সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৫

বাই / সেল ভলিয়ম ইমোশন



বাই / সেল ভলিয়ম ইমোশন এবং একটি ফরেক্স ট্রেডিং এর কল্পনা জগত এর রহস্য

এটি একটি কল্পনাশর্র্ত হল যে প্রত্যেক জন সমান লট ব্যবহার করছে ধরি, বাংলাদেশ মিরপুর ষ্টেডিয়ামে পৃথিবীর সকল ট্রেডার মোট ৫০ হাজার ট্রেডার আছেন এবং তারা বিভিন্ন পেয়ারে ট্রেড করছেনএর মধ্যে আপনি একজন ট্রেডার এবং আপনাকে প্রতি মুহুর্তে জানানো হচ্চে যে কতজন বাই এবং কতজন সেল এ আছেআপনি খুব ভালভারবই জানেন যে এক এক জন ট্রেডার এক এক ভাবে/মেথোডে ট্রেড করেনতাই হয়ত হিসেবটা এক এক সময় এক এক রকম হতে পারে

 সাইকোলজীকাল সমস্যা ০১ নং

যেমন ধরুন প্রতি মিনিটে ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ১০০০ জন বাই এবং ১৫০০ জন সেল দিচ্ছে এবং প্রতি মিনিটে ২০০জন বাই কেটে সেল এবং ১০০ জন সেল কেটে বাই দিচ্ছেতাহলে হিসেবটা অনেক সহজ হল- সেটা হল সেল বেশি ষ্টং হচ্ছে মানে ইউএসডি ডলার ষ্ট্রং হলআর তাই আপনি সেল দিবেন এটাই স্বাভাবিককিন্তু যদি প্রতি মিনিটে ৫০০ জন সেল কেটে বাই এবং ১০০ জন বাই কেটে সেল দেয় তাহলে হিসেবটা েএকটু ভাবার মত হয়ে যায় যা মার্কেটে উল্টোপাল্টা ব্যবহার দেখা যেতে পারেএখন কথা হল কতজন সেল কেটে বাই বা বাই কেটে সেল দিবে তা তো নিদিষ্ট হতে পারে না
সাইকোলজীকাল সমস্যা ০২ নং

কারেন্সী পেয়ারের কোরিলেশন এখানে আবার আর একটি সমস্যা আছে তা হল কারেন্সী পেয়ারের কোরিলেশনযেমন ধরুন- উপারের কন্ডিশন অনুযায়ী প্রতি মিনিটে ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ১০০০ জন বাই এবং ১৫০০ জন সেল দিচ্ছে এবং প্রতি মিনিটে ২০০জন বাই কেটে সেল এবং ১০০ জন সেল কেটে বাই দিচ্ছেএখানে সেল বেশি ষ্ট্রং হল এখন কন্ডিশন ২ হল: ইউরো/ইয়েন পেয়ারে প্রতি মিনিটে ৩০০০ জন বাই এবং ৫০০ জন সেল দিচ্ছে এবং ১০০ জন সেল কেটে বাই ও ৫০ জন বাই কেটে সেল দিচ্ছেতাহলে কন্ডিশন ২ এ হিসেবটা সহজ হলরেজাল্ট হল বাই বেশী ষ্ট্রং মানে ইউরো ষ্ট্রং হল এবং এখন যদি ইউএসডি/ ইয়েন পেয়ারে ১০০০ জন বাই এবং ৫০০ জন সেল দেয় এবং ২০০ জন সেল কেটে বাই ও ১০০ জন বাই কেটে সেল দেয় তাহলেও এ হিসেবটা সহজ হল রেজাল্ট হল বাই বেশী ষ্ট্রং এখানে ইউএসডি ষ্ট্রং হল (বাই কেটে সেল বা সেল কেটে বাই এর হিসেব বাদ দিয়ে) এখন কারেন্সী পেয়ারের কোরিলেশন অনুযায়ী কন্ডিশন ১ এবং কন্ডিশন ২ এর কম্বিনেশন কি হবে যা ইউরো/ইউএসডি পেয়ারের উপর প্রভাব পরবে

কন্ডিশন ১ ও ২ এর তুলনাঃ

ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে প্রতি মিনিটে ৫০০ জন বেশি সেল দিচ্ছেমানে ইউএসডির দিকে ৫০০ জন সেল এর পরিমান বারতেছে এবার ইউরো/ইয়েন পেয়ারে ২৫০০ জন বেশি বাই দিচ্ছেএর মানে হল ইউরো এর দিকে ২৫০০ জন করে বাই বারতেছে আবার ইউএসডি/ ইয়েন পেয়ারে ৫০০ জন করে বেশি বাই দিচ্ছেএর মানে ইউএসডির দিকে ৫০০ জন করে বাই এর পরিমান বারতেছে তাহলে সবোমোট ইউএসডির দিকে বেশি বাই হলঃ ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ৫০০ জন এবং ইউএসডি/ ইয়েন পেয়ারে ৫০০ জন= ১০০০ জন প্রতি মিনিটে ইউএসডির দিকে ট্রেড বেশি দিচ্ছে আর ইউরো এর দিকে মোট ট্রেড বেশি দিচ্ছে ইউরো/ইয়েন পেয়ারে ২৫০০ জন তাহলে কন্ডিশন এক ও দুই এর কম্বিনেশন রেজাল্ট হল ইউএসডির থেকে ইউৃরো এর দিকে ট্রেড ১৫০০ জন বেশি দিচ্ছে তাই ফলাফল ইউরো/ইউএসডি যেখানে নামার কথা সেখানে উপরের দিকে যাচ্ছে আর ও অনেক পেয়ার আছে যার কো-রিলেশন হিসাব করা কখনোই সম্বব নয়

এটি একটি কল্পনা রাজ্যআপনাকে যদি জানানো হয় যে কতজন বাই আর কতজন সেল এ আছেন তারপরেও প্রফিট করতে পারবেন নাআবার আরও সমস্য আছে তা হলো সবাই ভিন্ণ ভিন্ন ভলিয়ম ব্যবহার করে জিততে হলে আপনাকে এমন ট্রেডিং মেথোড তৈরী করতে হবে যা সকল ধরনের ট্রেডারদের ইমোশন থাকবে আপনার মেথোডেকারন এক এক জন এক এক ভাবে ট্রেড করছে তাদের নিজেস্ব প্রয়োজনে কিন্তু আপনি ট্রেড করছেন প্রফিট করার জন্য তাই এমন মেথোড ব্যবহার করবেন যেন পৃথিবীর সকল ট্রেডারদের ইমোশন আপনার মেথোডে থাকেযখন পৃথিবীর সকল ট্রেডারদের ইমোশন একদিকে থাকে তখনি আপানি ট্রেড এন্ট্রি করবেন তাছাড়া ট্রেড করবেন না

 বি:দ্র: অনেক প্রফেশনাল ট্রেডারের পক্ষেও পরিপূর্ণ ভাবে ফরেক্সের ইমোশান বুঝা সহজ নয়তাই এইজন্য আমি টেকনিক্যাল এনালাইসিস এবং ব্রেক-আউট মাকের্ট Force কে দিয়ে ইমোশানকে বুঝার চেষ্টা করি
Copyright © 2014 Bagerhat IT Institute