বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫

JSC - PSC পরীক্ষার ফল 2015 জেনে নিন খুব ভিন্ন ভাবে।



শিক্ষা ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পঞ্চম শ্রেণীতে সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল, প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি) পরীক্ষায় যথাক্রমে৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ তে প্রকাশিত হবে, বলেন. প্রাথমিক শিক্ষা শ্যামল কান্তি ঘোষ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পিএসসি ফলাফল সোমবার প্রকাশ করা হবে নিশ্চিত.
এই পিএসসির পরীক্ষা তারিখ দেশের রাজনৈতিক সঙ্কটের জন্য পরিবর্তন. এই কারণে, প্রার্থীরা তাদের ফলাফলের জন্য সবচেয়ে নিরাশ হয়. আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পিএসসির ফল ২০১৫ ডাউনলোড করতে পারেন. আপনি প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট ফলাফলের ও প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে dperesult.teletalk.com.bd এ EBT পরীক্ষার রেজাল্ট 2015 এবং প্রয়োজনীয় স্কুল খুব পেতে হবে.

পিএসসি পরীক্ষার ফলাফল 2015



পিএসসির ফল 2015 জন্য এবং ধাপ নিচে অনুসরণ করুন:
• যেমন পিএসসি বা EBT হিসেবে আপনার পরীক্ষার নাম নির্বাচন
• আপনার জেলার নাম নির্বাচন
• নির্বাচন আপনার থানা / Upzilla নাম বা কোড
• আপনার ক্ষণস্থায়ী বছরের নির্বাচন
• আপনার পরীক্ষার রোল দিন এবং পেতে ফলে জন্য জমা
এসএমএস দ্বারা পিএসসি পরীক্ষার ফল 2015 তে
সাধারণ ছাত্রদের জন্য এসএমএস বিন্যাস:
DPE <স্পেস> থানা / উপজেলা কোড নম্বর <স্পেস> রোল নম্বর <space> 16222 পাঠান
EXP: DPE 47 2357 এবং 16222 পাঠাতে
Ebtedayee ছাত্রদের জন্য এসএমএস বিন্যাস:
EBT <স্পেস> থানা / উপজেলা কোড নম্বর <স্পেস> রোল নম্বর <space> 16222 পাঠান
EXP: EBT 47 5723 এবং 16222 পাঠাতে

শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৫

আউটসোর্সিংয়ে দেশে দুই লাখ তরুণের কর্মসংস্থান হবে




‘আউটসোর্সিংয়ে সবচেয়ে ভালো সুযোগ রয়েছে তরুণদের। সরকার বিপিও’র মাধ্যমে ভবিষ্যৎ তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায়। আগামী পাঁচ বছরে বিপিও খাতে দুই লাখের বেশি তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’
৯ ডিসেম্বর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশের প্রথম বিপিও সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এই ঘোষণা দেন।
বিপিও সামিট’র আয়োজন করেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)।

সভাপতির ভাষণে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‌’আউটসোর্সিং বাংলাদেশের সম্ভঅবনাময় খাতের অন্যতম। আমাদের তরুণেরা অত্যন্ত মেধাবী। আউটসোর্সিংয়ের বিভিন্ন কাজে এ দেশের তরুণদের সুযোগ করে দিয়ে তাদের বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে চায় আমাদের সরকার।’

বর্তমানে গার্মেন্টস খাত দেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আউটসোর্সিং খাত গার্মেন্টস শিল্প খাতকেও ছাড়িয়ে যাবে। আউটসোর্সিংয়ে ক্ষেত্রে বর্তমানে আয় হচ্ছে ১০০ মিলিয়ন ডলার।  আগামীতে সেটা বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত দুই দিনের বিপিও সামিটে  মোট ১১টি আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৭৯ জন দেশি ও ৯ জন বিদেশি আইসিটি বিশেষজ্ঞ অংশ নিয়েছেন।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে আমার সফলতার গল্প।







ফ্রিল্যান্সিং কি?

সবাই জানেন আমার বলার দরকার নেই। আজকে আমি আপনাদের আমার সফলতার গল্প শুনাবো। অনেক সময় নিয়ে বসেছি অনেক কিছু লিখবো। আশা করি একটু সময় নষ্ট করে পড়লে আপনার লস হবে না।
আমি আরো ৪/৫ বছর আগে অনলাইনের সাথে জড়িত কিন্তু তখন অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এটাই জানতাম না। ফেসবুক বিভিন্ন সাইট থেকে ডাউনলোড এইসব করতে পারতাম। পরে আস্তে আস্তে আমি বিভিন্ন সাইট ভিজিট করার পর অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে পারলাম।

টেকটিউনস এর শুরু থেকেই ছিলাম কিন্তু শুধু আর্টিকেল পড়তাম এটা আমার টেকটিউস এর ২য় আইডি আগের আইডি জিমেইল আইডি সব গুলিয়ে খেয়েছি মনে নেই। যায়হোক অনলাইন থেকে প্রতিদিন ইনকাম করুন ৫ডলার প্রতিদিন ১০০০টাকা ইনকাম করুন।এই রকম আর্টিকেল অনেক দেখা যেত বর্তমানে ভাল ভাল টেক সাইট যারা পরিচালনা করেন তাদের সাইটেই এই সব আর্টিকেল বেশি ছিল। নাম বলবো না।
কারন তখন তারাও এত অভিজ্ঞ ছিলনা। ইনকাম এর রাস্তা ছিল ক্লিক পিটিসি সাইট।এই বর্তমানে টেকটিউস এ বেশি দেখা যাচ্ছে। আবারো সেই পিটিসি।
আমি নতুন তাই পিটিসি বুঝি না আর্টিকেল দেখে তার রেফারেন্স এ জনেয় করলাম।উফফফ ক্লিক করছি আর ১সেন্ট কখনো ২সেন্ট করে জমা হচ্ছে। আমার তো অনেক ভাল লাগছে আমি ও এখন অনেক টাকার মালিক হব। কোন মতে কিছুদিনের মধ্যে রেফারেন্স বাড়িয়ে ৫ডলার করলাম।টিউন পরে পাইজা একাউন্ট করলাম তারপর ৫ডলার ক্যাশআউট করলাম মেইল এ বললো ২৪ঘন্টার মধ্যে টাকা পেয়ে যাব। ৩দিন হলে গেল ৪দিন হয়ে গেল এভাবে মাস পেরিয়ে গেল পেন্ডিং তো পেন্ডিং ধুল শালা ফালতু অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়না।
এই বলে প্রায় ১বছর পিছিয়ে গেলাম।তার মধ্যে অনেক ডুলেন্সার ইটিসি ইটিসি সাইট আসলো কাজ ক্লিক পারলাম টাকা পেলাম আবার চলে গেল। তারপর থেকে আরো কঠিন শিক্ষা হলো তারপর টেকটিউন বিভিন্ন টে সাইট এ ভিজিট করে অনলাইন ইনকামের সঠিক রাস্তাগুলি খুজে পেলাম।অনেক সার্চ করেছি অনেক কষ্ট করেছি যা কাউকে বলে বুঝাতে পারবো না।যারা নিজে নিজে শিখেছে তারা যানে কতটা কষ্ট করে শিখা লেগেছে। কারন তখন একটা সমস্যা ছিল কোন টিউন সাজানো ছিল না এ টু জেড নিজের খুজে খুজে বের করা লাগতো নিজের বুঝা লাগতো। কিন্তু এখন ভিডিও টিউটোরিয়াল ইবুক কত কিছু আছে। যা দেখে অনেক ভাল লাগে।
আমি প্রথমে ওয়েব সাইট করলাম ব্লগে। ব্লগ সাইট জীবনের প্রথম ওয়েব সাইট করতে পেরে আমি খুব খুশি ছিলাম। এরপর জানতে পারলাম সাইটের ভিজিটর বেশি থাকলে বিভিন্ন এডস কম্পানি থেকে এডস বসিয়ে ইনকাম করা যায়। গুগল এডসেস ও পাইছিলাম ইংরেজি তে করা একটা ব্লগ ছিল কিন্তু ২০ডলার হওয়ার পর একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়।
কিন্তু আমি হতাস হয়নি।এডসেন্স এর বিপরীত পন্থা খোজ করেছি।এবং জানতে পেরেছি অসংখ্য এডস কম্পানি আছে যারা ফ্রি ব্লগে এডস দিয়ে থাকে, আমি একটা এডস কম্পনি থেকে এডস বসালাম। ভালই লাগছে আমি সঠিক পন্থায় ইনকাম করতে যাচ্ছি। কিন্তু এডস বসানোর পরে আরো অনেক হতাস হয়ে পরি কারন তখন নেট বিল খুব বেশি ছিল ৩৪৫টাকা ১জিবি।
একদিকে নেট বিল নিয়ে চিন্তা অন্য দিকে ইনকাম হচ্ছেনা। পরে গুগল টেকটিউনস ঘেটে জানতে পারলাম ওয়েবসাইট এর প্রান ভিজিটর।ভিজিটর নেই ইনকাম নেই। সাথে সাথে শিখা শুরু করলাম ভিজিটর কিভাবে বাড়াতে হয় এর জন্য করতে হবে এসইও টিউন পড়ে শিখলাম এসইও এরপর থেকে ব্লগের ভিজিটর ও অনেক বাড়তে লাগলো।ইনকাম ও বাড়তে লাগলো। আমি খুব খুশি আমার জীবনের প্রথম পেমেন্ট ছিল ৫০ডলার। অন্যের কাছে বিক্রি করতে একটু দেরি দেগেছিল কিন্তু ৫০ডলার এর টাকাই পেয়েছিলাম।
এরপর আমি দেখলাম ব্লগ থেকে কি হবে বিভিন্ন সাইটে দেখি ওডেস্ক থেকে বিড দিয়ে অনেক কাজ পা্ওয়া যায়। ওডেস্কে এ একাউন্ট করলাম কিন্তু সফলতা পেলাম না কারণ আমি নিজে আমি নিজেই ওডেস্ক বাদ দিয়েছি কারন আমার ইংলিশ স্কিল ভাল ছিল না। আমি বায়ার এর কাজ পেলেও হ্যান্ডেল করতে পারবোনা। তাই মনস্থির করলাম ইংলিশ ভাল করে শিখে এই মার্কেট প্লেস এ বসবো।
ব্লগ এ ছিলাম কিছু থিম ডাউনলোড করে মডিফাই করতাম।এতে মন ভরতো না অন্যের খুব সুন্দর সুন্দর সাইট দেখে মাথা খারাপ হয়ে যেত। আমি তখন ওয়েব ডিজাইন শিখতে লাগলাম। আমি এটাও অনেক কষ্টে শেষ করেছি। আমি প্রথমে কোডিং বুঝতামনা  আমি খাতায় নোট করে করে শিখেছি এখনো অনেক দিন কোন সাইট এর কাজ না করলে ভুলে যায় কিন্তু আমার নোট দেখলে সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে যায়।
ডিজাইন শিখতে যেয়ে আমি গ্রাফিক্স ডিজাইন টা ও আয়ত্ব করে নিলাম আগেই ফোটোশপ এর ভাল কাজ জানতাম
এরপর আমি একটি নিউস সাইট তৈরী করলাম। ইনকাম ভালই আচ্ছিল সবকিছু মিলিয়ে
এখন যা বলবো অনেকে হাসি পাবে।
আমার এইচটিএমএল সাইট ছিল নতুন টিউন করতাম নতুন    এইচটিএমএল ফাইল তৈরী করে আবার সব জাইগায় সেই লিংক সেট করা লাগতো নতুন পিকচার সব কিছু কোডিং দিয়ে সেট করতাম অনেক কষ্টরে ভাই বলে বুঝাতে পারবো না।
এরপর বুঝলাম এই সাইট টাকে ডেভেলপ করতে হবে। কোন প্লাটফর্মে কনভার্ট করতে হবে। বেছে নিলাম ওয়ার্ডপ্রেসকে বেসিক পিএইচপি জানলেই মুটামুটি নিজের ডিজাইন করা সাইট ওয়ার্ডপ্রেসে ডেভেলপ করা সম্ভব এরপর ডেভেলপ করার পর আমি এখন খুব সহজেই টিউন ইমেজ সব কিছু আপলোড করতে পারি।

আমি যা যা করেছি অনেক সময় লেগেছে। আপনারা আমার প্রোফাইল ভিজিট করতে পারেন দেখবেন আমার অনেক আগের টিউন কেউ আমাকে হেল্প করুন।এইসব টিউন।

আমি অনেক গুলা সাইট ডিজাইন করছি এতে বেশ কিছু টাকা ইনকাম করছি। এখনো তৈরী করে যাচ্ছি।কারন এই কাজের শেষ নেই।
আমি এর মধ্যে   একটা টিউন দেখলাম ডাউনলোড সাইট থেকে ইনকাম করুন। আমি সাথে সাথে এইটা নিয়ে রিসার্চ করতে লাগলাম কি করতে হবে কিভাবে করবো বুঝতে  অনেক দেরী হয়েছে কিন্তু সফল হয়েছি। আমি একটি সাইট তৈরী করে ডিডিও গুলি অন্য আপলোড  সাইটে আপলোড করে  সেই লিংক গুলি আমার সাইটের সেই ডিডিওর ছবির নিচে লিখে লিংক করে দিয়েছি। এতে আমার খুব বেশি ইনকাম হচ্ছিল কিন্তু আপলোড সাইটে দেখলাম এদের ফ্রি মেম্বারদের জন্য খুব কম রেট দেই এবং ডাউনলোড দিতে গেলে ডাউনলোড কোথায় আছে দুরবিন দিয়ে খোজা লাগে তাই এদের কাছ থেকে প্রিমিয়াম করে নিলাম ১বছরের এক একটা সাইটের এক এক রকম রেট। এরপর আমার ইনকাম আরো প্রচুর বাড়তে লাগলো।

আমি আগেই বলেছি ওয়েব সাইটের প্রান ভিজিটর তাই ভিজিটর নেই কোন ইনকাম নেই ভিজিটর না থাকলে ডাউনলোড করবে কে? আর আপনাকে ওরা ডাউনলোড এর উপর ভিত্তি করে ডলার পে করবে।
তারমধ্যে আমি ফরেক্স সম্পর্কে জানতে পারি ফরেক্স নিয়ে খুব ইন্টারেস্ট ছিল আমি ফেসবুক এর মাধ্যেমে খুব ভাল একজন ব্যক্তিকে খুজে পেলাম যে ফরেক্স সম্পর্কে খুব অভিজ্ঞ। আমি তার সাথে পরে  থাকলাম দির্ঘ ৩বছর। যদিও অনেক আগে ফরেক্স একাউন্ট করছিলাম কিন্তু ক খ কিছুই বুঝিনি।

প্রথমে আমি সাইটের ইনকাম থেকে ডলার ডিপোজিট করতাম কিন্তু প্রথম দিকে অনেক লস খেয়েছি। আমার মাথায় শুধু একটা জিনিস খেলতো আমি যদি লস খেয়ে মার্কেট থেকে চলে যায় তাহলে আমি আর শিখতে পারবোনা।আমি লস থেকে অনেক কিছু শিখেছি।

এখনো আমি ফরেক্স শিখে যাচ্ছি কারন এটার শিখার শেষ নেই প্রাইস অ্যাকশন ক্যান্ডেল এই দুই জানলে ফরেক্স মার্কেট এ আপনি টিকে থাকতে পারবেন। বেশি প্রফিট না করলেও লস খাবেননা।
এখন আমি লস করিনা কিন্তু বেশি লাভ করতে যায়না।

এখন আমি ফুল টাইম ফরেক্স ট্রেডার
এখন সব মিলিয়ে আমি একটা ভাল দিকে আগাচ্ছি। আমি দীর্ঘ ৪বছর এই অনলাইন নিয়ে পড়ে আছি। ৩বছর লেগেছে শিখতে এখনো শিখে যাচ্ছি। শেখার শেষ নেই
আপনি যদি মন দিয়ে কিছু করার চেষ্টা করেন তাহলে অবশ্যই অনেক দূরে যেতে পারবেন শুধু একটা কথায় মনে রাখবেন যত কষ্ট হোক না কেন হাল ছাড়বেন না।



কারো কোন সাহায্যে দরকার হলে আমার পেজে জানাবেন। যতটুকু পারি সাহায্যে করবো।

সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৫

আউটসোর্সিং কি? কিভাবে নিজের সফল ক্যারিয়ার তৈরি করবেন?


outsourcing
outsourcing
আউটসোর্সিং নিয়ে বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে অনেক বেশি লেখালেখি হচ্ছে। রাতারাতি বড়লোক কিংবা রাতারাতি নিজেকে একটু বদলে নেবার আশা দিয়ে যারা বাহারি ও রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে প্রতিনিয়ত আকৃষ্ট করার চেষ্টায় মত্ত হয়ে আছেন একটি শ্রেনীর মানুষ। অনলাইনে আয় করা যায় এমন অনেক বাহারি বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অনেক বন্ধুরায় প্রতারিতও হচ্ছেন। কেউবা আবার বর্তমানে এই ক্ষেত্রটিকে (আউটসোর্সিং) সদ্য সমালোচিত এমএলএম ব্যাবসার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। বাস্তব প্রেক্ষাপটে আউটসোর্সিং আসলে কি ?

আউটসোর্সিং কি?

শব্দটি আমাদের বাংলাদেশে যে খুব বেশি জনপ্রিয় কিংবা পরিচিত তা নয়, তবে কিছু শ্রেণীর অসাধু ব্যাবসায়ী আর লিপটপ বিজ্ঞাপনের কল্যাণে শব্দটি এখন অনেক মানুষের মনে নানাভাবে কৌতুহলের জন্ম দিয়ে চলছে, এবং ইতিমধ্যে আমাদের বাংলাদেশীদের কাছে আউটসোর্সিং শব্দটি অতি পরিচিত একটি শব্দ হিসাবে পরিচিতি পাচ্ছে। অন্যদিকে আউটসোর্সিং আবার অনেকের কাছে নিন্দিত একটি শব্দ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে একিইভাবে। কিন্তু এমনটা কোনভাবেই হবার কথা মোটেও ছিল না। এখন থেকে ৭-৮ বছর আগেও আমাদের বাংলাদেশের মানুষ এই শব্দটির সাথে পরিচিত ছিল না বললেই চলে। সেই সময় যে আউটসোর্সিং এর কাজ হতনা তা নয়, কিন্তু সেই সময় এখনকার মত ছিল না। প্রতিযোগীতা মূলক এবং পরিবর্তনশীল বিশ্বায়নের এই সময়ে আমরা লক্ষ্য করছি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে আর্থ-সামাজিকতার অস্থিরতার কারনে অর্থনৈতিক বৈশম্য দিনদিন বেড়েই চলছে এবং অব্যবস্থাপনার কারনে বেকার সমস্যা বাড়ছে প্রতিদিনই। বাংলাদেশও এর অংশে কম নয় এবং তার শিকার আমরা প্রতিনিয়ত হচ্ছিও বটে। যার কারণে আমারদের দেশের বেকার যুবকদের পাশাপাশি অল্প-স্বল্প আয়ের মানুষেরা জীবনের প্রয়োজনে বিকল্প আয়ের উৎস খুজছে। এই সুযোগে আউটসোর্সিং শব্দটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে অতি দ্রুত পৌঁছেছে বলে আমার। আসলে কি এই আউটসোর্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এই ধরণের সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব ? এর সঠিক উত্তর হল সম্পূর্ণরুপে না হলেও অনেকাংশেই এর সম্ভব। তবে এর পেছনে বিভিন্ন রকমের কিন্তু জড়িত আছে বলে আমার ধারণা !! যেমন আমাদের বাংলাদেশের এখন যেখানে যায় না কেন, সেখানেই শোনা যায় এই আউটসোর্সিং এর কথা, যার উপস্থাপন হল কিভাবে “সহজ উপায়ে অনলাইনে আয়”।

আপনি কি আউটসোর্সিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী?

এত সহজে আমরা যদি অনলাইনে হাজার হাজার ডলার/টাকা আয় করতে পারতাম তাহলে পৃথিবী কোটি কোটি মানুষ শুধুই টাকা আয়ের জন্য দিন রাত পরিশ্রম বন্ধ করে শুধুই ঘরে বসে কম্পিউটার আর অনলাইন সংযোগ নিয়ে যার যার ঘরে বসে আয় করার জন্য উঠে পরে লেগে যেত, আর ঘরে বসে হাজার হাজার ডলার আয় করত। কিন্তু বাস্তবে অনলাইনে আয়ের চিত্রটা একটু ভিন্ন। আসলে আপনার যদি অনলাইনে কাজের দক্ষতা থাকে তাহলে আউটসোর্সং কেন অন্য যেকোন সেক্টরে আপনি খুব সহজেই সফল হতে পারেন। আউটসোর্সিং এর ভিন্নমাত্রা হল, এখানে (আউটসোর্সিং) কাজ করা এবং অনলাইনে কাজ পাবার স্বাধীনতা আপনার আছে যা আপনি অন্য কোন পেশায় তা পাবেন না বললেই চলে। পার্থক্য হল আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে পাবেন এবং এখই সাথে উপযুক্ত পাওনা পাবেন, অন্যান্য পেশায় যার জন্য প্রতিনিয়ত কর্তাদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মন কাষাকষি প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে, যা আউটসোর্সিং করলে আপনি পাবেন না। এক কথায় আউটসোর্সিং হল উপযুক্ত কাজ করে এবং তা থেকে সহজ উপায়ে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম। যেখানে আপনার সফল হতে হলে, অবশ্যই আপনাকে প্রথমেই দক্ষতা অর্জন করতেই হবে, এবং কাজ করার জন্য আপনাকে সঠিক মার্কেটপ্লেস আসতে হবে।

আউটসোর্সিং কি ?

আউটসোর্সিং হচ্ছে তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল একটি স্বাধ পেশা। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে কাজ করে আয়ের একটি অন্যতম পেশা। একটু সহজ ভাবে বলতে চাইলে, ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে অন্যকোন বা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তা করিয়ে নেয়া। নিজের প্রতিষ্ঠান বাদে অন্য কোন ব্যক্তি অথবা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এসব কাজ করানোকেই মূলত আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন, মূলত তারাই হলেন ফ্রিল্যান্সার।

আউটসোর্সিং কাজ  কি ?

আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আমরা বিভিন্ন ধরণের কাজ পেতে পারি। যেমন: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, লেখা ও অনুবাদ, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, প্রশাসনিক সহায়তা, গ্রাহকসেবা (Customer Service), ব্যবসাসেবা, বিক্রয় ও বিপণন ইত্যাদি। এই প্রকার কাজ ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে করে দিতে পারলেই অনলাইনে আয় করা আপনার পক্ষে সম্ভব। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের কাজের ব্যাবস্থা আছে এই বিশাল বড় আউটসোর্সিং জগতে। কিন্তু আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব‌্যাবসায়ী বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়তই নানা পদ্ধতির মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে খুব সহজেই আয় করার নামে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে। বাস্তবে উপরে উল্লিখিত কাজগুলোতে যদি আপনার কোন কারিগরি কাজের দক্ষতা থাকে তবেই কেবলমাত্র আউটসোর্সিং জগতে থেকে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। কোনপ্রকার কাজের দক্ষতা ছাড়া এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে ভালকোন কিছু জানা না থাকলে ধোকা খাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তাই আগে কাজ করার জন্য নিজেকে তৈরী করুন, তারপর এই পেশায় আসার চিন্তা ভাবনা করুণ। সত্যি বলতে আপনি যদি আপনার কাজের দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাছে লাগাতে পারেন তাহলেই আপনাকে দিয়েই সম্ভব এই সেক্টরে দেশের হয়ে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা। শুধু দরকার ইনকামের সঠিক দিক নির্দেশনা, এবং যে কাজ করবেন তার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা।

make money online
make money online

আউটসোর্সিং কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন ?

আমাদের বাংলাদেশে এবং বিশ্বের প্রায় দেশেই আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে এমন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল হতে পারেননি। সর্বদা মনে রাখবেন আউটসোর্সিং একটি স্বাধীন ও মুক্ত পেশা, সেখানে আপনার ব্যক্তিগত জবাবদিহিতার চেয়ে আপনার কাজের জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই জগতে আসবেন অবশ্যই আয় করার জন্য, এবং আপনি যার কাছ থেকে এই উপার্জন করবেন তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই এই উপার্যন আপনাকে করতে হবে। তাই যদি হয়, আপনার কাজ যদি সঠিক না হয়, আপনার কাজে যদি কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকে, আপনি যদি কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক বেশী মনযোগী না হন, আপনার কাজে যদি অনেক বেশী স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল হওয়া সম্ভব নয়। আউটসোর্সিং এ সর্বদা আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন। আপনার কাজের দক্ষতায় আপনাকে উপরের স্তরে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে, তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের মধ্য দিয়ে কাজটি ক্ল্যায়িন্তকে প্রদান করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান থেকে ছিটকে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে অনেক খানি বেড়ে যাবে।



রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৫

আপনি কি SEO শেখার কথা ভাবছেন ? তাহলে পোস্টটি অবশ্যই পড়ুন


টাইটেল দেখেই নিশ্চিই বুঝতে পেরেছেন এটা SEO বিষয়ক টিউন। এটি একদম নতুনদের জন্য যারা SEO শিখতে আগ্রহি। আমি আমার SEO কোর্সটিকে মোট ১৬ টি পর্বে সাজিয়েছি। এছাড়াও এই ১৬ টি পর্ব শেষে আপনাদের সাথে আমার বিশেষ টিপস নিয়ে ২ টি পর্ব শেয়ার যাতে আপনারা শেখার পর সরাসরি আরনিং শুরু করতে পারেন। আশা করছি শেষ পর্যন্ত আপনাদেরকে সাথে পাব। আমি আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজ ভাষায় আপনাদের SEO শেখাতে চেষ্টা করব। আর আমি আপনাদেরকে এমন ভাবে শেখাতে চেষ্টা করব যাতে আপনারা নিশ্চিত আয় করতে পারেন। এই পর্বে আপনাদেরকে SEO এর সাথে পরিচিত করাতে গিয়ে অনেক বড় করে ফেলেছি ভয় পাবেন না পরবর্তী পর্ব গুলো অনেক ছোট। আসুন মুল কথায় আসি.

 দেশে ও বিদেশে SEO এর চাহিদা প্রচুর। কারণ একটি ওয়েব সাইট এর মুল চালিকা শক্তি হচ্ছে SEO।। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ব্যবসাই প্রযুক্তি নির্ভর। তাই প্রচুর পরিমাণে
E-Commerce ওয়েব সাইট তৈরি হচ্ছে।ব্যাবসায়িরা তাদের ব্যাবসারম প্রসার ঘটানর জন্য SEO এর সাহায্য নিচ্ছেন। আর ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস যেমন Elance,Up work(O-Desk) এ এর চাহিদা প্রচুর। বর্তমানে একজন দক্ষ সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজার মাসে প্রায় ১০০-১০০০ US ডলার উপার্জন করছে যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৮০০-৭৮০০ টাকা। ক্ষেত্র বিশেষে এই পরিমান আর বেশি। কি চমকে গেলেন নাকি চমকানোর কিছুই নেই বিশ্বাস না হলে একবার যেকোনো ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস এ ঘুরে দেখে আসতে পারেন।

আয়ের উপায়ঃ
SEO এর মাদ্ধমে আয়ের বিভিন্ন উপায় আছে। আপনি আপনার সাইটে SEO করে ব্যাপক পরিমান আনতে পারেন।যখন আপনার সাইট ভিজিটর এর আনাগনা বাড়বে তখন আপনি আপনার সাইটটিকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন। আর এধরনের সাইট থেকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়েও আয় করা যায়। বিজ্ঞাপন দিয়ে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় Google Adsence(সোনার হরিন) আসলেই Google Adsence সোনার হরিন এর মত কাজ করে।। Google Adsence পাওয়ার পর সেটাকে ধরে রাখতে পারলে লাইফে আর কিছু লাগবে না। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস এ SEO এর অনেক কাজ পাওয়া যায় যেমনঃ Keyword Research, Backlinking, On page optimization, Off page optimization,Article Writing ইত্যাদি। আপনারা নিজেদের সাইটকে SEO করার মাধ্যমেও আয় করতে পারেন আবার ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস থেকেও আয় করতে পারেন।

১.কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।
২. ইন্টারনেট সংযোগ।
৩.কম্পিউটার ও ইন্টারনেট চালানোর ন্যূনতম দক্ষতা।
৪.একটি ওয়েব সাইট বা ব্লগ (চিন্তা নেই আমি আপনাদেরকে ফ্রী ব্লগ খুলার নিয়ম ও বলে দেবো)
৫. ধৈর্য। শুধু SEO নয় যেকোনো কাজে সফলতা লাভের মূল চাবিকাঠি হল ধৈর্য।
৬.বিভিন্ন সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলার দক্ষতা। প্রাথমিক ভাবে এগুলা থাকলেই হবে।

সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজেসন (SEO) হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে কোন একটি ওয়েব সাইটকে সার্চ এঞ্জিন সমূহের সাথে পরিচিত করা যায় এবং সার্চ এঞ্জিন এর প্রথমের দিকে আনা যায়।আমার কাছে এর চেয়ে আর সহজ কোন সংজ্ঞা নেই। আসা করি সবাই বুজতে পেরেছেন সার্চ এঞ্জিন অপ্টমাইজেসন (SEO) কি?


আমরা সবাই Search Engine সমন্ধে জানি তবুও যারা জানিনা তাদেরকে বলছি। সার্চ এঞ্জিন এর উদাহারন হিসেবে বলা যায় Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি।এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Google।।আমরা গুগল এ যাই লিখে সার্চ দেইনা কেন গুগল আমাদেরকে কোননা কোন ফলাফল প্রদর্শন করে। এখনে আমরা যা লিখে সার্চ দেই তাহোল সার্চ এঞ্জিন এর ভাষায় Keyword এবং সার্চ দেয়ার পর যা ফলাফল আসে তাহোল Search Result।আমরা Keyword Research পর্বে Keyword সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।


১.অন পেজ SEO : অন পেজ SEO হল আপনার ওয়েব পেজ এর ভিতরের কাজ বা সার্চ এঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইটটিকে খিজে পাবে তার প্রক্রিয়া। অন পেজ SEO এর মুল কাজ প্রধানত Keyword Research ও Meta Tag। Keyword Research ও Meat Tag সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
২.অফ পেজ SEO:অফ পেজ SEO হল অন পেজ SEO এর ঠিক উল্টো। আপনার ওয়েব পেজ এর বাইরের কাজকে অফ পেজ SEO বলে।।আগেই বলে রাখি অফ পেজ SEO এর কোন শেষ নেই আপনি আপনার সাইট এ যতো বেশি অফ পেজ SEO করবেন আপনার সাইট এর Page Rank,Visitor, Alexa Rank ইত্যাদি তত বাড়বে।
অফ পেজ SEO এর মুল কাজ সমুহঃ
1.Backlink/Link Building
2.Drictory Sumiton
3 .Social Book Marking
4.Article Sumiton
5.Blog Commenting
6.Forum Posting


SEO কি? SEO এর জন্য কি কি শিখবেন?

Best Java, Android Games, Apps
Bagerhat Freelancing Group
SEO
এসইও বিষয়টা কি, কিভাবে করতে হয়, কিভাবে করলে বিষয়টা স্পামিং হয়, সব একসাথে উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতার আলোকে লিখার চেষ্টা করেছি। এসইও জ্ঞান থাকার কারণেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারছি, লোকাল ব্যবসাতে সফল হতেও এসইও জ্ঞান ছাড়া কল্পনা করতে পারিনা।  সবকিছুতেই এসইও লাগে। জীবনের চলার পথেও এসইও লাগে।

এসইও যখন শিখবেন, কি কি শিখবেন বিষয়টাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:

পুরো বিষয়টাকে বুঝানোর সুবিধার্থে লোকাল যেকোন ব্যবসার সাথে তুলনা করে ব্যাখ্যা করি, তাহলে নতুনদের বুঝতে সুবিধা হবে। কারণ এসইওর কাজইতো হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা।

১) ১ম ধাপ, কীওয়ার্ড রিসার্চ:

আপনার ব্যবসার সুবিধার জন্য কোন কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবেন, সেটি সঠিকভাবে বাছাই করতে না পারলে পুরো ব্যবসাটাই লস।
উদাহরণ: আপনি লোকাল ভাবে ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসা করবেন। কোন জায়গাতে দোকান কিনলে ভাল হবে, দোকানে কোন ধরনের ড্রেস উঠালে সেই জায়গাতে ভাল বিক্রি করা যাবে, বর্তমানে কোন শব্দ ব্যবহার করলে ক্রেতাদের কাছে বেশি আগ্রহ জন্মাবে, সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে আগে রিসার্চ করে খুজে বের করতে হয়। পাখি ড্রেস, এ পাখি শব্দটার জন্য ড্রেসটার বিক্রি কি পরিমাণ হয়েছে সবাই জানেন। এই যে পাখি ড্রেস নাম দিলে মানুষজন বেশি খাবে, সেটি খুজে বের করাকেও এসইওর ভাষাতে কীওয়ার্ড রিসার্চ বলে।

২) ২য় ধাপ, অনপেইজ এসইও:

কীওয়ার্ড বাছাই করার পর সঠিক এবং উপযুক্ত কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের পুরো গঠন ঠিক করা হয়। গঠনের মধ্যে রয়েছে: কনটেন্ট, হাইলাইট জায়গাগুলোতে কীওয়ার্ড ব্যবহার, ইত্যাদি।
উদাহরণ: লোকাল ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসার আইডিয়া পরিকল্পনা করলেন ১ম ধাপে। এবার দ্বিতীয় ধাপে ১ম ধাপের উপর ভিত্তি করে দোকানটাকে সাজানো শুরু। ১ম ধাপের গবেষনার উপর ভিত্তি করে নাম ঠিক করা, ডেকোরেশন সাজানো সব করতে হবে। যদি ১ম ধাপের গবেষণাতে বের হয়, মেয়েদের ওয়েস্টার্ণ ড্রেস বেশি বিক্রি হবে, তাহলে ডেকোরেশনে ওয়েষ্টার্ণ লুকটা নিয়ে আসতে হবে, তাহলে গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়বে। এরকমভাবে দোকান সাজানোটা তখন অনেক জরুরী কাজ হয়ে দাড়ায়।
উপরের দুটি ধাপ এককালীন কাজ। একবার হয়ে গেলে আর করা লাগেনা।
শেষ ধাপ, যা যতদিন ব্যবসা থাকবে ততদিন চালিয়ে যেতে হবে।

৩) শেষ ধাপ: অফপেজ এসইও বা মার্কেটিং:

কীওয়ার্ড রিসার্চ শেষ, সেই অনুযায়ি ওয়েবসাইটকেও গুছানো শেষ। তাতেই এসইওর কাজ শেষ হয়ে যায়নি। এবার শুরু আসল কাজ। সারাজীবন এ কাজটি করে যেতে হবে। এ কাজটিতে সফলতার উপরই সব সফলতা নির্ভর করছে। আর সেটা হচ্ছে অফপেজ এসইও। যেসব জায়গাগুলোতে মানুষ জনের অবস্থান বেশি, সেসব জায়গাতে গিয়ে পরিবেশের সাথে মানানসইভাবে আপনার বক্তব্য উপস্থাপনকেই অফপেইজ এসইও বলে। সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগিং, ফোরাম টিউনিং, ভিডিও মার্কেটিং, ব্লগ টিউমেন্টিংয়ের মাধ্যমে আপনার বক্তব্যকে মানুষের সামনে আকর্ষনীয় উপস্থাপন করতে হয়।
উদাহরণ: খুব সুন্দর ভাবে দোকান গুছানো শেষ করলেন দ্বিতীয় ধাপে। অনেক দামি ডেকারেশন করলেন। এবার এভাবে ফেলে রাখলেই ভাল কাস্টমার পাবেননা। কিছু পেতে পারেন, মার্কেটের নিয়মিত কিছু কাস্টমারকে। কিন্তু বেশি ভাল পরিমান লাভজন হওয়ার জন্য লিফলেট, টিউনার, পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন, টিভিতে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। যে যত আকর্ষনীয়ভাবে যত বেশি বিজ্ঞাপন চালাতে পারে, তার বিক্রি তত বেশি হয়।
আমাদের দেশে এসইও নতুন যারা শিখছে, তারা ভাবছে ১ম দুটি ধাপ শিখতে পারলেই বিশাল কিছু করার স্বপ্ন দেখা শুরু করে। কিন্তু সারাজীবন যেই মার্কেটিংটা করতে হবে, সেটির জন্য যে ক্রিয়েটিভিটি, প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে, মূল খেলাটা এখানেই হবে, সেটিকে খুব বেশি জোর করে শিখছেনা। হুমম, ১ম দুটি ধাপ ঠিক না থাকলে যতই মার্কেটিং করুক ফলাফল খুব বেশি পাওয়া সম্ভবনা, সেটা সবসময়ই মানতে হবে। এমনকি মার্কেটিংয়ের জন্য এবং ২য় ধাপের জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ না করলেতো কি নিয়ে কাজ করবেন, সেটি খুজে পাবেননা। সেজন্য সেটা খুজে বের করাটা জরুরী। কিন্তু দিনশেষে মূল টার্গেটেড ফলাফলটাই বের হবে মার্কেটিংয়ের কারনে। এবং সারাজীবন এ কাজটি চালিয়ে যেতে হবে।

অফপেইজটা আসলে কি?

লক্ষ্য করুন, অফপেইজ বলতে মার্কেটিং বলেছি। মার্কেটিং বলতে বুঝায় মানুষের কাছে আপনার পণ্যকে কিংবা সেবাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, চাহিদা তৈরি করা। মার্কেটিং মানে গুগলকে দেখানোর জন্য ফাঁকি দিয়ে কোন জায়গাতে নিজের পণ্যের লিংক দিয়ে আসাকে বুঝায় না। গুগলে দেখানো কিছু ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করতেতো অবশ্যই হবে। তবে সেই ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, গুগল মানুষের মনের উপর, মানুষের চাহিদাকে গবেষণা করে কিছু গাইডলাইন তৈরি করেছে মাত্র। মানুষ কোন ধরনের বিষয়গুলো বেশি পছন্দ করে, কোন ধরনের বিষয়গুলো মানুষ বিরক্ত হয়, সেই বিষয়গুলোর একটা গাইড তৈরি করেছে, যাকে গুগলে অ্যালগরিদম বলা হয়। 

কিন্তু যেটা দেখা যাচ্ছে সেই অ্যালগারিদমটা গুগল তৈরি করেছে মানুষের চাহিদা, বিরক্তকে তৈরি করে। এবং আরো গবেষণা করে নিয়মিত গুগল তাদের অ্যালগারিদম আপডেটও করছে। তার মানে গুগলে মানুষের চাহিদা, পছন্দ, বিরক্তকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদেরও সেটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা যেটা করছি, গুগলে ফাক ফোকড় গুলোকে ফাকি দিয়ে লিংক দিয়ে আসাকে শিখছি খুব বেশি। যার ফলাফল হচ্ছে, গুগলের পরবর্তী কোন আপডেটে গিয়ে সাইট পেনাল্টী খাচ্ছে।

কি করা উচিত?

সোশ্যাল মিডিয়া, ফোরাম, কিংবা ব্লগ যে জায়গাই বলুন, সবজায়গাতে এমন টিউন করতে হবে, যাতে আপনার লিংকে মানুষ ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে আসে। আবার ভুয়া কিছু লিংকে ক্লিক করিয়ে ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইট টপে চলে আসবেনা। ভিজিটর ওয়েবসাইটে এসে যদি বেশি সময় ধরে অবস্থান করে (বাউন্সরেট কমাতে হবে), এক পেজ থেকে আরেক পেজে যাতায়াত করে (ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার), এবং পরবর্তীতে সেই ভিজিটর যদি  আবারও এ ওয়েবসাইটে ঘুরেফিরে আসে (রিটার্ণিং ভিজিটর), তাহলেই গুগল আপনার সাইটকে সার্চের টপে রাখবে।


১) কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ (অবশ্যই মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ন) ওয়েবসাইট হতে ভিজিটর আসতেছে
২) ভিজিটর কি পরিমাণে আসতেছে?
৩) ভিজিটরগুলোর আচরণ লক্ষ্য করার চেষ্টা করছে
-  ভিজিটরগুলো ওয়েবসাইটে কতক্ষণ অবস্থান করছে?
-  ভিজিটরগুলো এসেই চলে যাচ্ছে নাকি একপেজ থেকে আরেকপেজে যাতায়াত করছে
-  ভিজিটরগুলো একবার এ সাইটে এসে কি আর সারাজীবনে এ সাইটে না আসার প্রতিজ্ঞা করছে নাকি ঘুরেফিরে নিয়মিত আসছে।

এ বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে গুগল আপনাকে সার্চের টপে নিয়ে আসবে নাকি পিছনে ফেলে দিবে তা ঠিক করে। এবার বিষয়গুলো যা যা বললাম, চোখ বন্ধ করে এবার চিন্তা করুনতো, এসইওর জন্য যা যা করবেন, সেটিকে গুগলের চিন্তা করে করতে হয়, নাকি মানুষের চিন্তা করে করতে হয়। মানুষের জন্য কনটেন্ট (আর্টিকেল, ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি) তৈরি করবেন, সেই কনটেন্ট দেখে যাতে মানুষ আপনার সাইটে আছে তাহলেই গুগল আপনাকে একটা মার্ক দিবে। এবার আপনার ওয়েবসাইটটাকেও  এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে মানুষ পছন্দ করে, তাদের কাছে বারবার আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তৈরি করতে হবে। মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এরকম কোন মেসেজ গুগল পেলেই আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চের টপে নিয়ে আসতে হবে। আর এটাই হচ্ছে এসইও।

এসইওকে গুগলের জন্য এত করার বিষয়টা এতবেশি সমাজে প্রচলিত হয়ে গেছে, যার জন্য এসইও নিয়ে স্পামিংটা হচ্ছে খুব বেশি। মানুষের জন্য করার চিন্তা করলে সবার ভাবনাতে আসতো মানুষের মধ্যে বিরক্ত তৈরি করে নিজের পণ্যের কিংবা সেবার কিংবা ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা সম্ভব না। কিংবা আনা গেলেও সে ২য়বার আর আসার চিন্তাও করবেনা।

আসুন এবার দেখি একারণে মার্কেটিংয়ে কি কি ভুল প্রচলিত দেখতে পাচ্ছি:

সবচাইতে বড় ভুল হচ্ছে খুব বেশি প্রোডাক্টকে হাইলাইট করি। আর এ কারণে কোন প্রোডাক্ট মার্কেটিংয়ে ব্যর্থ হই, কোন ব্লগের মার্কেটিংয়েও ভিজিটর আনতে ব্যর্থ হই, অ্যাফিলিয়েশনের ক্ষেত্রেও ভাল ইনকাম করতে পারিনা।

নিজেকে সেলসম্যান হিসেবে প্রস্তুত করে কোন কিছুর মার্কেটিং করা আধুনিক মার্কেটিং পলিসির সাথে যায়না্। আধুনিকযুগের মার্কেটিং পলিসি হচ্ছে যে প্রোডাক্টকে নিয়ে মার্কেটিংয়ের কাজ করবেন, সেই প্রোডাক্ট বিষয়ে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে সবার কাছে অবস্থান তৈরি করতে হবে। তাহলে একজন এক্সপার্ট হিসেবে আপনার পরামর্শ দেওয়া প্রোডাক্টকেই মানুষ কিনতে আগ্রহী হবে।


ক) কোম্পানীর নামে ফেসবুক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের প্রোফাইল খুলে কাজ করা হয়। এমনকি ব্লগিং করার সময় প্রোফাইলটাও হয়ে থাকে কোম্পানী কিংবা নিজের প্রোডাক্ট কিংবা নিজের ওয়েবসাইটের নামে। এ কাজটি অত্যন্ত মারাত্নক ভুল।
ব্যক্তির নামে সকল প্রোফাইল খুলবেন। সেই ব্যক্তির পরিচয় হিসেবে কোম্পানী কিংবা ওয়েবসাইটের পরিচয় তুলে ধরবেন।
খ) যে প্রোফাইল থেকে মার্কেটিং করা হয়, সেই প্রোফাইলের সকল টিউন হয়ে থাকে মার্কেটিং টিউন। এতে আসতে আসতে সেই ব্যক্তির পরিচয় সেলসম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এর পর যেটা হয়, সবার ভাবনাতে চলে আসে, সেলসম্যানতো তার প্রোডাক্টকে সেরা বলবেই। তাই তার বক্তব্যের গ্রহনযোগ্যতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সেলসম্যান না এক্সপার্ট এবং অ্যাডভাইজার হিসেবে প্রোফাইলটিকে প্রতিষ্ঠা করবেন।

গ) প্রোডাক্ট সংক্রান্ত পেজটিতে সকল টিউন হয়ে থাকে প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। সেটা হলে গ্রহণযোগ্যতা কমে যেতে থাকে। প্রোডাক্ট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতামূলক টিউন করতে হবে। যেমন: ওজন কমানোর ঔষধ বিক্রির জন্য পেজ হলে সেখানে বেশি টিউন হবে, ওজন বৃদ্ধি পেলে কি কি ক্ষতি হয় এ সংক্রান্ত টিউন।

ঘ) ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে ব্লগিং বিষয়টি হয় প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। ব্লগের টিউন হবে অবশ্যই সচেতনতামূলক, পরামর্শমূলক। সেখানে সর্বোচ্চ আপনার পেজের লিংক দিয়ে আসতে পারেন। তাহলে যারা আগ্রহী তারা পেজটিতে লাইক দিতে পারে। এবং তারা কোন একসময়ে প্রোডাক্ট কিনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

ঙ) নিজের গ্রুপের বাইরে অন্যের গ্রুপে গিয়ে নিজের মার্কেটিং টিউন করে আসা হয়। যা পুরোপুরি স্পামিং। অন্যের গ্রুপে টিউন করতে হলে, সেখানে বিভিন্ন এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমূলক টিউন কিংবা টিউমেন্ট করে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে হবে। তখন মানুষ এমনিতেই আপনার ওয়াল ভিজিট করে জেনে নিবে কি অফার আপনি দিচ্ছেন। এতে অন্যের গ্রুপে স্পামিং করার হাত থেকে বাচা যায় এবং ব্যান খাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

চ) প্রোফাইল পিকচারে নিজের বাদের অন্য কোন প্রাণী কিংবা ফুলের ছবি ব্যবহার করা হয়। এবং নাম না দিয়ে অদ্ভুত নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল খুলা হয়। এরকম অন্য ছবি কিংবা অদ্ভুত নাম দেখলে বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়না। এমনকি বেশিরভাগ মানুষই নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে এরকম ব্যক্তিদের দেখতে চায়না। সুতরাং প্রোফাইল পিকচার এবং প্রোফাইল নামের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত হতে হবে।

ছ) ফোরাম টিউনিং কিংবা ব্লগ টিউমেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে অনেকেই শুরুতেই মার্কেটিং লিংক টিউন করে আছে। যা ব্যান খেতে সহযোগীতা করে। ব্যান না খেলেও সেটি পাঠকের গ্রহণযোগ্যতা পায়না। সেই ক্ষেত্রেও আগে কিছু টিপস এবং পরামর্শমূলক টিউন করে নিজেকে সংক্রিষ্ট বিষয়ে এক্সপার্ট প্রমাণ করতে হয়। তারপর লিংক টিউন করলে সেটির গ্রহনযোগ্যতা থাকে।

মনে রাখবেন সকল ক্ষেত্রে, আপনার সকল অ্যাক্টিভিটিসে মার্কেটিং টিউন হবে ৩০% এবং এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমুলক টিউন হবে ৫০% এবং বাকি ২০% হবে ব্যক্তিগত বিষয়ক টিউন। এ সুত্র মনে রাখলে এসইওতে সফল হবেন, অ্যাফিলিয়েশনের প্রোডাক্ট বিক্রিতে সফল হবেন।

এসইও বিষয়ে উপরে তিনটি ধাপ সঠিকভাবে না শিখে অ্যাফিলিয়েশন শুরু করলে সফল হতে পারবেননা। ইনভেস্টটাই শুধু হবে।

এসইও যখন ভালভাবে জানবেন, তখন ইনকাম করতে পারবেন অনেকগুলো উপায়ে:

এসইও  মার্কেটপ্লেস থেকে ১০০-৫০০ডলার ইনকামের বিষয়না। এটা বিশাল বড় ক্যারিয়ার।
- মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের মাধ্যমে
-  ব্লগিংয়ের মাধ্যমে
- অ্যাডসেন্স কিংবা অন্য কোন অ্যাড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে
- অ্যাফিলিয়েশনের মাধ্যমে
- কোন লোকাল অনলাইন বেস ব্যবসা চালু করে
- ইকমার্স ব্যবসার মাধ্যমে
- সিপিএ মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে
-  লোকাল কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে
- কোন এসইও টিমের টীম মেম্বার হিসেবে কাজ করে।

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৫

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার যেভাবে শুরু করবেন

 
bagerhat freelancing group
ফ্রিল্যান্স এর মাধ্যমে আপনি স্বাধীন ভাবে অর্থ আয় করতে পারেন এবং নিজে স্বাবলম্বী হতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রে সবার মনেই একটি প্রশ্ন থাকে, কিভাবে আমি ফ্রিল্যান্স শুরু করব? অনেকেই সঠিক পন্থা না জেনে শুরুতেই হতাশ হয়ে পড়েন। এটা ঠিক সঠিক পথে সঠিক উপায়ে যদি আপনি ফ্রিল্যান্স শুরু করেন তবে অবশ্যই আপনি ফ্রিল্যান্স জগতে নিজের একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন।

আগে ফ্রিল্যান্স মার্কেটের সাথে পরিচিত হনঃ

এটা সত্য বর্তমানে একজন ব্যক্তি যদি নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তাহলে সেটা একক ভাবে অনেক কঠিন। আপনি যদি কোন কাজ জানেন এবং আপনি ওই কাজ করতে আগ্রহী এই বার্তা আপনার ক্লায়েন্টকে জানানো আপনার একার পক্ষে সম্ভব নয়। ভয় পাবেন না, এ ক্ষেত্রে বর্তমানে আপনাকে সাহায্য করার জন্য অনেক ফ্রিল্যান্স মার্কেট সাইট রয়েছে এরা আপনাকে খুব সহজেই আপনার ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিবে।

বর্তমানে নাম করা  ফ্রিল্যান্স সাইট সমূহ হচ্ছেঃ

এসব ফ্রিল্যান্স সাইট সমূহ খুব সহজ ভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে ফ্রিল্যান্স জগতে। এসব সাইটের মাধ্যমে অনেক গ্রাহক তাদের প্রয়োজনীয় কাজ সুলভ মূল্যে করিয়ে নিতে পারছে অপর দিকে অনেক ফ্রিল্যান্সার এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পারছে। একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে কাজ শুরু করতে হবে প্রথমে এসব সাইটে আপনাকে সংযুক্ত হতে হবে।

যেভাবে এসব সাইটে আপনি এক্সেস পেতে পারবেনঃ

  •  যে ফ্রিল্যান্স সাইটে আপনি কাজ করতে চান সেই সাইটের ওয়েব ঠিকানা আপনার ব্রাউজারে লিখুন অথবা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করুন।
  • ওই সাইটের টার্ম ও কন্ডিশন সমূহ ভালো করে পড়ুন এতে আপনার অনেক কিছু জানা হয়ে যাবে।
  • ওই সাইটে আপনার নিজের একটি প্রোফাইল খুলে ফেলুন।
  • এবার আপনি যে কাজ করতে পারেন সেই কাজের জন্য বিড শুরু করুন।
আপনি যখন কোন কাজের জন্য বিড করবেন এরপর আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে যদি আপনার বিড প্রাইজে কাজ দেয় তাহলে আপনাকে তিনি আপনার বিড অনুযায়ী কাজ দিবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে বলে রাখছি বর্তমানে অনেক ফ্রিল্যান্স সাইটে কাজের জন্য বিড করার আগে ওই কাজের জন্য আপনাকে ইস্কিল টেস্ট দিতে হবে। এতে ভয়ের কিছু নেই আপনি যদি কাজ জানেন তাহলে এই টেস্ট আপনার প্রোফাইল আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
এতক্ষণ পর্যন্ত যা যা বললাম আপনাকে এর সব কিছুই সঠিক ভাবে করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে কাজ পেতে হলে অবশ্যই আপনি যে কাজ করবেন সেই কাজের ইস্কিল আপনার প্রোফাইলে সংযুক্ত করতে হবে। যেমন আপনি যদি কোন ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে চান তাহলে আপনার ইস্কিলে অবশ্যই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট রাখতে হবে অথবা আপনি যদি লেখার কোন প্রকল্পে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রোফাইলে লিখার ইস্কিল সংযুক্ত করতে হবে।

আপনি আপনার ইস্কিল বাড়াতে যা যা করতে পারেনঃ

  • যে কাজ করতে আপনি আগ্রহী সে কাজ শেখার জন্য আপনার এলাকার যেকোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হতে পারেন।
  • কোন প্রতিস্থানে অনলাইন কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।
  • অথবা ইস্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে শিক্ষা নিয়েছেন তা ঝালিয়ে নিতে পারেন।
সবচেয়ে বাস্তব সত্যি কথা হচ্ছে  ফ্রিল্যান্স মার্কেটে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার সার্টিফিকেট থেকে বাস্তব জীবনে আপনি হাতে কলমে কি জানেন তা দেখতে চাইবে অতএব আপনি যে কাজ করতে চান তাঁর একটি পোর্টফলিও তৈরি করে রাখতে পারেন যা ক্লায়েন্টকে দেখাতে পারেন।

গ্রামীনফোনে মাত্র ৩৬ টাকা ৪ জিবি ইন্টারনেট ডাটা এক মাসের জন্য অফারটি উপভোগ করুন।

bagerhat freelancing group
Gp Offer
আপনিও পেতে পারেন ৯ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট এবং আপনি এটা নিতে পারবেন প্রতি সিমে ৪ বার, মোট ৪ জিবি, তাছাড়া সাথে আরও কিছু বোনাস। আমার এই টিউনে আপনি ১০০% উপকৃত হবেন।

প্রথম ধাপঃ আপনার অথবা আপনার পিতা অথবা মাতার ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি করুন ১ কপি, এবং পাছপোর্ট সাইজের ছবি ১ কপি।

দ্বিতীয় ধাপঃ আপনার এলাকাতে রেজিষ্ট্রেশন করে সিম বিক্রি করে এমন কোন দোকানে যান।

৩য় ধাপঃ আপনি নতুন একটি সিম কিনুন রেজিষ্ট্রেশন করে। সিমটি ৭২ ঘন্টার মধ্যেই চালু হবে, অপেক্ষা করতে থাকুন, সিমটি চালু হলে আপনি একটি এস, এম, এস পাবেন, সিমের মধ্যে অগ্রিম থাকবে ৫ টাকা, তার পর এই সিমে ১৬ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ২০ টাকা, এবং ৩৪ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ৪৫ টাকা আর ৫৪ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ৭৫ টাকা, আপনি এই টাকা গুলি যে কোন দোকান থেকেই রিচার্জ করতে পারেন, এবং এই বোনস গুলি শুধু প্রথম রিচার্জের ক্ষেত্রেই, যদি কোন দোকানদার ইচ্ছে করে তাহলে আপনাকে এই রিচার্জগুলি ফ্রি করে দিতে পারে, কারন আপনার এই সিমে সে এই পরিমান টাকা রিচার্জ করলেই সে দোকানদার সাথে সাথে এই টাকাটা আবার ফ্লেক্সিলোডের সিমে ফেরত পাবে, বোনাস হিসেবে।

৪র্থ ধাপঃ এখন তো আপনার রিচার্জ হয়ে গেছে এখন আপনি *111*90# ডায়াল করুন দেখবেন আপনার সিমে ১ জিবি ইন্টারনেট চলে আসছে, এভাবে আপনি ৪ বার ডায়াল করতে পারবেন এবং ৪ জিবি ইন্টারনেট পাবেন। সিম চালু হওযার সাথে সাথে আবার আপনি ৫০ এম.বি ইন্টারনেট পাবেন, এই এম.বি গুলির মেয়াদ থাকবে ১ মাস, আপনি আরামে ব্যবহার করুন।

Best Java, Android Games, Apps

রবিবার, ১৭ মে, ২০১৫

এসইও জন্য ব্লগিং নাকি ফ্রিল্যান্সিং? কোনদিকে যাবেন?

এসইও জন্য ব্লগিং নাকি ফ্রিল্যান্সিং? কোনদিকে যাবেন?
 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম ব্লগিং ও ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আপনাদের সাথে কিছু বিষয় শেয়ার করবো। কোনটি আসলে বেশি ভালো, কোন পথে আয়ের পরিমান বেশি এসব নিয়েই সাজিয়েছি আজকের আমার টিউন। তো শুরু করা যাক।

ব্লগিং ও ফ্রিল্যান্সিং কি?


আমার অনেকেই জানি এদের সংজ্ঞা । তারপরও আমি আমার আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। ব্লগিং বলতে বুঝায় এমন একটি কাজ যার প্রধান উদ্দেশ্য থাকে লেখা লেখি করা। অর্থাৎ আপনি যদি এখন ব্লগার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কাজ হবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা বা লেখালেখি করা। সেটা হতে পারে যে কোন বিষয়। আর এসব বিষয় নিয়ে যারা লেখালেখি করে তারাই ব্লগার (যদি ও আজকের প্রেক্ষাপটে ব্লগার মানেই নাস্তিক  :D :P) । তার মানে দাঁড়াচ্ছে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একজন ব্লগার লেখালেখির কাজই হল ব্লগিং

ফ্রিল্যান্সিং মানে এক কথায় অনের হয়ে স্বাধীন ভাবে কাজ করা। যারা কোন একটি বিষয়ের উপর দক্ষ এবং সেই কাজের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন আউটসোরসিং মার্কেট প্লেস এ সেই বিষয়ের উপর কাজ করে থাকে সেটাই ফ্রিল্যান্সিং। অর্থাৎ তাঁরা মুক্তপেশাজীবী । তাঁরা চলে সম্পূর্ণ নিয়ের ইচ্ছায়। আর যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন তাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সার।

এসইও তে ব্লগিং ও ফ্রিল্যান্সিং এর গুরুত্ব।
এতক্ষণে আমরা বুঝতে পরেছি যে ব্লগিং ও ফ্রিল্যান্সিং কি? এখন আসি আমার মূল বিষয়ে। “সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন” এই বিষয়ের উপর কোনটির বেশি গুরুত্ব রয়েছে।
এখনকার সময়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলতে প্রচুর পরিমাণে কাজ রয়েছে এসইও এর। তাই এখন ভালো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকারী বেশ কাজ পেয়ে থাকেন সেখান থেকে। তবে তুলনা মূলক ভাবে তা আগের চেয়ে কম। (কারণ হিসাবে আসতে পারে গুগল পাণ্ডা এবং পেঙ্গুইন আপডেট। যার কারনে এখন প্রতিটি ক্লায়েন্ট চায় ভালোমানের সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজারদের। এখন আর সেই দিন নেই যে লাখ লাখ লিংক বিল্ডিং করে দিলেন আর ২ দিনেই র‍্যাংক আপ হয়ে গেলো। এখন কোয়ালিটির চেয়ে কোয়ান্টিটি সবচেয়ে বড় ব্যাপার। আর সেই কারণে যারা শুধুমাত্র লিংক বিল্ডিং এর কাজ করতেন তাঁরা অনেকেই ঝড়ে পড়েছেন। আর যারা একটু এডভান্স লেভেল এ রয়েছেন তাঁরা বেশ ভালো পজিশন এ রয়েছেন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফরম গুলতে। তাছারা এখন লিংক বিল্ডিং এর কাজের চেয়ে র‍্যাংক আপ এর কাজের পরিমাণ বেশি। তাই বলা চলে যে শুধুমাত্র যারা লিংক বিল্ডিং জানেন তাঁদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম অনেকাংশে দুর্বল। আর যারা মোটামুটি অন পেজ এবং অফ পেজ সাথে একটু ওয়েবসাইট ডিজাইন ভালো যানেন তাঁদের জন্য রয়েছে বিস্তর সম্ভাবনা।

অন্যদিকে একজন ব্লগার কিন্তু সব বিষয়েই পারদর্শী হয়ে থাকেন। যেমন তিনি পারেন লিখতে, পারেন তিনি ওয়েবসাইট বানাতে, সুন্দর করে সব গোছাতে। আর তার সাথে যদি তিনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানেন তাহলে তো কোন কথাই নেই। যে কোন ফরম্যাট এ তিনি কাজ করতে পারেন। যেমন একজন ব্লগার কিন্তু অ্যাফিলিয়েট করতে পারেন, গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন, বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য কাজ করতে পারেন, এমন কি তিনি ফ্রিল্যান্সিং ও করতে পারেন!
তার মানে কি দাড়ায়??
“সকল ব্লগারই ফ্রিল্যান্সার, কিন্তু সকল ফ্রিল্যান্সারা ব্লগার নয়”
তার মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ ব্লগিং এর গুরুত্ব ফ্রিল্যান্সিং এর চেয়ে অনেক বেশি। এসইও এর অনেক পার্ট রয়েছে, তাই শুধুমাত্র একটি বিষয় জানলে হবে না, জানতে হবে সম্পূর্ণ বিষয়।

অনলাইন ক্যারিয়ার ও ব্লগিং –ফ্রিল্যান্সিং

এবার আসি ক্যারিয়ার হিসাবে ব্লগিং কেমন আর ফ্রিল্যান্সিং কেমন। প্রথমে আসি ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

ফ্রিল্যান্সিং একটি চলমান প্রক্রিয়া। এখানে দিন দিন যেমন ওয়ার্কার এর সংখ্যা বাড়ছে, ঠিক তেমন ভাবে কাজের পরিমাণ ও বাড়ছে। ফলে এটা ভাবার অবকাশ নেই যে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানলেও আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন না। আপনি অবশ্যই পারবেন। এবং আমাদের দেশের অনেকেই আছেন যারা ওডেক্স এ এখন ৫,০০০-১০,০০০ ঘন্টা কাজ করেছেন শুধুমাত্র এসইও এর উপর। এবং প্রতিনয়ত নতুন নতুন ফ্রিল্যান্সারা আসছেন এই কাজে নিজের ক্যারিয়ার হিসাবে গড়ে নিতে। মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার পর ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করার মাধ্যমে নিজেদের আরো শক্ত করে গড়ে তোলায় ফ্রিল্যান্সিং এর কোন জুড়ি নেই। অজানা অনেক কিছুই আপনি জানতে পারবেন ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে।
নিজে কাজ করে বা একটি শক্ত টিম গঠন করে আপনি ও পারেন আপনার নিজের ক্যারিয়ার গড়তে এই ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে। আজ আমাদের পাশের দেশে ইন্ডিয়াতে কিন্তু একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে আউটসোর্সিং। চাইলেই আমরা সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্র থেকে হয়ে উঠতে পারি উদ্যোগতা।

ব্লগিং ক্যারিয়ারঃ


ব্লগিং হল ফ্রিল্যান্সিং এর চেয়েও স্বাধীন একটি মাধ্যম নিজের ক্যারিয়ার গড়ার। আসলে এই প্ল্যাটফরম দিয়ে আপনি একটি সুদূর প্রসারী অনলাইন ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। যেহেতু একজন ব্লগার পারেন লেখালিখি করতে তাই তিনি নিজে ওয়েবসাইট বানিয়ে তা দিয়েই শুরু করতে পারেন আয়। যেমন তিনি একটি বড় রিভিউ সাইট করলেন , যেখানে তিনি পারেন বিভিন্ন পণ্য নিয়ে লিখতে এবং সাথে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে তা নিয়ে আসতে পারেন সার্চ ইঞ্জিনের শীর্ষে। ফলে সেই ব্লগ বা ওয়েবসাইট দিয়ে তিনি শুরু করতে পারেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, যেখানে তার রেফারালে যদি কেউ কোন পণ্য নিয়ে থাকেন তাহলে তিনি পান একটি কমিশন , এভাবে তিনি ভালো একটি আয়ের বা ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন।
অন্যদিকে তিনি ঐ একই সাইট এ গুগল এডসেন্স দিয়েও আয় করতে পারেন, যত বেশি ভিজিটর আসবে তার ওয়েবসাইট এ ততো বেশি আয় এর সম্ভবনা বেড়ে যাবে। এভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে একজন ব্লগার আয় করতে পারেন, যা একজন ফ্রিল্যান্সার এর পক্ষে সম্ভব হয় না। আর এই কারনে ফ্রিল্যান্সিং এর চেয়ে ব্লগিং এ ক্যারিয়ার যেমন মজবুত তেমন বেশি লাভবান।

কেন আমি ব্লগিং করি, ফ্রিল্যান্সিং নয়?


অনেকে আমাকে প্রশ্ন করে ভাই আপানার ওডেক্স এ আওয়ার কত? ভাই আপনি কি এসইও কাজ করেন ফ্রিল্যান্সার ডট কমে ? আমি বলি না আমি কোন এসইও এর কাজ মার্কেটপ্লেস গুলতে করি না। অনেকেই অবাক হন আমার কথা শুনে, কারণ এখন ফ্রিল্যান্সিং মানেই ক্রেজ, আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জেনে যারা ফ্রিল্যান্সিং করে থাকেন তাঁরা যে কি কি সুযোগ গুলো হাতছাড়া করেন তা এখন আমি আপনদের সামনে তুলে ধরবো।
ধরুন আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার। ওডেক্স এ একটি কাজ পেলেন ব্যাকলিংক বিল্ডিং এর। রেট ১০০ ডলার। আচ্ছা, যে সাইটের জন্য আপনি লিংক বিল্ডিং করছেন সেটি একটা হেলথ বিষয়ক ওয়েবসাইট।

আপনাকে বায়ার বলল যে আমাকে ১০০০ ব্যাকলিংক করে দিতে হবে, তাহলে এর জন্য নিশ্চই আপনার ৭-১৫ দিন সময় লাগতে পারে। তা ছাড়া যে নীতিমালা আপনাকে বায়ার দিবে তা দিয়ে কাজটি হয়তো করতেও আপানার বেশ বেগ পোহাতে হবে, এর পর বায়ের সাথে যোগাযোগ, পেমেন্ট নিয়ে ঝামেলা ইত্যাদিতো রয়েছেই। এত কিছু করার পরেও আপনি কিন্তু কাজটি শেষ করে দিলে জাস্ট একবারই ১০০ ডলার পেলেন। কিন্তু বায়ার আপনাকে দিয়ে অনেক বেশি ডলার আয় করে নিলো।
কিভাবে? তাহলে শুনুন । বায়ার যে সাইট আপনাকে দিয়ে রেংকিং করিয়ে নিল সেই সাইটে সে যদি প্রতিমাসে ৩০০০০ ভিজিটর আসে এবং সেই সাইট এ যদি সে অ্যাফিলিয়েট করে তাহলে সেখান থেকে যদি মাত্র ১০০ জন ভিজিটর ও যদি তার প্রোডাক্ট কিনে থাকে তাহলে তার আয় কত হবে জানেন? ধরলাম প্রোডাক্ট প্রতি তার কমিশন ২৫ ডলার, অর্থাৎ ১০০X২৫= ২৫০০ ডলার!!! কিন্তু সে আপনাকে দিয়ে রেংক আপ করানর জন্য খরচ করলো কত? মাত্র ১০০ ডলার, হয়তো অন্য কাউকে দিয়ে সাইট ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদিতে তার খরচ সর্বচ্চো ৫০০ ডলার। কিন্তু রেংক আপ এর পর থেকে সে প্রতিমাসে আয় করবে ২৫০০ ডলার, তাহলে সে যদি নুনতম ৬ মাস তার ওয়েবসাইট চালায় তাহলে তার টোটাল আয় হয় ১৫,০০০ ডলার !!
তাহলে একবার ভাবুন সে তার ৫০০ ডলারকে কিভাবে ১৫ হাজার ডলার এ রূপান্তর করেছে। শুধু এফিলিয়েট মার্কেটিং নয়, সে যদি তার সাইট এ গুগল এডসেন্স ও বসায় তাহলে তার ঐ ৩০,০০০ ভিজিটর দিয়ে তার আয় হতে পারে মাসে ৫০০-১৫০০ ডলার পর্যন্ত। কিন্তু এই সব আপনি মিস করবেন কারণ?? আপনি শুধুমাত্র একজন ফ্রিল্যান্সার।
আজ আপনি যদি ব্লগিং করতেন তাহলে কি হতো? আপনার র্যাংলক আপ করার জন্য অন্য কাউকে হায়ার করা লাগত না, আপনি নিজেই আর্টিকেল লিখতে পারতেন, না পারলে ও অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিতে, নিজে সাইট রেডি করতে পারতেন, এবং এর পিছনে আপনি যদি ২-৩ মাস পরিশ্রম করতে তাহলে আপনি ঠিক ঐ বায়ার যা ইনকাম করছে আপনি তাই করতে পারতেন। কিন্তু একজন ফ্রিল্যান্সার কখনই একটি প্রোজেক্ট এর মাধ্যমে প্রতিমাসে মাসে এভাবে ইনকাম করতে পারতেন না।
আর এই কারনেই আমি নিজে মনে করি ফ্রিল্যান্সিং এ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজ করা চরম বোকামি। আপনি যদি ওয়েবসাইট রেংক আপ করাতেই পারেন তাহলে কেন অন্যদের ওয়েবসাইট আপনি রেংক আপ করাবেন? কেন অন্যের জমিতে ফসল ফলিয়ে শুধুমাত্র পারিশ্রমিক নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন? আপনি যদি নিজেই চাষ করতে পারেন তাহলে ফল, ফসল সবই আপনার এবং আমার পরিশ্রমের যে আসল সম্মান সেটা আপনি পাবেন।
তাই আমি মনে করি আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর এডভান্স লেভেল এর কাজ শিখতে পারেন তাহলে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেটিং কেই বেছে নিতে পারেন আপনার ক্যারিয়ার হিসাবে। আর এখন যারা বিগেনার পর্যায়ে রয়েছেন আপনারা ও প্রস্তুতি নিতে থাকেন এডভান্স কিছু শেখার জন্য। কারণ এডভান্স এসইও না জানলে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব নয়। তাই সময় নিয়ে নিজেকে গুছিয়ে ফেলুন এবং কাজ শিখতে শুরু করুন। আপনার ক্যারিয়ার শুরু হোক ফ্রিল্যান্সিং দিয়ে কিন্তু সব সময় টার্গেট রাখুন অনলাইন মার্কেটিং এ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে।এর জন্য প্রয়োজন সময়, প্রশিক্ষণ, শ্রম এবং ধৈর্য।

ক্যারিয়ার হিসেবে এসইও এর চাহিদা সম্পর্কে জানুন

ক্যারিয়ার হিসেবে এসইও এর চাহিদা সম্পর্কে জানুন

ক্যারিয়ার হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এস.ই.ও. হচ্ছে কোনো সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের উপযুক্ত করা বা সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব করে তোলা। শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর জন্যই গড়ে উঠছে এস.ই.ও. ক্যারিয়ার। যে কেউ নিজের ইচ্ছাশক্তি ও চেষ্টার মাধ্যমেই এস.ই.ও. জগতে প্রবেশ করতে পারেন। আপনি যদি একটি স্বাধীন পেশার সন্ধানী হন তাহলে এস.ই.ও.-ই হতে পারে আপনার প্রধান নির্বাচন। কিন্তু কেন অন্য কোনো ক্যারিয়ার বাদে এস.ই.ও. ক্যারিয়ারটিই বেছে নিবেন? হ্যা, আজ আপনাদের দেখাবো কেন আপনি এস.ই.ও.-কেই আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে নির্বাচিত করবেন। আসুন কারনগুলো দেখে নেওয়া যাক:

  • 1. বর্তমানে যে পরিমানে নতুন নতুন সাইট তৈরি হচ্ছে সেই কারনে নতুন সাইটগুলোকে ভিজিটরের সামনে উপস্থাপন করার জন্য এস.ই.ও. অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আর এ কারনেই মার্কেটপ্লেসগুলোতে এস.ই.ও. কাজের পরিমান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আর সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে কাজ পাওয়ার সুযোগ।
  • 2. এস.ই.ও. সেক্টর নতুন কিছু নয়। ইতিমধ্যেই অসংখ্য লোক তাদের পেশা হিসেবে এস.ই.ও.-কে বেছে নিয়েছেন এবং এতে সফলতা লাভ করেছেন। নতুনরাও অনেক সফলভাবেই তাদের ক্যারিয়ার শুরু করতে পারছে।
  • 3. বর্তমানে এস.ই.ও. কাজের মূল্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই এসব কাজের জন্য ওয়েব ডেভোলপার বা ডিজাইনারদের চেয়ে এস.ই.ও. এক্সপার্টরাই বেশি পারিশ্রমিক পায়। বর্তমানে মার্তেটপ্লেস গুলোতে এস.ই.ও. কাজের জন্য গড়ে প্রতি ঘন্টা ৫০ ডলার করে দেওয়া হয়। তাই এই কাজের মূল্যও কম নয়।
  • 4. আপনি যদি ইতিমধ্যে ওয়েব ডিজাইনিং শিখে থাকেন বা শেখার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে ওয়েব ডিজাইনিং এর পাশাপাশি আপনাকে এস.ই.ও.-ও শিখতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক নয় তবে ওয়েব ডিজাইনিং এর পাশাপাশি এস.ই.ও. তেও আপনার দক্ষতা থাকলে কাজের ক্ষেত্রে আপনি বিশাল সূবিধা ভোগ করতে পারবেন।
  • 5. এস.ই.ও শেখার মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের সাইট তৈরি করে তাতে আপনার এস,ই.ও. স্কিল প্রয়োগ করে আপনার সাইটটিকে জনপ্রিয় করতে পারেন এবং সাইটটি হতে আয়ও করতে পারেন।
সব কাজের মতোই সার্চ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কাজের ক্ষেত্রেও কিছু অসুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু সমস্যা হল:
  • 1. সার্চ ইন্জিনের অ্যালগরিদমগুলো প্রতিনিয়তই পরিবর্তিত হয় এবং তার সাথে তাল মিলিয়েই আপনাকে এস.ই.ও. করতে হবে। তাই যেকোনো সাইটেরই এ.ই.ও. নিয়মিত পরিবর্তিত রূপেই করতে হয়।
  • 2. এস.ই.ও. জগতে কাজের ক্ষেত্রে অনেক ধৈর্যের প্রয়োজন। যে কোনো সাইটকেই রাতারাতি সার্চ রেজাল্টের প্রথমে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। এর জন্য অনেক কাজ করতে হয় এবং সময় দিতে হয়। কোনো সময় সাইটটি সার্চ রেজাল্টের পেছনে চলে গেলে হাল ছেড়ে না দিয়ে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগের চেষ্টা করতে হবে।
  • 3. কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু অসাধু ডেভলপাররা সার্চ সার্চ ইঞ্জিন গুলোর দুর্বলতা গুলো ব্যবহার করে তাদের সাইটকে প্রথমে নিয়ে আসে এবং সে ক্ষেত্রে আপনার সাইট এর জন্য তেমন কিছুই করার থাকে না। কিন্তু সম্প্রতি এসব গর্হিত কাজকে সার্চ ইন্জিন গুলো সফলভাবেই পরিহার করছে।
এস.ই.ও. কাজের জন্য সুবিধার তুলনায় অসুবিধার পরিমান অতি নগন্য। কিন্তু আপনাকে অবশ্যই এখানে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে তবেই আপনি ক্যারিয়ারে সফলতার মুখ দেখতে পারবেন। লেখাটি পড়ে আপনি এস.ই.ও.-কে আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহন করতে চান তাহলে এস.ই.ও. জগতে আপনাকে স্বাগতম।

একজন সফল ব্লগার হতে হলে কি কি বিষয় সম্পর্কে বিবেচনা করতে হয় ।

একজন সফল ব্লগার হতে হলে কি কি বিষয় সম্পর্কে বিবেচনা করতে হয় 


অনলাইনে কোটি কোটি ওয়েব সাইট আছে যেগুলো প্রোডাক্ট বিক্রি বা এফিলিয়েট মার্কেটিং বা অ্যাড থেকে বিভিন্ন ভাবে আয় করে চলেছে এবং এগুলো প্রতিটিই ভিজিটরের জন্য প্রতিযোগিতা করে চলেছে । আবার কেউ কেউ একই ভিজিটরের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত । এত প্রতিযোগিতার ভিতর কাঙ্খিত ফলাফল কি করে পাওয়া যাবে ? এই প্রশ্নের জবাবে অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাক্তি বলেছিল যে তাদের ওয়েব সাইট আছে । যদিও ওয়েবসাইট থাকা আর মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট থেকে আয় করা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস । একটি ওয়েবসাইট হল কতকগুলো ডকুমেন্ট, ছবি এবং ইলেক্ট্রনিক্স ফাইলের সমাহার যা সাধারণের ব্যাবহারের জন্য । আর ইন্টারনেট মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট এর পাঠক সংখ্যা বাড়াতে হয় । আর আমরা জানি যত বেশি ভিসিটর তত বেশি আয় । ব্লগ থেকে আয় করার পূর্বে মানে যখন আপনি ব্লজ্ঞিং শুরু করতে যাচ্ছেন তিনটি জিনিস মাথায় রেখে ব্লগিং শুরু করতে হয় .........

ক) ভিসিটরদের ব্লগের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানো ।
খ) তাদেরকে উৎসাহিত করা প্রোডাক্ট কিনতে, যদি আপনি ব্লগিং এর সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান ।
ঘ) ভিসিটর যাতে ব্লগে আবার ফিরে আসে সেই ব্যাবস্থা করা ।
একটা ব্লগ থাকা খুবই ভালো কথা কিন্তু এটা অর্থহীন যদি কেউ সেই ব্লগ সম্পর্কে না জানে বা সেই ব্লগের কোন পাঠক না থাকে । এখানে আমি ব্লগিং এর শুরুটা কিভাবে করা যেতে পারে সেটা নিয়ে একটু বলবো । আসলে এত এত জিনিস নিয়ে চিন্তা করতে হয় যেটা লিখে ফেললে ১০০ পেজের একটা বই হয়ে যাবে । যা হোক আমরা মেইন জিনিসগুলো নিয়ে একটু ঘাঁটি । ব্লগ করার সময় তিনটে জিনিস মনে রাখতে হয় –
১। ব্লগের উদ্দেশ্য কি
২। টার্গেট মার্কেটের চাহিদা
৩। প্রোডাক্ট
সুতারাং উদ্দেশ্য, টার্গেট মার্কেট এবং প্রোডাক্ট – এই তিনটে জিনিসকে আবর্ত করেই ব্লগিং এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং । উপরের তিনটে জিনিসকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে পারলে ব্লগ থেকে আয়ের পরিমান বেড়ে যায় ।

একজন সফল ব্লগার হবেন কিভাবে?


উদ্দেশ্যঃ
ব্লগ বানানোর পূর্বে অবশ্যই ব্লগের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে ।নিজের কাছে নিজে ব্লগের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করুন “আমার ......ব্লগের উদ্দেশ্য কি?” নিজে ব্লগের Objective নির্ধারণ করে তারপর অন্যদের প্রশ্ন করুন । ফেসবুকে ও প্রশ্ন করুন । মাথা ঘামিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টিকোণ দিয়ে ব্লগকে পর্যবেক্ষণ করুন । কোন শ্রেণীর মানুষদের উপকার হবে এই ব্লগ থেকে, ব্লগের সুফল ও কুফল খুঁজুন । কি উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার ব্লগটি যাত্রা শুরু করবে ? এটা কি শুধু মাত্র শখেরবশে নাকি মানুষের উপকারের জন্য নাকি শুধু টাকা আয় করার জন্য ? কক্ষনো টাকা আয় করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগি করবেন না, আপনার চিন্তা থাকবে শুধু মানুষের উপকার করা, তাহলেই আপনার টাকা উপার্জন হবে । যা হোক কয়েকটি সাধারণ উদ্দেশ্য হল –
১। প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি
২। প্রোডাক্ট বিজ্ঞাপন করা
৩। অ্যাড থেকে আয়
উপরে আমরা শুধু প্রাথমিক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছি এবং এবার দ্বিতীয় দফায় কিছু জিনিস বিবেচনা করবো এবং একটা ব্লগ থেকে ভালো মানের আয় করার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
১। ব্লগ এস, ই, ও এর উপযোগী করে ডিজাইন এবং ডেভেলপ করতে হবে
২। ব্লগে ভাইরাল মার্কেটিং এলিমেন্ট থাকবে, যেমন ধরুন, অনেক বড় এবং খুবই উপকারী কয়েকটি পোস্ট ।
৩। ব্লগের বিষয়বস্তু গুলোকে ভিসিটরের চোখের সামনে রাখতে হবে যেন পাঠককে কোন বিষয় খুঁজতে কষ্ট করতে না হয় কারন অনলাইন পাঠক খুবই অলস ।


টার্গেট মার্কেট বা পাঠক নির্বাচনঃ
ব্লগটা পাঠকের উপর নির্ভর করে সাজাতে হবে কারণ বিভিন্ন পাঠকের রুচি বিভিন্ন । পাঠকের রুচি, বয়স, পুরুষ বা মহিলা বা উভয়ই যে কোন একটা ধরনের পাঠক নির্বাচন করতে হবে, এতে করে ব্লগ মার্কেটিং করতে সুবিধা হবে এবং আয় ও বাড়বে । যেমন ধরুন – আপনি “স্কিন ভালো রাখার মেডিসিন” নিয়ে আপনার ব্লগ লিখবেন তাহলে আপনার টার্গেট পাঠক থাকবে মহিলারা, তবে এক্ষেত্রে ৩৫+ মহিলারা থাকবে আপনার টার্গেট ভিসিটর কেননা ৩৫ বছর এর পর স্কিনে একটু সমস্যা দেখা দেয় । তবে ব্লগিং করার সময় পাঠকের –
১। চাহিদা
২। প্রয়োজনীয়তা
৩। এক্সপেক্টটেশন
বুঝে ব্লগে লিখতে হবে । পাঠক যেন ব্লগ পড়ে মুগ্ধ হয়ে যায়, আর মানুষ ভালো কিছু অন্য মানুষকে জানাতে চায় আর এই ভাবে ভালো বিষয় সোশ্যাল সাইট এ ভাইরাল হয়ে যায় মানে সবার মুখে মুখে থাকে ।
প্রোডাক্ট বা সার্ভিসঃ
ব্লগের বিসয়বস্তুর উপর নির্ভর করে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রোমট করা যেতে পারে । যেমন –
১। বই
২। যদি ট্রাভেল ব্লগার হলে হোটেল, এয়ার লাইন
৩। টেকনোলজি ব্লগাররা গ্যাজেট
৪। সফটওয়্যার ব্লগাররা সফটওয়্যার
ইত্যাদি ।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান (এসইও) কেন শিখবেন?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান (এসইও) কেন শিখবেন?
এই পোস্টটি মূলত ওয়েব ডেভলপার বা ওয়েবসাইট এর মালিকদের জন্য করা হলেও যারা ফ্রিল্যান্সিং-এ আগ্রহী তারাও এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন যে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিষয় এর মধ্যে এসইও কতটা গুরুত্বপূর্ন আর কেন সকল ক্ষেত্রেই এসইও-এর অন্তত প্রাথমিক ধারনা থাকা প্রয়োজন। অনেক ওয়েবসাইটের মালিকেরা তাদের সময় স্বল্পতার কারনে তাদের সাইটের এসইও অন্য কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে করিয়ে নেন। ফলে নিজে এসইও অজানা থাকায় নানা সমস্যায় পড়তে হয়। যদি একান্তই আপনার সময়ের অভাব থাকে তাহলে এসইওর সবকিছু না জানলেও এসইও কিভাবে কাজ করে, কিভাবে করা হয়, এসইও করার সঠিক উপায় গুলো কি ইত্যাদি সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা থাকা উচিত। আসুন দেখে নেওয়া যাক কেন আপনার এসইও শেখা প্রয়োজনীয়।

এসইও কোয়ালিটিতে ঠকতে হয় না

ধরি, আপনি টাকা দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট এর এসইও করিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু যার কাছ থেকে এসইও করিয়ে নিচ্ছেন সে সঠিকভাবে এসইও করছে কিনা তা কিভাবে বুঝবেন? কিছু ট্রিক আছে যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট কিছু সময়ের জন্য হয়তো সার্চ ইন্জিন এর কাছে জনপ্রিয় হতে পারে কিন্তু কিছুদিন পরই হয়তো আপনার র্যাং ক কমে যাবে সেই ভুল ট্রিক এর জন্য। তাই সঠিকভাবে এসইও করার সম্পর্কে যদি আপনার ধারনা থাকে তাহলে সেই এসইও-র কাজগুলো দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কাজগুলো সঠিকভাবে করা হচ্ছে কি-না। তাই খারাপ কোয়ালিটির এসইও সার্ভিস এর হাত থেকে বাচতে আপনাকে অবশ্যই এসইও এর প্রাথমিক ধারনা রাখতে হবে।

আপনার ও এসইও প্রোভাইডার এর মধ্যে ভালো যোগাযোগ হবে

আপনি যদি এসইও একেবারেই না জানেন তাহলে কাজটি কিভাবে সম্পন্ন হবে তা নি যে এসইও প্রোভাইডারএর সাথে আলোচনায় আপনার কাছে অনেক কিছুই দুর্বোদ্ধ মনে হতে পারে। এসইও মোটামুটি শিখতে পারলে এই সমস্যাটি আর থাকবে না। আপনি আপনার চাহিদার কথা প্রেভাইডারকে যেমন সহজই বলতে পারবেন তেমনি এসইও প্রভাইডারের পক্ষেও তার কাজের অবস্থান আপনাকে সহজেই বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। যেমন: একজন যতই এসইও এক্সপার্ট হোন না কেন এসইও তে সফলতা পেতে কিছু সময় লাগতে পারে কিন্তু আপনি যদি এই বিষয়টি না জানেন তাহলে বেশি সময় লাগাটাকে তার ব্যার্থতা হিসেবে ধরে নিয়ে তার কাজের কোয়ালিটি সম্পর্কে খারাপ ধারনা পোষন করবেন। কিন্তু এই সময় লাগাটা একটি সাধারন ব্যাপার তা যদি আপনি আগে থেকেই জানতেন তাহলে এই ভুল বোঝাবুঝি হতো না।

আপনার ওয়েবসাইটএর আরও উন্নতি করতে পারবেন

কিছু কিছু ওয়েবসাইট-এর জন্য ফুল টাইম এসইও এক্সপার্ট নিয়োগ দেওয়া থাকে কিন্তু সব সাইটের ক্ষত্রে তা সম্ভব না-ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাইটের এসইও করার কাজ শেষ হওয়ার পর আপনার আর কিছুই করার থাকে না। কিন্তু আপনি যদি এসইওর নিয়ম কানুন জানেন তাহলে আপনার সাইটটি আপডেট করার সময় সাধারন পরিবর্তনগুলো আপনি নিজেই সেরে নিতে পারেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। এতে আপনার সাইটটি আপনার মনের মতো করতে পারবেন ও কিছু অতিরিক্ত খরচও কমে যাবে।

ওয়েব ডেভলপিংএ-ও সাহায্য করবে

আপনি যদি আপনার নিজের সাইট নিজেই ডিজাইন করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রেও এসইও আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। এসইওর নিয়ম অনুযায়ী আপনি আপনার ডিজাইন ও কোডগুলো সুবিন্যস্তভাবে সাজাতে পারলে তা সার্চ ইন্জিনের কাছেও অনেক ভালো সাইট হিসেবেই গন্য হবে। আর আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভলপার হয়ে থাকেন তাহলেও এসইও আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার বিস্তারে সাহায্য করবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি আপনার সফলতার সম্ভাবনাও তত বেড়ে যাবে।

এসইও কোয়ালিটিতে ঠকতে হয় না

ধরি, আপনি টাকা দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট এর এসইও করিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু যার কাছ থেকে এসইও করিয়ে নিচ্ছেন সে সঠিকভাবে এসইও করছে কিনা তা কিভাবে বুঝবেন? কিছু ট্রিক আছে যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট কিছু সময়ের জন্য হয়তো সার্চ ইন্জিন এর কাছে জনপ্রিয় হতে পারে কিন্তু কিছুদিন পরই হয়তো আপনার র্যাং ক কমে যাবে সেই ভুল ট্রিক এর জন্য। তাই সঠিকভাবে এসইও করার সম্পর্কে যদি আপনার ধারনা থাকে তাহলে সেই এসইও-র কাজগুলো দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কাজগুলো সঠিকভাবে করা হচ্ছে কি-না। তাই খারাপ কোয়ালিটির এসইও সার্ভিস এর হাত থেকে বাচতে আপনাকে অবশ্যই এসইও এর প্রাথমিক ধারনা রাখতে হবে।

আপনার ও এসইও প্রোভাইডার এর মধ্যে ভালো যোগাযোগ হবে

আপনি যদি এসইও একেবারেই না জানেন তাহলে কাজটি কিভাবে সম্পন্ন হবে তা নি যে এসইও প্রোভাইডারএর সাথে আলোচনায় আপনার কাছে অনেক কিছুই দুর্বোদ্ধ মনে হতে পারে। এসইও মোটামুটি শিখতে পারলে এই সমস্যাটি আর থাকবে না। আপনি আপনার চাহিদার কথা প্রেভাইডারকে যেমন সহজই বলতে পারবেন তেমনি এসইও প্রভাইডারের পক্ষেও তার কাজের অবস্থান আপনাকে সহজেই বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। যেমন: একজন যতই এসইও এক্সপার্ট হোন না কেন এসইও তে সফলতা পেতে কিছু সময় লাগতে পারে কিন্তু আপনি যদি এই বিষয়টি না জানেন তাহলে বেশি সময় লাগাটাকে তার ব্যার্থতা হিসেবে ধরে নিয়ে তার কাজের কোয়ালিটি সম্পর্কে খারাপ ধারনা পোষন করবেন। কিন্তু এই সময় লাগাটা একটি সাধারন ব্যাপার তা যদি আপনি আগে থেকেই জানতেন তাহলে এই ভুল বোঝাবুঝি হতো না।

আপনার ওয়েবসাইটএর আরও উন্নতি করতে পারবেন

কিছু কিছু ওয়েবসাইট-এর জন্য ফুল টাইম এসইও এক্সপার্ট নিয়োগ দেওয়া থাকে কিন্তু সব সাইটের ক্ষত্রে তা সম্ভব না-ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাইটের এসইও করার কাজ শেষ হওয়ার পর আপনার আর কিছুই করার থাকে না। কিন্তু আপনি যদি এসইওর নিয়ম কানুন জানেন তাহলে আপনার সাইটটি আপডেট করার সময় সাধারন পরিবর্তনগুলো আপনি নিজেই সেরে নিতে পারেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। এতে আপনার সাইটটি আপনার মনের মতো করতে পারবেন ও কিছু অতিরিক্ত খরচও কমে যাবে।

ওয়েব ডেভলপিংএ-ও সাহায্য করবে

আপনি যদি আপনার নিজের সাইট নিজেই ডিজাইন করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রেও এসইও আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। এসইওর নিয়ম অনুযায়ী আপনি আপনার ডিজাইন ও কোডগুলো সুবিন্যস্তভাবে সাজাতে পারলে তা সার্চ ইন্জিনের কাছেও অনেক ভালো সাইট হিসেবেই গন্য হবে। আর আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভলপার হয়ে থাকেন তাহলেও এসইও আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার বিস্তারে সাহায্য করবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি আপনার সফলতার সম্ভাবনাও তত বেড়ে যাবে।

শনিবার, ১৬ মে, ২০১৫

একটি চমৎকার আর্টিকেল লেখার কিছু কৌশল।

একটি চমৎকার আর্টিকেল লেখার কিছু কৌশল। 
আর্টিকেল রাইটিং অনেক সহজ !!! হুম, যেনতেন একটা আর্টিকেল লিখা অনেক সহজ। কিন্তু একটু ভালো করে গুছিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারা একটা আর্ট বটে। আপনি যদি ভালো আর্টিকেল লিখতে পারেন, তবে এই পোস্ট আপনার জন্য নয়। আর যদি আর্টিকেল লিখা শিখতে চান, চলুন তবে সামনে এগিয়ে যাই।

প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে যে আপনি কি নিয়ে লিখতে যাচ্ছেন। লেখার বিষয় নির্দিষ্ট না থাকলে কিছুই লিখতে পারা যায় না। তাই আগে আপনার লেখার বিষয় টা ফিক্সড করে নিতে হবে।

যে বিষয়ে লিখতে যাচ্ছেন সেই বিষয়ে আপনার কেমন জানা আছে ? যদি ভালো জানা থাকে তো ভালো। আর যদি ভালো জানা না থাকে তখন ?
হ্যাঁ, তখন আপনাকে একটু সময় খরচ করে ওই বিষয় টা নিয়ে রিসার্চ করতে হবে। আর যদি ভালো জানা ও থাকে, তারপর ও লেখা শুরু করার পূর্বে একটু রিসার্চ করে নেয়া ভালো। এই বিষয়ের মেইন কিওয়ার্ড টা দিয়ে গুগলে রেঙ্কিং এ টপে থাকা ৩-৪ টা ওয়েবসাইট এর আর্টিকেলগুলো দেখে নিতে পারেন অথবা ওই গুলা পড়ে নিতে পারেন। এতে করে আরও ভালো ধারনা পাবেন।
ওই আর্টিকেলগুলো যেমন ই হোক, আপনি মনে বাসনা রাখবেন যে এর চেয়ে ভালো আর্টিকেল লিখবেন। আপনি তাদের লিখাগুলো খুব ভালো করে খুঁটিয়ে দেখবেন। কিন্তু তাদের লেখার ছাপ যেন আপনার আর্টিকেল এ না ডুকে সেই দিকে কড়া নজর রাখবেন।
আপনার লেখার স্টাইল, কোন বিষয়ে কিছু ডেলিভার করার স্টাইল, আর্টিকেলটির মাধ্যমে কিছু বোজানোর স্টাইল সব কিছু আলাদা এবং মানসম্মত করার চেষ্টা করবেন। চেষ্টা করতে থাকলে একদিন দুইদিনে হয়তো কিছু হবেনা। কিন্তু বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, ক্রমাগত লেগে থাকার ফলে একদিন না একদিন আপনি খুব ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে পারবেন।

সার্চ ইঞ্জিনে আপনার আর্টিকেল টা ভালো রেঙ্ক পাক, আপনি নিশ্চয়ই তা চান ? যদি চান, তবে আপনার উচিত কিওয়ার্ড রিসার্চ করা। হেড কিওয়ার্ড এর চেয়ে লংটেইল কিওয়ার্ড ইউজ করলে আপনি রেঙ্ক পাবেন দ্রুত। আর লংটেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহারে ভিজিটর কিন্তু হিসেবে বেশিই পাবেন। সাধারণত ৩ বা ততোধিক শব্দ নিয়ে গঠিত কিওয়ার্ড কে বলা হয় লংটেইল কিওয়ার্ড। আর হেড ? ওই যে দুইটা বা একটা কিওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। হেড কিওয়ার্ড অনেক বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ।

আপনি যখন আর্টিকেল লিখবেন, তখন এই বিষয় টা ও মাথায় রাখতে হবে। আপনি আর্টিকেল লিখবেন মানুষের জন্য। আপনার আর্টিকেল এর এক মাত্র পাঠক কিন্তু মানুষ, সার্চ ইঞ্জিন না। একটা ১০০০ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল এ বারবারএকই কিওয়ার্ড পড়তে গিয়ে আসলে সেটা বিরক্তিকর লাগে না ? তাই কিওয়ার্ড ইউজ করতে হবে মেপে মেপে। সাধারণত ৩-৪% এর বেশি ব্যাবহার না করাই ভালো। আর বেশি কিওয়ার্ড ইউজ করলে আপনার আর্টিকেল পড়তে গিয়ে মানুষ যেমন বিরক্ত হবে, তেমনি সার্চ ইঞ্জিন বেচারারা ও মাইন্ড খাবে। আপনাকে উপরে তোলার পরিবর্তে নিচে নামিয়ে দিবে ! আপনি নিশ্চয়ই তা চান না ?

এতক্ষণ কথা চলছিলো আর্টিকেল লিখার পূর্বপ্রস্তুতির বিষয়গুলো নিয়ে। এখন সোজা কিভাবে লিখতে হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। ভালোভাবে শুরু করতে পারাটায় ও অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেক ভিজিটর আপনার আর্টিকেল এর প্রথম দুইতিন টা লাইন পড়েই চেষ্টা করবে ভিতরে কি আছে তার ধারণা নিতে। ওই বেচারার আর দোষ কি, আপনি নিজেও তো এমন করেন ? করেন না ?
আচ্ছা কোন আর্টিকেল লিখার জন্য যে স্টার্টিং টা করেন, সেটা কিভাবে করেন ? যেনতেনভাবে শুরু করাটা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না, তাই না ?
সুচনাতে আপনি বলতে পারেন ভিজিটরদের আকাঙ্ক্ষা কি এই বিষয়ে এবং আপনার এই আর্টিকেল টি কি কি বিষয়ে বর্ণনা করতে চলছে।
উদাহরণ হিসেবে আমার এই আর্টিকেল টির সূচনাটাই লক্ষ্য করেন না হয় ! আরেকটা বিষয় লক্ষ্য রাখবেন লেখা শুরুর করার সময়। যারা দুই-ছাড় লাইন পরেই ভিতরের ভাব-সাব বুজে এর পর পুরাটা পড়তে চায়, তাদের জন্য আপনাকে একটু ভাবতে হবে। সূচনা পর্যায়ে এমনভাবে কিছু শব্দ উপস্থাপন করুন, যাতে ওই বেচারা ভিতরে কি আছে তা পড়তে আগ্রহী হয়।



এই রে !!! মুল অংশে চলে আসলাম ! আর্টিকেল এর প্রায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু ব্যাপারটা লিখা অনেক সহজ ! কিভাবে ?
মনে আছে আপনি সূচনা পর্বে কি বলেছিলেন ? আপনি বলেছিলেন যে আপনি ভিতরে এই এই আলোচনা করবেন। এখন বডি তে এসে সেই সেই আলোচনাই করুন না !!! আপনাকে বেঁধে রেখেছে কে !!!
হুম, বডি তে এসে যে বিষয়ে আর্টিকেলটি রচনা করতে যাচ্ছেন, সেই বিষয়ে ভালো করে আলোকপাত করুন। ভিজিটরকে ভালো করে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করুন। তাকে এই বিষয়ে পারলে ক্লিয়ার করে তলুন। যতো বেশি আপনি তাকে বোজাতে পারবেন, তত বেশি আপনার আর্টিকেল এর সফলতা।

এইটা লেখা তো আরও সহজ ! বডি তে কি বলেছিলেন মনে আছে ? আর সূচনাতে ? হুম, সেটাই এবার ইউজ করবেন। কিভাবে ?
উপসংহার  এ এসে বলতে পারেন যে বিষয় টি আসলে কেমন শিখার জন্য বা পড়ার জন্য বা কেরিয়ার হিসেবে বা যে ক্ষেত্রে মানায়, সেই ক্ষেত্রে। তাছাড়া, ভিজিটর আর্টিকেল এ কি রকম বিষয়ে ধারণা পেলো, সেই বিষয়ে ও বলতে পারেন। আর উপসংহার  পারলে ছোট্ট একটা প্রশ্ন দিয়ে শেষ করবেন। এই ছোট্ট প্রশ্নটা সব আর্টিকেল ই যে করা যাবে তা না কিন্তু। এইটা আপনার উপসংহার  এর প্রথম দিকে বক্তব্য এর সাথে মিল খেলেই আপনি করতে পারবেন। কেমন প্রশ্ন ?
  • আপনার কি মনে হয় ?
  • কি মনে হয় করতে পারবেন ?
  • কি মনে করেন, সহজ নাকি কঠিন ?
এইগুলো শুধু উদাহরণ। এই রকমকরে ছোট্ট প্রশ্ন করতে পারেন। এই রকম প্রশ্ন আপনার আর্টিকেল এর যে কোন অংশেই করতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন, কিওয়ার্ড ডেনসিটি এর মতো এইটা যেন আবার বেশি না হয়ে যায়! একটা আর্টিকেল এ ২-৩ বার করাই যথেষ্ট।

উপসংহার টানা শেষ করে মানে আর্টিকেল লিখা কমপ্লিট করে আর্টিকেল টা একবার হলেও রিভিউ দেন। পারলে কয়েকবার। দেখেন কোন ভুল টুল আছে কিনা ! তথ্য আরও একটু যোগ করা দরকার কিনা। প্রাঞ্জলতা আছে কিনা। কোন জায়গায় বেশি ভাব বেক্ত করা হয়ে গেছে আবার অন্য জায়গায় সাদা মাটা এই রকম কিনা। এইভাবে রিভিউ দিয়ে আর্টিকেল টারে মানুষ করেন !! ইয়ে মানে, পরিপাটী করে তলুন। ও হ্যাঁ, আর্টিকেল এর মধ্যে ইমেজ যোগ করতে হবে কিনা, এই ব্যাপারটা ও মাথায় রাখুন। ইমেজ যোগ করতে হলে মানানসই ইমেজ যোগ করুন।
এইবার টানতে হবে আমার এই আর্টিকেল এর উপসংহার । তবে উপসংহার  টানার আগে কিছু কথা বলে নেয়া জরুরী মনে করছি।
বিশেষত ইংরেজি আর্টিকেল লিখতে গিয়ে অন্যান্য ভাষাধারীদের মতো আমাদের ও সমস্যায় পরতে হয়। তবে তাতে কি হয়েছে !!! থেমে থাকবো নাকি !!!
কক্ষনো না ! ভাষা হল ভাব প্রকাশের মাধ্যম। আর পরিপূর্ণভাবে ভাব প্রকাশের জন্য ভাষার উপর দক্ষতা থাকা ও জরুরী। ইংরেজি তে দুর্বল হলে প্রতিদিন অল্প অল্প করে ডেভেলপ করার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ওষুধের ডেইলি ডোজ এর মতো কিছু ইংরেজি টু বাংলা শব্দার্থ শিখুন। কিছু গ্রামার প্র্যাকটিস করুন। হয়ে যাবে ! কি মনে হয়, হবে না ???
আর্টিকেল লিখার জন্য কিছু সিস্টেম এ লিখতে হয়। মানে এক সিস্টেম এ আপনি প্রত্যেক টা আর্টিকেল লিখতে পারবেন না। লেখা উচিত না। এতে যে আপনার নিয়মিত ভিজিটর রা বিরক্ত হয়ে যেতে পারে। তাই শুরু, সমাপ্তি, মুল বক্তব্য পেশ এইসব গুলোতে স্টাইল এর বিভিন্নতা আনতে হবে। মাঝে মাঝেই স্টাইল এ চেঞ্জ আনবেন।
অনেক ব্লগর ব্লগর করলাম। জানি না কার কেমন উপকার করতে পারলাম। তবে জানি, উপকার করতে না পারলে, এতক্ষনে কারও সময় হয়তো নষ্ট করে ফেলেছি !
Copyright © 2014 Bagerhat IT Institute