের উপর ভিত্তি করে দোকানটাকে সাজানো শুরু। ১ম ধাপের গবেষনার উপর ভিত্তি করে নাম ঠিক করা, ডেকোরেশন সাজানো সব করতে হবে। যদি ১ম ধাপের গবেষণাতে বের হয়, মেয়েদের ওয়েস্টার্ণ ড্রেস বেশি বিক্রি হবে, তাহলে ডেকোরেশনে ওয়েষ্টার্ণ লুকটা নিয়ে আসতে হবে, তাহলে গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়বে। এরকমভাবে দোকান সাজানোটা তখন অনেক জরুরী কাজ হয়ে দাড়ায়।
উপরের দুটি ধাপ এককালীন কাজ। একবার হয়ে গেলে আর করা লাগেনা।
শেষ ধাপ, যা যতদিন ব্যবসা থাকবে ততদিন চালিয়ে যেতে হবে।

৩) শেষ ধাপ: অফপেজ এসইও বা মার্কেটিং:

কীওয়ার্ড রিসার্চ শেষ, সেই অনুযায়ি ওয়েবসাইটকেও গুছানো শেষ। তাতেই এসইওর কাজ শেষ হয়ে যায়নি। এবার শুরু আসল কাজ। সারাজীবন এ কাজটি করে যেতে হবে। এ কাজটিতে সফলতার উপরই সব সফলতা নির্ভর করছে। আর সেটা হচ্ছে অফপেজ এসইও। যেসব জায়গাগুলোতে মানুষ জনের অবস্থান বেশি, সেসব জায়গাতে গিয়ে পরিবেশের সাথে মানানসইভাবে আপনার বক্তব্য উপস্থাপনকেই অফপেইজ এসইও বলে। সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগিং, ফোরাম টিউনিং, ভিডিও মার্কেটিং, ব্লগ টিউমেন্টিংয়ের মাধ্যমে আপনার বক্তব্যকে মানুষের সামনে আকর্ষনীয় উপস্থাপন করতে হয়।
উদাহরণ: খুব সুন্দর ভাবে দোকান গুছানো শেষ করলেন দ্বিতীয় ধাপে। অনেক দামি ডেকারেশন করলেন। এবার এভাবে ফেলে রাখলেই ভাল কাস্টমার পাবেননা। কিছু পেতে পারেন, মার্কেটের নিয়মিত কিছু কাস্টমারকে। কিন্তু বেশি ভাল পরিমান লাভজন হওয়ার জন্য লিফলেট, টিউনার, পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন, টিভিতে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। যে যত আকর্ষনীয়ভাবে যত বেশি বিজ্ঞাপন চালাতে পারে, তার বিক্রি তত বেশি হয়।
আমাদের দেশে এসইও নতুন যারা শিখছে, তারা ভাবছে ১ম দুটি ধাপ শিখতে পারলেই বিশাল কিছু করার স্বপ্ন দেখা শুরু করে। কিন্তু সারাজীবন যেই মার্কেটিংটা করতে হবে, সেটির জন্য যে ক্রিয়েটিভিটি, প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে, মূল খেলাটা এখানেই হবে, সেটিকে খুব বেশি জোর করে শিখছেনা। হুমম, ১ম দুটি ধাপ ঠিক না থাকলে যতই মার্কেটিং করুক ফলাফল খুব বেশি পাওয়া সম্ভবনা, সেটা সবসময়ই মানতে হবে। এমনকি মার্কেটিংয়ের জন্য এবং ২য় ধাপের জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ না করলেতো কি নিয়ে কাজ করবেন, সেটি খুজে পাবেননা। সেজন্য সেটা খুজে বের করাটা জরুরী। কিন্তু দিনশেষে মূল টার্গেটেড ফলাফলটাই বের হবে মার্কেটিংয়ের কারনে। এবং সারাজীবন এ কাজটি চালিয়ে যেতে হবে।

অফপেইজটা আসলে কি?

লক্ষ্য করুন, অফপেইজ বলতে মার্কেটিং বলেছি। মার্কেটিং বলতে বুঝায় মানুষের কাছে আপনার পণ্যকে কিংবা সেবাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, চাহিদা তৈরি করা। মার্কেটিং মানে গুগলকে দেখানোর জন্য ফাঁকি দিয়ে কোন জায়গাতে নিজের পণ্যের লিংক দিয়ে আসাকে বুঝায় না। গুগলে দেখানো কিছু ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করতেতো অবশ্যই হবে। তবে সেই ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, গুগল মানুষের মনের উপর, মানুষের চাহিদাকে গবেষণা করে কিছু গাইডলাইন তৈরি করেছে মাত্র। মানুষ কোন ধরনের বিষয়গুলো বেশি পছন্দ করে, কোন ধরনের বিষয়গুলো মানুষ বিরক্ত হয়, সেই বিষয়গুলোর একটা গাইড তৈরি করেছে, যাকে গুগলে অ্যালগরিদম বলা হয়। 

কিন্তু যেটা দেখা যাচ্ছে সেই অ্যালগারিদমটা গুগল তৈরি করেছে মানুষের চাহিদা, বিরক্তকে তৈরি করে। এবং আরো গবেষণা করে নিয়মিত গুগল তাদের অ্যালগারিদম আপডেটও করছে। তার মানে গুগলে মানুষের চাহিদা, পছন্দ, বিরক্তকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদেরও সেটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা যেটা করছি, গুগলে ফাক ফোকড় গুলোকে ফাকি দিয়ে লিংক দিয়ে আসাকে শিখছি খুব বেশি। যার ফলাফল হচ্ছে, গুগলের পরবর্তী কোন আপডেটে গিয়ে সাইট পেনাল্টী খাচ্ছে।

কি করা উচিত?

সোশ্যাল মিডিয়া, ফোরাম, কিংবা ব্লগ যে জায়গাই বলুন, সবজায়গাতে এমন টিউন করতে হবে, যাতে আপনার লিংকে মানুষ ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে আসে। আবার ভুয়া কিছু লিংকে ক্লিক করিয়ে ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইট টপে চলে আসবেনা। ভিজিটর ওয়েবসাইটে এসে যদি বেশি সময় ধরে অবস্থান করে (বাউন্সরেট কমাতে হবে), এক পেজ থেকে আরেক পেজে যাতায়াত করে (ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার), এবং পরবর্তীতে সেই ভিজিটর যদি  আবারও এ ওয়েবসাইটে ঘুরেফিরে আসে (রিটার্ণিং ভিজিটর), তাহলেই গুগল আপনার সাইটকে সার্চের টপে রাখবে।


১) কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ (অবশ্যই মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ন) ওয়েবসাইট হতে ভিজিটর আসতেছে
২) ভিজিটর কি পরিমাণে আসতেছে?
৩) ভিজিটরগুলোর আচরণ লক্ষ্য করার চেষ্টা করছে
-  ভিজিটরগুলো ওয়েবসাইটে কতক্ষণ অবস্থান করছে?
-  ভিজিটরগুলো এসেই চলে যাচ্ছে নাকি একপেজ থেকে আরেকপেজে যাতায়াত করছে
-  ভিজিটরগুলো একবার এ সাইটে এসে কি আর সারাজীবনে এ সাইটে না আসার প্রতিজ্ঞা করছে নাকি ঘুরেফিরে নিয়মিত আসছে।

এ বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে গুগল আপনাকে সার্চের টপে নিয়ে আসবে নাকি পিছনে ফেলে দিবে তা ঠিক করে। এবার বিষয়গুলো যা যা বললাম, চোখ বন্ধ করে এবার চিন্তা করুনতো, এসইওর জন্য যা যা করবেন, সেটিকে গুগলের চিন্তা করে করতে হয়, নাকি মানুষের চিন্তা করে করতে হয়। মানুষের জন্য কনটেন্ট (আর্টিকেল, ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি) তৈরি করবেন, সেই কনটেন্ট দেখে যাতে মানুষ আপনার সাইটে আছে তাহলেই গুগল আপনাকে একটা মার্ক দিবে। এবার আপনার ওয়েবসাইটটাকেও  এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে মানুষ পছন্দ করে, তাদের কাছে বারবার আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তৈরি করতে হবে। মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এরকম কোন মেসেজ গুগল পেলেই আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চের টপে নিয়ে আসতে হবে। আর এটাই হচ্ছে এসইও।

এসইওকে গুগলের জন্য এত করার বিষয়টা এতবেশি সমাজে প্রচলিত হয়ে গেছে, যার জন্য এসইও নিয়ে স্পামিংটা হচ্ছে খুব বেশি। মানুষের জন্য করার চিন্তা করলে সবার ভাবনাতে আসতো মানুষের মধ্যে বিরক্ত তৈরি করে নিজের পণ্যের কিংবা সেবার কিংবা ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা সম্ভব না। কিংবা আনা গেলেও সে ২য়বার আর আসার চিন্তাও করবেনা।

আসুন এবার দেখি একারণে মার্কেটিংয়ে কি কি ভুল প্রচলিত দেখতে পাচ্ছি:

সবচাইতে বড় ভুল হচ্ছে খুব বেশি প্রোডাক্টকে হাইলাইট করি। আর এ কারণে কোন প্রোডাক্ট মার্কেটিংয়ে ব্যর্থ হই, কোন ব্লগের মার্কেটিংয়েও ভিজিটর আনতে ব্যর্থ হই, অ্যাফিলিয়েশনের ক্ষেত্রেও ভাল ইনকাম করতে পারিনা।

নিজেকে সেলসম্যান হিসেবে প্রস্তুত করে কোন কিছুর মার্কেটিং করা আধুনিক মার্কেটিং পলিসির সাথে যায়না্। আধুনিকযুগের মার্কেটিং পলিসি হচ্ছে যে প্রোডাক্টকে নিয়ে মার্কেটিংয়ের কাজ করবেন, সেই প্রোডাক্ট বিষয়ে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে সবার কাছে অবস্থান তৈরি করতে হবে। তাহলে একজন এক্সপার্ট হিসেবে আপনার পরামর্শ দেওয়া প্রোডাক্টকেই মানুষ কিনতে আগ্রহী হবে।


ক) কোম্পানীর নামে ফেসবুক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের প্রোফাইল খুলে কাজ করা হয়। এমনকি ব্লগিং করার সময় প্রোফাইলটাও হয়ে থাকে কোম্পানী কিংবা নিজের প্রোডাক্ট কিংবা নিজের ওয়েবসাইটের নামে। এ কাজটি অত্যন্ত মারাত্নক ভুল।
ব্যক্তির নামে সকল প্রোফাইল খুলবেন। সেই ব্যক্তির পরিচয় হিসেবে কোম্পানী কিংবা ওয়েবসাইটের পরিচয় তুলে ধরবেন।
খ) যে প্রোফাইল থেকে মার্কেটিং করা হয়, সেই প্রোফাইলের সকল টিউন হয়ে থাকে মার্কেটিং টিউন। এতে আসতে আসতে সেই ব্যক্তির পরিচয় সেলসম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এর পর যেটা হয়, সবার ভাবনাতে চলে আসে, সেলসম্যানতো তার প্রোডাক্টকে সেরা বলবেই। তাই তার বক্তব্যের গ্রহনযোগ্যতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সেলসম্যান না এক্সপার্ট এবং অ্যাডভাইজার হিসেবে প্রোফাইলটিকে প্রতিষ্ঠা করবেন।

গ) প্রোডাক্ট সংক্রান্ত পেজটিতে সকল টিউন হয়ে থাকে প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। সেটা হলে গ্রহণযোগ্যতা কমে যেতে থাকে। প্রোডাক্ট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতামূলক টিউন করতে হবে। যেমন: ওজন কমানোর ঔষধ বিক্রির জন্য পেজ হলে সেখানে বেশি টিউন হবে, ওজন বৃদ্ধি পেলে কি কি ক্ষতি হয় এ সংক্রান্ত টিউন।

ঘ) ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে ব্লগিং বিষয়টি হয় প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। ব্লগের টিউন হবে অবশ্যই সচেতনতামূলক, পরামর্শমূলক। সেখানে সর্বোচ্চ আপনার পেজের লিংক দিয়ে আসতে পারেন। তাহলে যারা আগ্রহী তারা পেজটিতে লাইক দিতে পারে। এবং তারা কোন একসময়ে প্রোডাক্ট কিনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

ঙ) নিজের গ্রুপের বাইরে অন্যের গ্রুপে গিয়ে নিজের মার্কেটিং টিউন করে আসা হয়। যা পুরোপুরি স্পামিং। অন্যের গ্রুপে টিউন করতে হলে, সেখানে বিভিন্ন এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমূলক টিউন কিংবা টিউমেন্ট করে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে হবে। তখন মানুষ এমনিতেই আপনার ওয়াল ভিজিট করে জেনে নিবে কি অফার আপনি দিচ্ছেন। এতে অন্যের গ্রুপে স্পামিং করার হাত থেকে বাচা যায় এবং ব্যান খাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

চ) প্রোফাইল পিকচারে নিজের বাদের অন্য কোন প্রাণী কিংবা ফুলের ছবি ব্যবহার করা হয়। এবং নাম না দিয়ে অদ্ভুত নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল খুলা হয়। এরকম অন্য ছবি কিংবা অদ্ভুত নাম দেখলে বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়না। এমনকি বেশিরভাগ মানুষই নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে এরকম ব্যক্তিদের দেখতে চায়না। সুতরাং প্রোফাইল পিকচার এবং প্রোফাইল নামের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত হতে হবে।

ছ) ফোরাম টিউনিং কিংবা ব্লগ টিউমেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে অনেকেই শুরুতেই মার্কেটিং লিংক টিউন করে আছে। যা ব্যান খেতে সহযোগীতা করে। ব্যান না খেলেও সেটি পাঠকের গ্রহণযোগ্যতা পায়না। সেই ক্ষেত্রেও আগে কিছু টিপস এবং পরামর্শমূলক টিউন করে নিজেকে সংক্রিষ্ট বিষয়ে এক্সপার্ট প্রমাণ করতে হয়। তারপর লিংক টিউন করলে সেটির গ্রহনযোগ্যতা থাকে।

মনে রাখবেন সকল ক্ষেত্রে, আপনার সকল অ্যাক্টিভিটিসে মার্কেটিং টিউন হবে ৩০% এবং এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমুলক টিউন হবে ৫০% এবং বাকি ২০% হবে ব্যক্তিগত বিষয়ক টিউন। এ সুত্র মনে রাখলে এসইওতে সফল হবেন, অ্যাফিলিয়েশনের প্রোডাক্ট বিক্রিতে সফল হবেন।

এসইও বিষয়ে উপরে তিনটি ধাপ সঠিকভাবে না শিখে অ্যাফিলিয়েশন শুরু করলে সফল হতে পারবেননা। ইনভেস্টটাই শুধু হবে।

এসইও যখন ভালভাবে জানবেন, তখন ইনকাম করতে পারবেন অনেকগুলো উপায়ে:

এসইও  মার্কেটপ্লেস থেকে ১০০-৫০০ডলার ইনকামের বিষয়না। এটা বিশাল বড় ক্যারিয়ার।
- মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের মাধ্যমে
-  ব্লগিংয়ের মাধ্যমে
- অ্যাডসেন্স কিংবা অন্য কোন অ্যাড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে
- অ্যাফিলিয়েশনের মাধ্যমে
- কোন লোকাল অনলাইন বেস ব্যবসা চালু করে
- ইকমার্স ব্যবসার মাধ্যমে
- সিপিএ মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে
-  লোকাল কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে
- কোন এসইও টিমের টীম মেম্বার হিসেবে কাজ করে।

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৫

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার যেভাবে শুরু করবেন

 
bagerhat freelancing group
ফ্রিল্যান্স এর মাধ্যমে আপনি স্বাধীন ভাবে অর্থ আয় করতে পারেন এবং নিজে স্বাবলম্বী হতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রে সবার মনেই একটি প্রশ্ন থাকে, কিভাবে আমি ফ্রিল্যান্স শুরু করব? অনেকেই সঠিক পন্থা না জেনে শুরুতেই হতাশ হয়ে পড়েন। এটা ঠিক সঠিক পথে সঠিক উপায়ে যদি আপনি ফ্রিল্যান্স শুরু করেন তবে অবশ্যই আপনি ফ্রিল্যান্স জগতে নিজের একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন।

আগে ফ্রিল্যান্স মার্কেটের সাথে পরিচিত হনঃ

এটা সত্য বর্তমানে একজন ব্যক্তি যদি নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তাহলে সেটা একক ভাবে অনেক কঠিন। আপনি যদি কোন কাজ জানেন এবং আপনি ওই কাজ করতে আগ্রহী এই বার্তা আপনার ক্লায়েন্টকে জানানো আপনার একার পক্ষে সম্ভব নয়। ভয় পাবেন না, এ ক্ষেত্রে বর্তমানে আপনাকে সাহায্য করার জন্য অনেক ফ্রিল্যান্স মার্কেট সাইট রয়েছে এরা আপনাকে খুব সহজেই আপনার ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিবে।

বর্তমানে নাম করা  ফ্রিল্যান্স সাইট সমূহ হচ্ছেঃ

এসব ফ্রিল্যান্স সাইট সমূহ খুব সহজ ভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে ফ্রিল্যান্স জগতে। এসব সাইটের মাধ্যমে অনেক গ্রাহক তাদের প্রয়োজনীয় কাজ সুলভ মূল্যে করিয়ে নিতে পারছে অপর দিকে অনেক ফ্রিল্যান্সার এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পারছে। একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে কাজ শুরু করতে হবে প্রথমে এসব সাইটে আপনাকে সংযুক্ত হতে হবে।

যেভাবে এসব সাইটে আপনি এক্সেস পেতে পারবেনঃ

  •  যে ফ্রিল্যান্স সাইটে আপনি কাজ করতে চান সেই সাইটের ওয়েব ঠিকানা আপনার ব্রাউজারে লিখুন অথবা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করুন।
  • ওই সাইটের টার্ম ও কন্ডিশন সমূহ ভালো করে পড়ুন এতে আপনার অনেক কিছু জানা হয়ে যাবে।
  • ওই সাইটে আপনার নিজের একটি প্রোফাইল খুলে ফেলুন।
  • এবার আপনি যে কাজ করতে পারেন সেই কাজের জন্য বিড শুরু করুন।
আপনি যখন কোন কাজের জন্য বিড করবেন এরপর আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে যদি আপনার বিড প্রাইজে কাজ দেয় তাহলে আপনাকে তিনি আপনার বিড অনুযায়ী কাজ দিবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে বলে রাখছি বর্তমানে অনেক ফ্রিল্যান্স সাইটে কাজের জন্য বিড করার আগে ওই কাজের জন্য আপনাকে ইস্কিল টেস্ট দিতে হবে। এতে ভয়ের কিছু নেই আপনি যদি কাজ জানেন তাহলে এই টেস্ট আপনার প্রোফাইল আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
এতক্ষণ পর্যন্ত যা যা বললাম আপনাকে এর সব কিছুই সঠিক ভাবে করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে কাজ পেতে হলে অবশ্যই আপনি যে কাজ করবেন সেই কাজের ইস্কিল আপনার প্রোফাইলে সংযুক্ত করতে হবে। যেমন আপনি যদি কোন ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে চান তাহলে আপনার ইস্কিলে অবশ্যই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট রাখতে হবে অথবা আপনি যদি লেখার কোন প্রকল্পে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রোফাইলে লিখার ইস্কিল সংযুক্ত করতে হবে।

আপনি আপনার ইস্কিল বাড়াতে যা যা করতে পারেনঃ

  • যে কাজ করতে আপনি আগ্রহী সে কাজ শেখার জন্য আপনার এলাকার যেকোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হতে পারেন।
  • কোন প্রতিস্থানে অনলাইন কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।
  • অথবা ইস্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে শিক্ষা নিয়েছেন তা ঝালিয়ে নিতে পারেন।
সবচেয়ে বাস্তব সত্যি কথা হচ্ছে  ফ্রিল্যান্স মার্কেটে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার সার্টিফিকেট থেকে বাস্তব জীবনে আপনি হাতে কলমে কি জানেন তা দেখতে চাইবে অতএব আপনি যে কাজ করতে চান তাঁর একটি পোর্টফলিও তৈরি করে রাখতে পারেন যা ক্লায়েন্টকে দেখাতে পারেন।
Copyright © 2014 Bagerhat IT Institute