ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে জানতে হবে…
ফ্রিল্যান্সিংয়ের বাজার বড় হচ্ছে দিন দিন। সেই সঙ্গে পুরনোদের দলে ভিড়
বাড়ছে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের। আবার সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে থেমে যাচ্ছে
নতুনদের পথচলা। ফলে নিশ্চিত সম্ভাবনা হাতছাড়া হচ্ছে মেধাবীদের।
ফ্রিল্যান্সারদের অবশ্যই জানা দরকার, এমন বিষয়গুলোই সম্প্রতি স্থান পেয়েছে
সম্প্রতি বিজনেস নিউজ ডেইলিতে। মুক্ত পেশাজীবিদের কর্মক্ষেত্রে মুখোমুখি
হতে হবে এমন বিষয়গুলোর পাশাপাশি মানসিক ও কৌশলগত ব্যাপারগুলোও উঠে এসেছে
প্রকাশিত লেখায়।
কাজটা একদিনের না
ফ্রিল্যান্সারদের অনেকেই দরকারি অনেক ব্যাপারে সব সময় সচেতন থাকেন না। যার
ফলে কাজ হাতছাড়া হয়। দক্ষকা বা যোগ্যতা থাকার পরও কাজদাতার আস্থাভাজন হতে
পারেন না। এ ধরণের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্বসেরা
ফ্রিল্যান্সিং সাইট ফ্রিল্যান্সার ডটকমের নর্থ অ্যামেরিকার রিজিওনাল
ম্যানেজার নিক্কি পার্কার। তিনি বলেন, “সাধারণত তারাই কাজ পায়, কাজের
ব্যাপারে যারা খুব সিরিয়াস ও ডেডিকেটেড। কাজদাতারা যাদের কথা-বার্তা শুনে
মনে করে সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য সেই যোগ্য।” তাই কাজের ব্যাপারে কর্মীদের আরো
সিরিয়াস হতে বলেন তিনি। তিনি আরো জানান, যেসব কর্মীদের কাজ ভালো,
কাজদাতারা পরবর্তী কাজও তাদেরকে দিয়ে করান। তাই কাজটিকে এক দিনের মনে করা
উচিত না।
প্রজেক্টের বিস্তারিত জেনে নিন
অনেক ফ্রিল্যান্সারই কাজ বুঝে নেওয়ার সময় বিস্তারিত বা খুঁটিনাটি অনেক
ব্যাপার এড়িয়ে যান। পূর্ব অভিজ্ঞতার জেরে ফ্রিল্যান্সাররা কাছাকাছি চাহিদার
সব কাজগুলোকেই এক ভাবেন। এর ফলে কাজদাতা অনেক সময় তার চাহিদা মতো কাজ আদায়
করতে পারেন না। এ ব্যাপারে বিজনেস নিউজ ডেইলিকে পার্কার পরামর্শ দেন,
অনেকের কাজ প্রায় এক রকম হলেও সেগুলোকে সতন্ত্র ভেবে বিস্তারিত জেনেই কাজে
হাত দেওয়া উচিত। যদি এমনটি না হয়, তাহলে কাজ করার সামর্থ থাকার পরও
প্রজেক্ট সম্পর্কে ভালো না জানার কারণে ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে।
কভার লেটার ভালো হওয়া চাই
অনেকেই কোনো কাজের আবেদন করেই খুব এক্সাইটেড হয় এই ভেবে যে, নিশ্চয় আমিই
কাজটি পাবো। আসলে ব্যাপারটি এমন হওয়া উচিত নয়। বরং আপনার কভার লেটার দেখেই
যেনো কাজদাতা এক্সসাইটেড হয়, আর ভাবে—তাকে দিয়েই কাজ হবে! নতুন
ফ্রিল্যান্সারদের কভার লেটারের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এই কথাই বলেন পিয়ারসন।

