বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫

JSC - PSC পরীক্ষার ফল 2015 জেনে নিন খুব ভিন্ন ভাবে।



শিক্ষা ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পঞ্চম শ্রেণীতে সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল, প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি) পরীক্ষায় যথাক্রমে৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ তে প্রকাশিত হবে, বলেন. প্রাথমিক শিক্ষা শ্যামল কান্তি ঘোষ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পিএসসি ফলাফল সোমবার প্রকাশ করা হবে নিশ্চিত.
এই পিএসসির পরীক্ষা তারিখ দেশের রাজনৈতিক সঙ্কটের জন্য পরিবর্তন. এই কারণে, প্রার্থীরা তাদের ফলাফলের জন্য সবচেয়ে নিরাশ হয়. আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পিএসসির ফল ২০১৫ ডাউনলোড করতে পারেন. আপনি প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট ফলাফলের ও প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে dperesult.teletalk.com.bd এ EBT পরীক্ষার রেজাল্ট 2015 এবং প্রয়োজনীয় স্কুল খুব পেতে হবে.

পিএসসি পরীক্ষার ফলাফল 2015



পিএসসির ফল 2015 জন্য এবং ধাপ নিচে অনুসরণ করুন:
• যেমন পিএসসি বা EBT হিসেবে আপনার পরীক্ষার নাম নির্বাচন
• আপনার জেলার নাম নির্বাচন
• নির্বাচন আপনার থানা / Upzilla নাম বা কোড
• আপনার ক্ষণস্থায়ী বছরের নির্বাচন
• আপনার পরীক্ষার রোল দিন এবং পেতে ফলে জন্য জমা
এসএমএস দ্বারা পিএসসি পরীক্ষার ফল 2015 তে
সাধারণ ছাত্রদের জন্য এসএমএস বিন্যাস:
DPE <স্পেস> থানা / উপজেলা কোড নম্বর <স্পেস> রোল নম্বর <space> 16222 পাঠান
EXP: DPE 47 2357 এবং 16222 পাঠাতে
Ebtedayee ছাত্রদের জন্য এসএমএস বিন্যাস:
EBT <স্পেস> থানা / উপজেলা কোড নম্বর <স্পেস> রোল নম্বর <space> 16222 পাঠান
EXP: EBT 47 5723 এবং 16222 পাঠাতে

শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৫

আউটসোর্সিংয়ে দেশে দুই লাখ তরুণের কর্মসংস্থান হবে




‘আউটসোর্সিংয়ে সবচেয়ে ভালো সুযোগ রয়েছে তরুণদের। সরকার বিপিও’র মাধ্যমে ভবিষ্যৎ তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায়। আগামী পাঁচ বছরে বিপিও খাতে দুই লাখের বেশি তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’
৯ ডিসেম্বর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশের প্রথম বিপিও সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এই ঘোষণা দেন।
বিপিও সামিট’র আয়োজন করেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)।

সভাপতির ভাষণে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‌’আউটসোর্সিং বাংলাদেশের সম্ভঅবনাময় খাতের অন্যতম। আমাদের তরুণেরা অত্যন্ত মেধাবী। আউটসোর্সিংয়ের বিভিন্ন কাজে এ দেশের তরুণদের সুযোগ করে দিয়ে তাদের বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে চায় আমাদের সরকার।’

বর্তমানে গার্মেন্টস খাত দেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আউটসোর্সিং খাত গার্মেন্টস শিল্প খাতকেও ছাড়িয়ে যাবে। আউটসোর্সিংয়ে ক্ষেত্রে বর্তমানে আয় হচ্ছে ১০০ মিলিয়ন ডলার।  আগামীতে সেটা বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত দুই দিনের বিপিও সামিটে  মোট ১১টি আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৭৯ জন দেশি ও ৯ জন বিদেশি আইসিটি বিশেষজ্ঞ অংশ নিয়েছেন।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে আমার সফলতার গল্প।







ফ্রিল্যান্সিং কি?

সবাই জানেন আমার বলার দরকার নেই। আজকে আমি আপনাদের আমার সফলতার গল্প শুনাবো। অনেক সময় নিয়ে বসেছি অনেক কিছু লিখবো। আশা করি একটু সময় নষ্ট করে পড়লে আপনার লস হবে না।
আমি আরো ৪/৫ বছর আগে অনলাইনের সাথে জড়িত কিন্তু তখন অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এটাই জানতাম না। ফেসবুক বিভিন্ন সাইট থেকে ডাউনলোড এইসব করতে পারতাম। পরে আস্তে আস্তে আমি বিভিন্ন সাইট ভিজিট করার পর অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে পারলাম।

টেকটিউনস এর শুরু থেকেই ছিলাম কিন্তু শুধু আর্টিকেল পড়তাম এটা আমার টেকটিউস এর ২য় আইডি আগের আইডি জিমেইল আইডি সব গুলিয়ে খেয়েছি মনে নেই। যায়হোক অনলাইন থেকে প্রতিদিন ইনকাম করুন ৫ডলার প্রতিদিন ১০০০টাকা ইনকাম করুন।এই রকম আর্টিকেল অনেক দেখা যেত বর্তমানে ভাল ভাল টেক সাইট যারা পরিচালনা করেন তাদের সাইটেই এই সব আর্টিকেল বেশি ছিল। নাম বলবো না।
কারন তখন তারাও এত অভিজ্ঞ ছিলনা। ইনকাম এর রাস্তা ছিল ক্লিক পিটিসি সাইট।এই বর্তমানে টেকটিউস এ বেশি দেখা যাচ্ছে। আবারো সেই পিটিসি।
আমি নতুন তাই পিটিসি বুঝি না আর্টিকেল দেখে তার রেফারেন্স এ জনেয় করলাম।উফফফ ক্লিক করছি আর ১সেন্ট কখনো ২সেন্ট করে জমা হচ্ছে। আমার তো অনেক ভাল লাগছে আমি ও এখন অনেক টাকার মালিক হব। কোন মতে কিছুদিনের মধ্যে রেফারেন্স বাড়িয়ে ৫ডলার করলাম।টিউন পরে পাইজা একাউন্ট করলাম তারপর ৫ডলার ক্যাশআউট করলাম মেইল এ বললো ২৪ঘন্টার মধ্যে টাকা পেয়ে যাব। ৩দিন হলে গেল ৪দিন হয়ে গেল এভাবে মাস পেরিয়ে গেল পেন্ডিং তো পেন্ডিং ধুল শালা ফালতু অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়না।
এই বলে প্রায় ১বছর পিছিয়ে গেলাম।তার মধ্যে অনেক ডুলেন্সার ইটিসি ইটিসি সাইট আসলো কাজ ক্লিক পারলাম টাকা পেলাম আবার চলে গেল। তারপর থেকে আরো কঠিন শিক্ষা হলো তারপর টেকটিউন বিভিন্ন টে সাইট এ ভিজিট করে অনলাইন ইনকামের সঠিক রাস্তাগুলি খুজে পেলাম।অনেক সার্চ করেছি অনেক কষ্ট করেছি যা কাউকে বলে বুঝাতে পারবো না।যারা নিজে নিজে শিখেছে তারা যানে কতটা কষ্ট করে শিখা লেগেছে। কারন তখন একটা সমস্যা ছিল কোন টিউন সাজানো ছিল না এ টু জেড নিজের খুজে খুজে বের করা লাগতো নিজের বুঝা লাগতো। কিন্তু এখন ভিডিও টিউটোরিয়াল ইবুক কত কিছু আছে। যা দেখে অনেক ভাল লাগে।
আমি প্রথমে ওয়েব সাইট করলাম ব্লগে। ব্লগ সাইট জীবনের প্রথম ওয়েব সাইট করতে পেরে আমি খুব খুশি ছিলাম। এরপর জানতে পারলাম সাইটের ভিজিটর বেশি থাকলে বিভিন্ন এডস কম্পানি থেকে এডস বসিয়ে ইনকাম করা যায়। গুগল এডসেস ও পাইছিলাম ইংরেজি তে করা একটা ব্লগ ছিল কিন্তু ২০ডলার হওয়ার পর একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়।
কিন্তু আমি হতাস হয়নি।এডসেন্স এর বিপরীত পন্থা খোজ করেছি।এবং জানতে পেরেছি অসংখ্য এডস কম্পানি আছে যারা ফ্রি ব্লগে এডস দিয়ে থাকে, আমি একটা এডস কম্পনি থেকে এডস বসালাম। ভালই লাগছে আমি সঠিক পন্থায় ইনকাম করতে যাচ্ছি। কিন্তু এডস বসানোর পরে আরো অনেক হতাস হয়ে পরি কারন তখন নেট বিল খুব বেশি ছিল ৩৪৫টাকা ১জিবি।
একদিকে নেট বিল নিয়ে চিন্তা অন্য দিকে ইনকাম হচ্ছেনা। পরে গুগল টেকটিউনস ঘেটে জানতে পারলাম ওয়েবসাইট এর প্রান ভিজিটর।ভিজিটর নেই ইনকাম নেই। সাথে সাথে শিখা শুরু করলাম ভিজিটর কিভাবে বাড়াতে হয় এর জন্য করতে হবে এসইও টিউন পড়ে শিখলাম এসইও এরপর থেকে ব্লগের ভিজিটর ও অনেক বাড়তে লাগলো।ইনকাম ও বাড়তে লাগলো। আমি খুব খুশি আমার জীবনের প্রথম পেমেন্ট ছিল ৫০ডলার। অন্যের কাছে বিক্রি করতে একটু দেরি দেগেছিল কিন্তু ৫০ডলার এর টাকাই পেয়েছিলাম।
এরপর আমি দেখলাম ব্লগ থেকে কি হবে বিভিন্ন সাইটে দেখি ওডেস্ক থেকে বিড দিয়ে অনেক কাজ পা্ওয়া যায়। ওডেস্কে এ একাউন্ট করলাম কিন্তু সফলতা পেলাম না কারণ আমি নিজে আমি নিজেই ওডেস্ক বাদ দিয়েছি কারন আমার ইংলিশ স্কিল ভাল ছিল না। আমি বায়ার এর কাজ পেলেও হ্যান্ডেল করতে পারবোনা। তাই মনস্থির করলাম ইংলিশ ভাল করে শিখে এই মার্কেট প্লেস এ বসবো।
ব্লগ এ ছিলাম কিছু থিম ডাউনলোড করে মডিফাই করতাম।এতে মন ভরতো না অন্যের খুব সুন্দর সুন্দর সাইট দেখে মাথা খারাপ হয়ে যেত। আমি তখন ওয়েব ডিজাইন শিখতে লাগলাম। আমি এটাও অনেক কষ্টে শেষ করেছি। আমি প্রথমে কোডিং বুঝতামনা  আমি খাতায় নোট করে করে শিখেছি এখনো অনেক দিন কোন সাইট এর কাজ না করলে ভুলে যায় কিন্তু আমার নোট দেখলে সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে যায়।
ডিজাইন শিখতে যেয়ে আমি গ্রাফিক্স ডিজাইন টা ও আয়ত্ব করে নিলাম আগেই ফোটোশপ এর ভাল কাজ জানতাম
এরপর আমি একটি নিউস সাইট তৈরী করলাম। ইনকাম ভালই আচ্ছিল সবকিছু মিলিয়ে
এখন যা বলবো অনেকে হাসি পাবে।
আমার এইচটিএমএল সাইট ছিল নতুন টিউন করতাম নতুন    এইচটিএমএল ফাইল তৈরী করে আবার সব জাইগায় সেই লিংক সেট করা লাগতো নতুন পিকচার সব কিছু কোডিং দিয়ে সেট করতাম অনেক কষ্টরে ভাই বলে বুঝাতে পারবো না।
এরপর বুঝলাম এই সাইট টাকে ডেভেলপ করতে হবে। কোন প্লাটফর্মে কনভার্ট করতে হবে। বেছে নিলাম ওয়ার্ডপ্রেসকে বেসিক পিএইচপি জানলেই মুটামুটি নিজের ডিজাইন করা সাইট ওয়ার্ডপ্রেসে ডেভেলপ করা সম্ভব এরপর ডেভেলপ করার পর আমি এখন খুব সহজেই টিউন ইমেজ সব কিছু আপলোড করতে পারি।

আমি যা যা করেছি অনেক সময় লেগেছে। আপনারা আমার প্রোফাইল ভিজিট করতে পারেন দেখবেন আমার অনেক আগের টিউন কেউ আমাকে হেল্প করুন।এইসব টিউন।

আমি অনেক গুলা সাইট ডিজাইন করছি এতে বেশ কিছু টাকা ইনকাম করছি। এখনো তৈরী করে যাচ্ছি।কারন এই কাজের শেষ নেই।
আমি এর মধ্যে   একটা টিউন দেখলাম ডাউনলোড সাইট থেকে ইনকাম করুন। আমি সাথে সাথে এইটা নিয়ে রিসার্চ করতে লাগলাম কি করতে হবে কিভাবে করবো বুঝতে  অনেক দেরী হয়েছে কিন্তু সফল হয়েছি। আমি একটি সাইট তৈরী করে ডিডিও গুলি অন্য আপলোড  সাইটে আপলোড করে  সেই লিংক গুলি আমার সাইটের সেই ডিডিওর ছবির নিচে লিখে লিংক করে দিয়েছি। এতে আমার খুব বেশি ইনকাম হচ্ছিল কিন্তু আপলোড সাইটে দেখলাম এদের ফ্রি মেম্বারদের জন্য খুব কম রেট দেই এবং ডাউনলোড দিতে গেলে ডাউনলোড কোথায় আছে দুরবিন দিয়ে খোজা লাগে তাই এদের কাছ থেকে প্রিমিয়াম করে নিলাম ১বছরের এক একটা সাইটের এক এক রকম রেট। এরপর আমার ইনকাম আরো প্রচুর বাড়তে লাগলো।

আমি আগেই বলেছি ওয়েব সাইটের প্রান ভিজিটর তাই ভিজিটর নেই কোন ইনকাম নেই ভিজিটর না থাকলে ডাউনলোড করবে কে? আর আপনাকে ওরা ডাউনলোড এর উপর ভিত্তি করে ডলার পে করবে।
তারমধ্যে আমি ফরেক্স সম্পর্কে জানতে পারি ফরেক্স নিয়ে খুব ইন্টারেস্ট ছিল আমি ফেসবুক এর মাধ্যেমে খুব ভাল একজন ব্যক্তিকে খুজে পেলাম যে ফরেক্স সম্পর্কে খুব অভিজ্ঞ। আমি তার সাথে পরে  থাকলাম দির্ঘ ৩বছর। যদিও অনেক আগে ফরেক্স একাউন্ট করছিলাম কিন্তু ক খ কিছুই বুঝিনি।

প্রথমে আমি সাইটের ইনকাম থেকে ডলার ডিপোজিট করতাম কিন্তু প্রথম দিকে অনেক লস খেয়েছি। আমার মাথায় শুধু একটা জিনিস খেলতো আমি যদি লস খেয়ে মার্কেট থেকে চলে যায় তাহলে আমি আর শিখতে পারবোনা।আমি লস থেকে অনেক কিছু শিখেছি।

এখনো আমি ফরেক্স শিখে যাচ্ছি কারন এটার শিখার শেষ নেই প্রাইস অ্যাকশন ক্যান্ডেল এই দুই জানলে ফরেক্স মার্কেট এ আপনি টিকে থাকতে পারবেন। বেশি প্রফিট না করলেও লস খাবেননা।
এখন আমি লস করিনা কিন্তু বেশি লাভ করতে যায়না।

এখন আমি ফুল টাইম ফরেক্স ট্রেডার
এখন সব মিলিয়ে আমি একটা ভাল দিকে আগাচ্ছি। আমি দীর্ঘ ৪বছর এই অনলাইন নিয়ে পড়ে আছি। ৩বছর লেগেছে শিখতে এখনো শিখে যাচ্ছি। শেখার শেষ নেই
আপনি যদি মন দিয়ে কিছু করার চেষ্টা করেন তাহলে অবশ্যই অনেক দূরে যেতে পারবেন শুধু একটা কথায় মনে রাখবেন যত কষ্ট হোক না কেন হাল ছাড়বেন না।



কারো কোন সাহায্যে দরকার হলে আমার পেজে জানাবেন। যতটুকু পারি সাহায্যে করবো।
Copyright © 2014 Bagerhat IT Institute