সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৫

ফরেক্স স্কুলের কোর্স সম্পূর্ন করুন এবং হয়ে যায় প্রফেশনাল ফরেক্স ট্রেডার



ফরেক্স বিশাল ফ্লাটফর্ম যেখানে শেখার কোন শেষ নেই, অনেকে এই বিশাল সমুদ্রে ডুব দিয়ে হারিয়ে ফেলেন কিনারা, যার পেছনে দায়ি সঠিক নির্দেশনার।

আমাদের ফরেক্স স্কুল কোর্সটি সম্পূর্ন করে ফ্রফেশনাল ট্রেডার রুপে গড়েউটবেন। সেই প্রত্যয়ে আমাদের ফরেক্স স্কুল

বাই / সেল ভলিয়ম ইমোশন



বাই / সেল ভলিয়ম ইমোশন এবং একটি ফরেক্স ট্রেডিং এর কল্পনা জগত এর রহস্য

এটি একটি কল্পনাশর্র্ত হল যে প্রত্যেক জন সমান লট ব্যবহার করছে ধরি, বাংলাদেশ মিরপুর ষ্টেডিয়ামে পৃথিবীর সকল ট্রেডার মোট ৫০ হাজার ট্রেডার আছেন এবং তারা বিভিন্ন পেয়ারে ট্রেড করছেনএর মধ্যে আপনি একজন ট্রেডার এবং আপনাকে প্রতি মুহুর্তে জানানো হচ্চে যে কতজন বাই এবং কতজন সেল এ আছেআপনি খুব ভালভারবই জানেন যে এক এক জন ট্রেডার এক এক ভাবে/মেথোডে ট্রেড করেনতাই হয়ত হিসেবটা এক এক সময় এক এক রকম হতে পারে

 সাইকোলজীকাল সমস্যা ০১ নং

যেমন ধরুন প্রতি মিনিটে ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ১০০০ জন বাই এবং ১৫০০ জন সেল দিচ্ছে এবং প্রতি মিনিটে ২০০জন বাই কেটে সেল এবং ১০০ জন সেল কেটে বাই দিচ্ছেতাহলে হিসেবটা অনেক সহজ হল- সেটা হল সেল বেশি ষ্টং হচ্ছে মানে ইউএসডি ডলার ষ্ট্রং হলআর তাই আপনি সেল দিবেন এটাই স্বাভাবিককিন্তু যদি প্রতি মিনিটে ৫০০ জন সেল কেটে বাই এবং ১০০ জন বাই কেটে সেল দেয় তাহলে হিসেবটা েএকটু ভাবার মত হয়ে যায় যা মার্কেটে উল্টোপাল্টা ব্যবহার দেখা যেতে পারেএখন কথা হল কতজন সেল কেটে বাই বা বাই কেটে সেল দিবে তা তো নিদিষ্ট হতে পারে না
সাইকোলজীকাল সমস্যা ০২ নং

কারেন্সী পেয়ারের কোরিলেশন এখানে আবার আর একটি সমস্যা আছে তা হল কারেন্সী পেয়ারের কোরিলেশনযেমন ধরুন- উপারের কন্ডিশন অনুযায়ী প্রতি মিনিটে ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ১০০০ জন বাই এবং ১৫০০ জন সেল দিচ্ছে এবং প্রতি মিনিটে ২০০জন বাই কেটে সেল এবং ১০০ জন সেল কেটে বাই দিচ্ছেএখানে সেল বেশি ষ্ট্রং হল এখন কন্ডিশন ২ হল: ইউরো/ইয়েন পেয়ারে প্রতি মিনিটে ৩০০০ জন বাই এবং ৫০০ জন সেল দিচ্ছে এবং ১০০ জন সেল কেটে বাই ও ৫০ জন বাই কেটে সেল দিচ্ছেতাহলে কন্ডিশন ২ এ হিসেবটা সহজ হলরেজাল্ট হল বাই বেশী ষ্ট্রং মানে ইউরো ষ্ট্রং হল এবং এখন যদি ইউএসডি/ ইয়েন পেয়ারে ১০০০ জন বাই এবং ৫০০ জন সেল দেয় এবং ২০০ জন সেল কেটে বাই ও ১০০ জন বাই কেটে সেল দেয় তাহলেও এ হিসেবটা সহজ হল রেজাল্ট হল বাই বেশী ষ্ট্রং এখানে ইউএসডি ষ্ট্রং হল (বাই কেটে সেল বা সেল কেটে বাই এর হিসেব বাদ দিয়ে) এখন কারেন্সী পেয়ারের কোরিলেশন অনুযায়ী কন্ডিশন ১ এবং কন্ডিশন ২ এর কম্বিনেশন কি হবে যা ইউরো/ইউএসডি পেয়ারের উপর প্রভাব পরবে

কন্ডিশন ১ ও ২ এর তুলনাঃ

ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে প্রতি মিনিটে ৫০০ জন বেশি সেল দিচ্ছেমানে ইউএসডির দিকে ৫০০ জন সেল এর পরিমান বারতেছে এবার ইউরো/ইয়েন পেয়ারে ২৫০০ জন বেশি বাই দিচ্ছেএর মানে হল ইউরো এর দিকে ২৫০০ জন করে বাই বারতেছে আবার ইউএসডি/ ইয়েন পেয়ারে ৫০০ জন করে বেশি বাই দিচ্ছেএর মানে ইউএসডির দিকে ৫০০ জন করে বাই এর পরিমান বারতেছে তাহলে সবোমোট ইউএসডির দিকে বেশি বাই হলঃ ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ৫০০ জন এবং ইউএসডি/ ইয়েন পেয়ারে ৫০০ জন= ১০০০ জন প্রতি মিনিটে ইউএসডির দিকে ট্রেড বেশি দিচ্ছে আর ইউরো এর দিকে মোট ট্রেড বেশি দিচ্ছে ইউরো/ইয়েন পেয়ারে ২৫০০ জন তাহলে কন্ডিশন এক ও দুই এর কম্বিনেশন রেজাল্ট হল ইউএসডির থেকে ইউৃরো এর দিকে ট্রেড ১৫০০ জন বেশি দিচ্ছে তাই ফলাফল ইউরো/ইউএসডি যেখানে নামার কথা সেখানে উপরের দিকে যাচ্ছে আর ও অনেক পেয়ার আছে যার কো-রিলেশন হিসাব করা কখনোই সম্বব নয়

এটি একটি কল্পনা রাজ্যআপনাকে যদি জানানো হয় যে কতজন বাই আর কতজন সেল এ আছেন তারপরেও প্রফিট করতে পারবেন নাআবার আরও সমস্য আছে তা হলো সবাই ভিন্ণ ভিন্ন ভলিয়ম ব্যবহার করে জিততে হলে আপনাকে এমন ট্রেডিং মেথোড তৈরী করতে হবে যা সকল ধরনের ট্রেডারদের ইমোশন থাকবে আপনার মেথোডেকারন এক এক জন এক এক ভাবে ট্রেড করছে তাদের নিজেস্ব প্রয়োজনে কিন্তু আপনি ট্রেড করছেন প্রফিট করার জন্য তাই এমন মেথোড ব্যবহার করবেন যেন পৃথিবীর সকল ট্রেডারদের ইমোশন আপনার মেথোডে থাকেযখন পৃথিবীর সকল ট্রেডারদের ইমোশন একদিকে থাকে তখনি আপানি ট্রেড এন্ট্রি করবেন তাছাড়া ট্রেড করবেন না

 বি:দ্র: অনেক প্রফেশনাল ট্রেডারের পক্ষেও পরিপূর্ণ ভাবে ফরেক্সের ইমোশান বুঝা সহজ নয়তাই এইজন্য আমি টেকনিক্যাল এনালাইসিস এবং ব্রেক-আউট মাকের্ট Force কে দিয়ে ইমোশানকে বুঝার চেষ্টা করি

ফরেক্স মার্কেটে থাকবেন নাকি চলে যাবেন !


আমি জানি পোস্টের শিরোনাম দেখে অনেকেই ভয় পেয়ে গেছেনহা হা হা! ভয় পাওয়ার আসলে কোন কারন নেইআমি আপনাদের ফরেক্স মার্কেট এর বিজনেস ছেড়ে দিতে বলছিনাফরেক্স তো অবশ্যই করবেন! এর চেয়ে সম্ভাবনাময় বিনিয়োগক্ষেত্র আর কিছু হতে পারেনা!

আমি শুধু আপনাদের একটা নির্দিষ্ট সময় মার্কেটে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকতে বলছি আপনি কি করতে চান? ট্রেড করতে চান নাকি লস করতে চান? মার্কেটের অবস্থা যদি এমন হয় যে ট্রেড করলেই আপনাকে লস করতে হবে, তাহলে আপনি কি করবেন? আপনি কি করবেন তা আমি জানিনা, কিন্তু আপনার কি করা উচিৎ তা জানিমার্কেট থেকে দুরে থাকা উচিৎ 

আমাদের দেশের ট্রেডাররা মার্কেটে পজিশন বলতে বুঝে লং পজিশন বা সর্ট পজিশন অনেকে বুঝে ট্রেড ওপেন, ক্লোজ, বাই বা সেল করাকিন্তু মার্কেট ছেড়ে দূরে থাকাটাও যে এক ধরনের পজিশন, তা অনেকেই আমরা ভুলে যাই


একটি ভুল সিদ্ধান্তঃ
ধরুন আপনার একাউন্টে ৫০০০ ডলার আছেমার্কেট কন্ডিশন সপ্তাহ খানেক যাবত বেশ অস্থির হয়ে রয়েছেকিন্তু আপনার ট্রেড করতে খুব ইচ্ছা করছেসুতরাং আপনি কিছু ইন্সাইড বার দেখে মনে করলেন ট্রেড করার জন্য ভাল সেট আপ হয়েছেএবং আপনি ট্রেড করে বসলেনকিন্তু মার্কেটের অস্থির অবস্থার কোন পরিবর্তন হল না, খুব দ্রুত প্রাইস রিভার্স পজিশনে গেল এবং আপনি ১৫০ ডলার লস করে ফেললেন

সিদ্ধান্তের ফলাফলঃ
এখন আপনার একাউন্ট এর সিচুয়েশন হচ্ছে ৪৮৫০ ডলারএর কারন আপনি ট্রেড করেছিলেন অথচ আপনি জানতেন আপনার এই অস্থির অবস্থার মধ্যে ট্রেড করা উচিৎ হয়নিআপনি যে সিস্টেমে ট্রেড করেন না কেন, ইনডিকেটর বা চার্ট দেখে পজিটিভ পরিস্থিতি বুঝে ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যে কোন ভুল নেইকিন্তু আপনি যদি মার্কেটে সামগ্রিক পরিস্থিতি না বুঝে অলপ টাইমফ্রেমে কিছু বিশেষ লক্ষন দেখেই ট্রেড করে ফেলেন তাহলে বলব যে আপনি আগুন নিয়ে খেলার চেষ্টা করছেনফরেক্সে ইমোশনাল হয়ে কখনোই কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না

কেন এই ভুল হল?
এখন সেই ১৫০ ডলারের কথা ভাবুন যা আপনি লস করেছেনআপনি যদি মার্কেট এর অবস্থান বুঝে নিয়ে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকতেন তাহলে হয়ত ঐ ১৫০ ডলার এখনও আপনার একাউন্টে জমা থাকতযেহেতু আপনার একাউন্টে ৫০০০ ডলার থাকাটা ৪৮৫০ ডলার থাকাটা অনেক বেশি আকর্ষণীয় ব্যাপারতাই ট্রেড না করে বসে থাকাটাও আপনার জন্য এক ধরনের পজিশনতাই প্রত্যেক ট্রেডারের উচিৎ ট্রেড করার মত ট্রেড না করাটাও এক ধরনের পজিশন হিসেবে ধরে নেওয়াআপনি যদি চিন্তা করে থাকেন যে শুধু মাত্র ট্রেড করেই লাভবান হওয়া যায়, তাহলে ভুল করবেনকারন লস না খাওয়াটাও এক ধরনের লাভএটা বুঝতে না পারলে আমি বলব আপনি আপনার গোল থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছেন

কোন জিনিস গুলো মনে রাখা দরকার?

একটা জিনিস মনে রাখবেন, আপনার লস হতেই পারেএমনকি যদি একটা সবচেয়ে ভাল ট্রেড সেটআপ দেখে নিয়েও ট্রেড করে থাকেন তাহলেও আপনার লস হতে পারেএটা আসলে খেলারই একটা অংশ কিন্তু যদি আপনি নিয়মিত লস করতেই থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে যে আপনি ভাল সেট আপ এর জন্য অপেক্ষা করছেন নাআপনি সম্ভবত কোন প্রি-ডিফাইনড ট্রেডিং প্ল্যান রাখেন নি আর একটা ব্যাপার হচ্ছে যদি খুব ভাল একটা ট্রেডিং সেট আপ আপনার মিস হয়ে যায়, তাতেও হতাশ হবেন নাকারন মার্কেট পালাচ্ছে না, মার্কেট কালও থাকবে, নতুন সুযোগ আসবেআপনার মেইন ফোকাস থাকা উচিৎ যেন আপনি কোন মানি লস না করেন সেদিকেযদি আপনার একাউন্টে টাকা থাকে তাহলে লাভ এক সময় হবেইলস করে সব হারিয়ে বসলে তো আর সেই সুযোগ পাবেন না আরও একটা ব্যাপার হচ্ছে অনেক ট্রেডাররা একবার লস করে ফেললে পাগল হয়ে জান সেই লস রিকভার করার জন্যযার ফলে আরও লস হয়ে যায়এই প্রসেসে অনেকেই একাউন্ট জিরো করে ফেলে

কীভাবে একটা ভাল ট্রেড সেট আপ চিহ্নিত করবেন?
এতক্ষনের আলোচনা থেকে একটা প্রশ্ন আপনার মাথায় এসেছে আমি জানিতা হচ্ছে আপনি আসলে কীভাবে বুঝবেন যে একটা টেড সেটআপ পারফেক্ট কিনাসত্যি কথা বলতে কিএটা খুব ভাল করে বোঝার আসলে কোন উপায় নেই

এই ক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তাহলোঃ

১. আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান তা আগে বুঝে নেবেন
২. এর পর আপনি খুব চমৎকার একটা ট্রেডিং প্ল্যান করে ফেলুন
৩. প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ টেডারদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন
৪. এরপর আপনার প্রতিদিনের অভিজ্ঞতাগুলো একটা ডায়েরীতে লিখে রাখতে শুরু করুন
৫. নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু লিখে অপরের সাথে শেয়ার করুন
৬. অন্যদের ফিডব্যাক পেলে আপনার বোঝার ক্ষমতা আরও বাড়বে এবং আপনি বুঝতে পারবেন আপনি রাইট ট্র্যাকে আছেন কিনা

শেষ কথাঃ
আসলে ফরেক্সে পারফেক্ট বলে কিছুই নেইকারন যেকোনো সেট আপ ফেইল করতে পারে তাই আপনি যে সিস্টেমে ট্রেড করছেন তা খুব ভাল করে শেখার চেষ্টা করুন প্রত্যেক সিঙ্গেল ট্রেড ডিসিশনে আপনাকে অবশ্যই রিস্ক ম্যানেজমেন্ট করা লাগবে, সেই সাথে মানি ম্যানেজমেন্ট মনে রাখবেন ফরেক্সে শিওর লাভ হবেই এমন কোন উপায় নেইতবে আপনার মনে যদি বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকে তাহলে মার্কেট থেকে দূরে থাকুন, ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুনলাভ করতেই হবে, এমন কোন চিন্তা মাথায় নিয়ে বসে থাকবেন না কোন ট্রেডে এন্টার করার আগে অবশ্যই একশ ভাগ শিওর হয়ে নেবেন যে আপনি রাইট ট্র্যাকে আছেনআর মার্কেট এর অস্থির অবস্থা দেখলে কোন ভাবেই ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নেবেন না

পরিবর্তন করুন আপনার MT4 Chat লুক

 আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে স্টেপ বাই স্টেপ MT4 Currency Pair Chat লুক প্রোফেশনালদের মত করবেনএই পদ্ধতিতে প্রাইজ অ্যাকশন ভালভাবে বুঝা ও এন্টি নেয়া যায় ১. প্রথমে আপনার চার্টে যেকোন জায়গায় Mouse right button click করে Properties Click করুন


২. এইবার Color Section Color Scheme থেকে Black and White Option টি click করুন

৩. এখন নিচের ছবির মত শুধু 'OK' click করুন

৪. এখন দেখুন চার্টটিদেখতে অনেকটাই নিচের ছবির মতই লাগছে

৫. আবার পুনরায় চার্টে যেকোন জায়গায় Mouse right button click করে 'Grid' click করুন


৬. ব্যাস এইবার আপনার চার্টও তৈরি হয়ে গেল সম্পূর্ণ প্রোফেশনালদের মত। 
এটি একটি সাধারণ ছোট জ্ঞান, যা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। সবসময় মনে রাখবেন - অন্যকে সাহায্য করলে আপনার জ্ঞান কমে যাবে না, বরং অন্যের এগিয়ে আসার রাস্তাটি আজ আপনি ওপেন করে দিলেন এই সব ছোট ছোট কাজ দিয়ে।

Read more : http://www.bdpeople.org/index.php?/topic/21-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-mt4-chat-%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%95/

শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৫

নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তোলেন ফ্রিল্যান্সিং কাজে


স্থানীয়ভাবে আপনি অন্তত বাংলাদেশে অনেক পেশাদার পাবেন যাদের প্রধান বক্তব্য, আমি পেশাদার। একথা বলে তারা যা বুঝান তা হচ্ছে তিনি টাকা ছাড়া কাজ করবেন না, কথাও বলবেন না।আপনি তাকে কাজ দিলেন, টাকাও অগ্রিম দিলেন। তারপর দেখা পেলেন সত্যিকারের পেশাদারিত্ব। অমুক কারনে কাজ হয়নি, তমুক দিন খোজ নেন, এই টাকায় কাজ এমনই হয়। কারনের অভাব নেই। একসময় আপনার ধারনা হল তার পরিচিতির জন্য শব্দটি প্রফেশনাল বা পেশাদার না হয়ে বাটপার হলে মানানসই হত।
আপনি নিশ্চয়ই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে এমন সুখ্যাতি চান না। ফ্রিল্যান্সার নিজেই নিজের প্রতিস্ঠান, নিজেই ব্রান্ড। সময় যত গড়াবে খ্যাতি বাড়বে, সেইসাথে কাজের মান এবং অর্থ।
এজন্য আপনার প্রয়োজন নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে তুলে ধরা। কিছু নিয়ম মেনে আপনি সেটা করতে পারেন সহজেই।

যোগাযোগর পদ্ধতির উন্নতি করুন:
আপনার সেরা কাজ ক্লায়েন্টের কাছে তুলে ধরে জোরের সাথে বলুন আমি এই মানের কাজ করি। কাজ পাওয়ার জন্য ধর্না দেবেন না। সম্ভব হলে ই-মেইল ব্যবহার করুন, এতে মোবাইল ফোনের থেকে বেশি পেশাদারিত্ব প্রকাশ পায়। নিজের সময় বাচে।


ক্লায়েন্ট যা চান না সেটা দেবেন না:
ক্লায়েন্ট যা চান ঠিক সেটাই দিন, কম না বেশিও না। তিনি আপনাকে কম টাকা দিলে যেমন নেবেন না, ঠিক তেমনি বেশি দিলে আপনার গ্রহন করা উচিত না। অনেকে মনে করেন বেশি কাজ করে তাকে খুশি রাখলে পরবর্তীতে কাজ পাওয়া সহজ হবে। অভিজ্ঞতা বলে, এতে সুফল পাওয়া যায় না বরং নিজের ক্ষতি ডেকে আনা হয়।


কাজ দেয়ার আগে ভালভাবে যাচাই করে নিন:
আপনি যে কাজ নিচ্ছেন সেটা আপনি কতটা ভালভাবে করতে পারেন, কোথাও সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা, হলে কি করবেন এগুলি যাচাই করে কাজ নিন। কাজ নেয়ার পর অপারগতা প্রকাশ করা পেশার জন্য ক্ষতিকর। আপনি সবই জানেন, সবই পারেন এটা অবাস্তব ধারনা।


পরবর্তী কাজের জন্য পরামর্শ দিন:
কোন কাজ করার পর তাকে জানাতে পারেন পরবর্তী কাজ এভাবে করা যেতে পারে। এতে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। আপনার নিজের আইডিয়া থাকলে সেটা জানান। এতে পরবর্তীকালে আপনার কাজ পাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।


ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যদি কোন বক্তব্য থাকে তাহলে জানাতে পারেন অন্যদের।

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা


ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন বর্তমানে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। বিভিন্ন সুত্র থেকে যারা এবিষয়ে খোজখবর নিচ্ছেন তারা প্রায়ই কিছু ভুল ধারনার শিকার হন। একাজে হাত দেয়ার আগে ভুল ধারনাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।

খুব সহজে, বিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেটে আয় করা যায়
 এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি আশা করছেন একজন চাকুরীজীবী কিংবা ব্যবসায়ীর থেকে বেশি আয় করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না এটা বাস্তবসম্মত হতে পারে না। ইন্টারনেটে যে পদ্ধতিতেই আয় করুন না কেন, আপনাকে যথেস্ট সময় এবং মেধা ব্যয় করতে হবে।

ইন্টারনেটে আয় করা সকলের পক্ষে সম্ভব না
 এটা আরেকটা বড় ভুল ধারনা। ইন্টারনেটে কাজ বলতে যেমন দক্ষ প্রোগ্রামিং বুঝায় তেমনি তুলনামুলক সহজ ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। যে কোন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে মানানসই কাজ খুজে নেয়া সম্ভব। তবে এ কথা অবশ্যই ঠিক, দক্ষতা যত বেশি আয়ের সুযোগ তত বেশি। দক্ষতা যেহেতু বাড়ানো যায় সেহেতু সুযোগও বাড়ানো যায়।

পেইড-টু-ক্লি (PTC) সহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতি
পিটিসি হচ্ছে কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা হবে। বিষয়টি সত্যি। তবে যতটা প্রচার করা হয় ততটা না। আপনি কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। কাজ করে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

ইন্টারনেটে আয় করতে নিজের খরচে ওয়েবসাইট তৈরী করতে হয়
 একেবারে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরী, ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর খরচ ছাড়াই সব কাজ করা সম্ভব। তবে নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং সবসময়ই ভাল।

ক্রেডিট কার্ড বা পে-পল একাউন্ট নেই, ফলে একাজ সম্ভব না: 
কিছুটা সত্যি। ক্রেডিট কার্ড থাকলে কাজের সুবিধে হয়, পে-পল একাউন্ট থাকলেও সুবিধে হয়। তারপরও মানুষ কাজ করছে এগুলি ছাড়াই। অন্য যে পদ্ধতিগুলি রয়েছে সেগুলি ব্যবহার করে কাজ করা সম্ভব।

অনেকগুলি সাইটে অনেকগুলি এডসেন্স ব্যবহার করলে আয় বেশি
 এডসেন্সে লাভ দেখে অনেকেই একাধিক এডসেন্স একাউন্ট ব্যবহারে আগ্রহি হন। এটা ভুল পথ। গুগল কোনএকসময় সেটা ধরে ফেলবে এবং সবগুলি একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে দ্রুত আয় বাড়ে
 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে অবশ্যই সাইটের পরিচিতি বাড়ে কিন্তু এডসেন্সকে টার্গেট করে যদি সেটা করেন তাহলে গুগল সেটা পছন্দ করে না। গুগল এমন সাইটে লাভজনক এডসেন্স বিজ্ঞাপন দেয় সেখানে ভিজিটর নিজে আগ্রহি হয়ে যায়। ফলে কোন সাইটে প্রতি ক্লিকে পাওয়া যায় কয়েক সেন্ট, কোন সাইটে কয়েক ডলার।

ইন্টারনেটে আয়ের জন্য কোন খরচ নেই
 বিনামুল্যের সবসময়ই কিছু খারাপ দিক থাকে। ভাল হোষ্টিং, প্রয়োজনীয় সফটঅয়্যার, প্রচারের জন্য এডওয়ার্ডস বিজ্ঞাপন সবকিছুই ভাল আয়ের সহায়ক।

ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখা নেই: 
অনেক সেবার ক্ষেত্রেই অনেক দেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশে যেমন পে-পল ব্যবহার করা যায় না, ক্লিক ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায় না, কোন কোন সাইটে ঢোকা যায় না ইত্যাদি। কোন সেবা কোনদেশে প্রযোজ্য আগে জেনে নেয়াই ভাল।

ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করতে হয় শেখার জন্য কোর্স করা প্রয়োজন
 আপনি যখন আয় করতে চান ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন শেখার জন্যও ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যায়গা। যে বিষয়ই জানতে চান না কেন, ইন্টারনেট সার্চ করলে তথ্য পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সদস্য হোন, ফোরামে যোগ দিন, সেখানকার বক্তব্যগুলি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সেখানে সমস্যার কথা জানান। কেউ না কেউ উত্তর দেবেন।

মাত্র ২ মিনিটে আয় করুন ৫০০ টাকা : এখন ফেসবুক ওপেন করলেই এই রকম কিছু দেখা যায়, ফেইসবুকের অলস সময়কে কাজে লাগান মাত্র ২ মিনিটে আয় করুন ৫০০ টাকা নাম মাত্র কিছু কাজ করেই আপনি পেতে পারেন ৫০০ টাকা মোবাইল রিচার্জ যেকোন সিমে। বিশ্বাস না হলে  ইত্যাদি লিংকটিতে প্রবেশ করেই দেখুন এবং নির্দেশ মত কাজ করুন । আমি নিজে এইমাত্র  ৫০০ টাকা পেলাম । এটি পে-পাল ও ফেইসবুক অনুমোদিত। এইটি একটি ভুয়া কেউ এই রকম পাদে পরবেনা, আপনাকে ৫০০ টাকার লোব দেখিয়ে তাদের কিছু কাজ হাসিল করে নেয় । সুতারং এই কাজ থেকে সাবধান ।

ODesk কাদের জন্য নয়?


বাংলা ব্লগ এবং কম্যুনিটির সুবাদে ODesk ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে একটি পরিচিত নাম। আজকাল আবার দেখছি দেশের গনমাধ্যমও আউট সোর্সিং এর নাম নিতে ODesk ODesk করছে। কিন্তু এর ফলাফল হিসেবে অনেক অনেক বাংলাদেশী ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ODesk সম্মন্ধে জেনে বা না জেনে রেজিস্ট্রেশন করছেন। যারা জেনে ODesk এ সাইন আপ করছেন এদের সংখ্যা খুবই কম বেশির ভাগ ই না জেনে রেজিস্ট্রেশন করছেন এবং অদ্ভূত কর্মকান্ড করে বাইরের Employer দের কাছে বাংলাদেশীদের সম্পর্কে বাজে ধারনা তৈরী করছেন। নীচের লেখা গুলো তাদের জন্য

ODesk যাদের জন্য নয়

১. যারা ইংরেজীতে কথা বলতে জানেন না, ODesk তাদের জন্য নয়
২. যারা কাজ জানেন না, ক্লিক করে উপার্জন করতে চান, ODesk তাদের জন্য নয়
৩. যারা কাজ শিখতে চান, ODesk তাদের জন্য নয়, ODesk শুধুমাত্র প্রফেশনালদের জন্য
৪. যারা ডেডলাইন কি জিনিস এটা বোঝেন না, ODesk তাদের জন্য নয়
৫. যারা সল্প সময়ে টাকা / ডলার পেতে চান বা ধৈর্য্য নেই ODesk তাদের জন্য নয়


আসল কথা, আপনি ODesk এ যদি কাজ করতে চান তবে পর্যাপ্ত যোগ্যতা এবং ধৈর্য্য নিয়ে আসতে হবে। তা-না হলে আপনার নিজের কোনোই লাভ নেই, শুধু শুধু সময় নষ্ট।

স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রীলেন্সিং, আপনার জন্য শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ গাইডলাইন



ফ্রীলেন্সিং-এর সূচনা
ফ্রীলেন্সিং এর জগতে হাতে খড়ি দিতে প্রয়োজন কিছু স্বচ্ছ ধারণা । আর তার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কিঞ্চিৎ সহযোগীতা করতে এ টিউন । এ টিউনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এগিয়ে চলা আরো সুদুর প্রসারী ভুমিকা রাখতে পারে আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে । একটি সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেয়ার লক্ষে এ এগিয়ে চলা সার্বিকভাবে চলমান রাখারও প্রত্যাশা সবসময়ের জন্য । অনলাইন আর্নিং এবং আউটসোর্সিং বিষয়ে যাদের আগ্রহ, তারাসহ নতুন, পুরনো সবার জন্য এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র । আশা করি এ পর্যায়ে অনলাইন আয় বিষয়ক কিছু সচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশের অবস্থান
ফ্রীলেন্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য় । ভালো অবস্থান সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে । উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের চাইতে অনেক এগিয়ে । তাই র্শীষ স্থানে পৌছাতে এখনো বাংলাদেশকে অনেক কাজ করতে হবে । দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে আরো অনেক নতুন নতুন ফ্রীল্যান্সার । কিন্তু ফ্রীল্যান্সার হওয়ার স্বপ্নে পা বাড়ালেই তৈরী হয় জল্পনা কল্পনা আর ভুল বোঝাবুঝি । কোন পথে আপনি সফল হবেন । কোন পথে গেলে স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রিলেন্সিং এর দ্বারপ্রান্তে পৌছতে পারবেন, তা নিয়ে যেন সংশয়ের শেষ নেই, রয়েছে যথেষ্ট দ্বিধাদন্দ, উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা ।
অনলাইনে আয়ের এ পথ, সে পথ :
অনলাইনে আয়ের অনেক পথ, এ সম্পর্কে নতুনদের জানার ইচ্ছা অনেক, কিন্তু কিভাবে আর্নিং হবে, কোথা থেকে শুরু করা যায়, এ নিয়ে যেন জল্পনা কল্পনার শেষ নেই । তবু অনলাইন আর্নিং বিষয়ে জানার আগ্রহ সবসময়ই কম বেশি সবারই থাকে, সবাই চায় কিছু শিখে তার মাধ্যমে আয় করার একটি পথ তৈরী করতে । শুধু উপযুক্ত নির্দেশনার অভাবে কাজের আগ্রহ হারাচ্ছে নতুন করে আগত ফ্রি লেন্সার হতে আগ্রহী তরুণরা ।
অনেকের মুখে শুনি অনলাইন এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়, কিন্তু কিভাবে করে? তার পদ্ধতি কি? অনলাইন এ অনেক কাজ আছে, কিন্তু আমি কি কাজ করব? কোনো কাজ ই তো ভালোভাবে পারিনা । কোন কাজে সফলতা আসবে, তা বুঝব কি করে? ব্যর্থতার ভয়ে সামনে এগুতে পারছিনা । দিধাদন্দ সংকোচ সব বাদ দিয়ে ধরে নিলাম আপনি কোনো কাজ জানেন না । সেক্ষেত্রে কি করবেন? শুরু থেকে আপনার করণীয় কি হতে পারে আসুন একটু যাচাই করে নেয়া যাক । শুরুতে যেসব কাজ করতে কোনো স্কীল এর প্রয়োজন হয়না, আপনি সেসব কাজ করতে পারেন । পাশাপশি চেষ্টা করতে পারেন কার্যকরী নতুন করে কিছু শেখার জন্য, যা আপনাকে আয় করতে সাহায্য করবে ।
অনলাইনে কোথায় কাজ পাবেন?
আপনি করতে পারেন এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ফোরাম পোস্টিং, ওয়েব রিসার্চ, কপি পেস্ট, ডাটা এন্ট্রি এর মত কাজগুলো । কোথায় পাবেন কাজগুলো? কাজগুলো পাওয়ার জন্য আপনাকে কয়েকটি ওয়েবসাইট এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে । আপনি রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনhttp://www.odesk.com এ সাইনআপ এর
মাধ্যমে । রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন http://www.freelancer.com এ সাইনআপ এর মাধ্যমে । রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন http://www.elance.com এ । এছাড়াও ছোট ছোট কাজ করতে http://www.microworkers.com এ সাইনআপ করতে পারেন । সাইনআপ এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলেন, কিন্তু কাজ পাবেন কিভাবে? ধৈর্য ধরে বিষয়টি অনুধাবন করুন, আগেই টাকা তোলার চিন্তা করবেননা, টাকা ইনকাম করার পথটি আগে ক্লিয়ার করা উচিত ।
আপনি odesk এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । এখন আপনাকে odesk এ একটি রেডিনেস টেস্ট দিতে হবে, যেটা দেয়ার মাধ্যমে আপনি কাজ পাওয়ার প্রাথমিক অনুমতি পাবেন । আপনার যদি কোনো প্রোগ্রাম ভালো জানা থাকে তবে সে বিষয়ে আপনি পরীক্ষা দিতে পারেন তারপর পরীক্ষায় পাশ করলে আপনি ওই বিষয়ে কাজের জন্য এপ্লাই করে কাজ পেতে পারেন । মনে করেন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো পারেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে এ বিষয়ের উপর পরীক্ষা দিতে হবে । নয়তো গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজগুলো আপনি পাবেননা । আপনাকে এ পরীক্ষায় পাশ করার জন্য odesk সিলেবাস স্টাডি করুন। এরপর আপনি বিভিন্ন টেস্ট দিতে পারেন । যত বেশি টেস্ট দিবেন আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা ততই বাড়বে, আপনার প্রোফাইল এর প্রগ্রেস ও র্স্টেটাস বাড়তে থাকবে । কাজ পাওয়ার জন্য নিয়মিত অনলাইন এ থাকুন, বিড করতে থাকুন প্রতিনিয়ত । একসময় আপনি কাজ পাবেন, এটা নিশ্চিত । কাজ না পেয়ে আপনি হাল ছেড়ে দিলে ভুল করবেন । চেষ্টা করতে থাকুন, ইনশাআল্লাহ আপনি সফল হবেন ।
আপনি Freelancer এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । Freelancer এ কাজ করতে গেলে odesk এর মত প্রাথমিক টেস্ট যেটি দিতে হয় সেটা দিতে হয়না, তাই আপনি এ সাইট এ রেজিষ্ট্রশন করেই কাজের জন্য এপ্লাই করতে পারেন । তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে আপনি আপনার প্রোফাইল কে সম্পূর্ণ করা কিংবা স্কীল টেস্ট দেয়ার মাধ্যমে আপনার দক্ষতা বাড়াতে পারেন । যা আপনার কাজ পাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সহায়ক হবে । আপনি Elance এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । Elance এ কাজ করতে গেলে odesk এর মত প্রাথমিক টেস্ট যেটি দিতে হয় সেটা দিতে হয়না, তাই আপনি এ সাইট এ রেজিষ্ট্রশন করেই কাজের জন্য এপ্লাই করতে পারেন । তবে তার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করে নিতে হবে । কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে আপনি আপনার প্রোফাইলকে সম্পূর্ণ করা কিংবা স্কীল টেস্ট দেয়ার মাধ্যমে এখানেও একইভাবে আপনার দক্ষতা বাড়াতে পারেন । যা আপনার কাজ পাওয়ার ব্যাপারে আরো সহায়ক হবে ।
আপনি Microworkers এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । Microworkers এ কাজ করতে কোন রকম টেস্টই দিতে হয়না । এখানে ছোট ছোট ব্যাপক কাজ রয়েছে । ছোট বালুকার কনা বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তলে মহাদেশ সাগর অতল । এ প্রবাদটি সামনে রেখে এ সাইট-এ নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন । ব্যালেন্স জমা হতে হতে যখন বড় একটি এমাউন্ট হবে তখন আপনি তোলার চিন্তা করবেন ।


কিভাবে কাজ পাবেন ?
অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে গভীর রাতে চেষ্টা করতে হবে। বিশেষ করে রাত ৩ টা থেকে সকাল ৮ টার মধ্যে যদি বিড করতে পারেন তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকবে । আর অবশ্যই কভার লেটারটাও সুন্দর করে সাজিয়ে লিখবেন । আপনি কি জানেন তা বায়ারের কাছে উপস্থাপন করুন, আপনার কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন । আপনার টাকার চেয়ে মার্কেটপ্লেসে ফীডব্যাকের গুরুত্ব বেশী এটা হাইলাইট করুন । আর অবশ্যই বায়ারের বাজেটের মধ্যে বিড করতে হবে ।


যা মনে রাখতে হবে
অনলাইনে আয়ের সবচেয় ভালো দিক হচ্ছে মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে আয় করা, এজন্য বায়ার এর সাথে যোগাযোগটা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন । এতে আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি যে কাজ পারেন সে কাজের সাথে সম্পৃক্ত যত কাজ আছে সেগুলোতেই বিড করতে থাকুন। এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ফোরাম পোস্টিং, ওয়েব রিসার্চ, কপি পেস্ট, ডাটা এন্ট্রি এর মত কাজগুলো করার জন্য আপনার পর্যাপ্ত দক্ষতা থাকার প্রয়োজন নেই । কাজের জন্য এপ্লাই করার ক্ষেত্রে ভেরিফাইড বায়ার দেখে এপ্লাই করা ফলপ্রসু হবে । আর ঘন্টাভিত্তিক কাজের জন্য আপনি ঘন্টার রেট উল্লেখ করে দিতে পারেন, ফিক্সড টাইমের কাজগুলোর পেমেন্টের নিশ্চয়তা কম আর এক্ষেত্রে পেমেন্ট নিতে হবে কাজের শেষে, ঘন্টাভিত্তিক কাজে পেমেন্ট ঘন্টায় ঘন্টায় পাবেন । সর্বোপরি এসব কাজে লেগে থাকার কোনো বিকল্প নেই ।


আরো কি কি উপায় আছে ?
আপনি উপরের সবকটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মধ্যে কোনটিতেই সাইনআপ করলেননা, তো কি করবেন? ভেঙ্গে পড়বেননা আপনার জন্য আরো পথ আছে । ক্লিক করে টাকা ইনকাম এর জন্য আমি আপনাকে পরামর্শ দিবনা, কেননা এ পথে টাকা আয়ের জন্য আপনি যতটা শ্রম দিবেন, তা যদি উপরের ৩টি সাইট এ দিতে পারেন, তবে আপনি একজন প্রফেশনাল ফ্রিলেন্সার হয়ে যাবেন এটা নিশ্চিত । সৃজনশীল কোনো কাজে সময় দিতে পারলে আপনার শ্রম
এবং দক্ষতা ২টি-ই কাজে আসবে । আপনি গুগল এর ব্লগার এর মাধ্যমে একটি ফ্রি সাইট তৈরী করতে পারেন । এ সাইটের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স ব্যবহার করেও আপনি আয় করতে পারেন । এজন্য ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করারও প্রয়োজন পড়ছেনা ।
এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য নিচের সাইটগুলো আপনাকে সাহায্য করবে-
১। লিংক শেয়ার
২। সিজে
৩। এমাজন
৪। ক্লিকব্যান্ক
৫। শেয়ার এ সেল


টাকা কিভাবে হাতে পাবেন ?
অনলাইনে আয় করা টাকা হাতে আনার বিভিন্ন উপায় আছে । প্রত্যেকটি মার্কেটপ্লেসেই পেমেন্ট মেখড সেট করে আপনি টাকা হাতে আনতে পারেন । এজন্য পছন্দ অনুযায়ী আপনি পেমেন্ট মেথড বেছে নিবেন । পাইওনিয়ার ডেবিট র্কাড, মাস্টার র্কাড, মানিবুর্কাস র্কাড এর মাধ্যমে আপনি টাকা আনতে পারেন । এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করা টাকা পেপাল একাউন্ট থাকলে তার মাধ্যমে তুলতে পারবেন । আর না থাকলে অন্য মেথড প্রয়োগ করে টাকা হাতে আনতে পারবেন । গুগল এডসেন্স এর ক্ষেত্রে ওয়্যার ট্রান্সফার টু ব্যাংক একাউন্ট নির্ধারণ করতে পারেন । এছাড়াও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও চেক এর মাধ্যমে টাকা গ্রহণের পদ্ধতিও আছে । ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়, চেক এর মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করলে আপনাকে ১-২ মাস অপেক্ষা করা লাগতে পারে। কিন্তু ওয়্যার ট্রান্সফার টু ব্যাংক একাউন্ট মেথডটি ব্যবহার করলে মাত্র ৩-৪ ওয়ার্কিং ডে তেই আপনি টাকা হাতে পেয়ে যাবেন, তবে এজন্য ব্যাংক আপনার কাছ থেকে কাটবে ২৫ ডলার এর মত ।


কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হলে কি করবেন ?
অনলাইন আর্নিং এবং আউটসোর্সিংকিংবা ফ্রিলেন্সিং বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকলে বিজ্ঞ ভাইদের নক করতে পারেন । পাশাপাশি দেখতে পারেন বিভিন্ন ব্লগে প্রকাশিত অনলাইন আয়ের উপর মান সম্মত টিউনগুলো । এখন অনলাইন এ আয় বিষয়ক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সেমিনার হয়ে থাকে, সেগুলোতে অংশ গ্রহণ করেও কিছু জানা বুঝার সুযোগ নিতে পারেন ।



শেষ কথা:
অনলাইনে আয়ের জন্য কোন পথে যাবেন, কোখায় যাবেন, কিভাবে যাবেন, এবার নিজেই ঠিক করুন ।
স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রীলেন্সিং এর জগতে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাক
বাংলাদেশ… আরো এক ধাপ এগিয়ে যান আপনি নিজেই ।
সাফল্যের রাজ্যের কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা নেই । চুনে মুখ পুড়লে দইকেও ভয় পেতে হয়, যার বাপকে কুমিরে খেয়েছে তারতো ঢেকী দেখেও ভয় পাওয়ারই কথা । অনলাইন কাজের নামে যারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন তাদের বিভ্রান্ত না হয়ে স্বচ্ছ ধারণা এবং উপযুক্ত নির্দেশনার মাধ্যমে পুরোদমে কাজ করার সুযোগ এখনো আছে । হাত বাড়ালেই এ সুযোগের পুরো দাবীদার আপনিও হতে পারেন । হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে পারেন স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রিল্যান্সিং ।
আমি চেষ্টা করেছি, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ একটি গাইড লাইন আপনাদের সামনে উপস্থাপনের জন্য, কতটুকু পেরেছি জানিনা, আশা করি এ চেষ্টা সম্পূর্ণ বৃথা যাবেনা ।

ফ্রিল্যান্সার হিসাবে Data Entry কাজ পেতে আপনার যা যা জানা প্রয়োজন !

কমপিউটার ব্যবহারের শুরু থেকেই ডাটা এন্ট্রির ধারণা চলে এসেছে।তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডাটা এবং তথ্য ব্যবস্থাপনা ক্রমবর্ধমান হারে বেড়ে চলেছে। ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কমপিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরেকটি স্থানে/প্রোগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা। ডাটাগুলো হতে পারে হাতে লেখা কোনো তথ্যকে কমপিউটারে টাইপ করা অথবা কমপিউটারের কোনো একটি প্রোগ্রামের ডাটা একটি স্প্রেডশিট ফাইলে সংরক্ষণ করা।  বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে তথ্যের আদানপ্রদান বিস্তৃত হয়েছে, সেই সাথে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিন্যস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার। তাই দক্ষ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কমপিউটার এবং ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে যেকেউ এই ধরনের কাজ করে ঘরে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারে।



ডাটা এন্ট্রির প্রকারভেদ

আউটসোর্সিংসাইটগুলোতে যেসব ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা, বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা, ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর আর্টিকেল লেখা, একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপ গিয়ে পরিচয় (Promote) করিয়ে দেয়া, দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে লিঙ্ক আদানপ্রদান করা (Link Exchange), অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা, OCR (অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন) থেকে পাওয়া লেখার ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি।

ডাটা এন্ট্রির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা

প্রজেক্টের ওপর নির্ভর করেডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয়। অনেক ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধু কপি-পেস্ট ছাড়া আর কোনো দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবে সাধারণভাবে যে দক্ষতাগুলো সবসময় প্রয়োজন পড়বে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- দ্রুত টাইপ করার ক্ষমতা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেলে পরিপূর্ণ দখল এবং সর্বোচ্চ ইংরেজিতে ভালো জ্ঞান। তার সাথে রয়েছে ইন্টারনেটে সার্চ করে কোনো একটি তথ্য খুঁজে পাবার দক্ষতা এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম, ওয়েব ডিরেক্টরি সম্পর্কে ভালো ধারণা।

ডাটা এন্ট্রির মার্কেট প্লেস।

ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস সাইটেই পাওয়া যায়। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে বলা হয় বিপুল পরিমাণে ডাটা এন্ট্রির কাজ পাওয়া যাবে। কিন্তু ওই সাইটে রেজিস্ট্রশন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়। যেহেতু রেজিস্ট্রেশন করার পূর্বে আপনি জানতে পারছেন না সত্যিই ওই সাইটে কাজ পাওয়া যায় কি না, তাই এ ধরনের সাইটে রেজিস্ট্রেশন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম সাইট হচ্ছে : www.GetAFreelancer.com, www.oDesk. com, www.GetACoder.com, www.Script Lance.com ইত্যাদি। এই সাইটগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলারের প্রজেক্ট রয়েছে। সাধারণত প্রতি এক হাজার ডাটা এন্ট্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট ডলারের ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া ।
Copyright © 2014 Bagerhat IT Institute