নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তোলেন ফ্রিল্যান্সিং কাজে
স্থানীয়ভাবে আপনি অন্তত বাংলাদেশে অনেক পেশাদার পাবেন যাদের প্রধান
বক্তব্য, আমি পেশাদার। একথা বলে তারা যা বুঝান তা হচ্ছে তিনি টাকা ছাড়া কাজ
করবেন না, কথাও বলবেন না।আপনি তাকে কাজ দিলেন, টাকাও অগ্রিম দিলেন। তারপর
দেখা পেলেন সত্যিকারের পেশাদারিত্ব। অমুক কারনে কাজ হয়নি, তমুক দিন খোজ
নেন, এই টাকায় কাজ এমনই হয়। কারনের অভাব নেই। একসময় আপনার ধারনা হল তার
পরিচিতির জন্য শব্দটি প্রফেশনাল বা পেশাদার না হয়ে বাটপার হলে মানানসই হত।
আপনি নিশ্চয়ই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে এমন সুখ্যাতি চান না। ফ্রিল্যান্সার
নিজেই নিজের প্রতিস্ঠান, নিজেই ব্রান্ড। সময় যত গড়াবে খ্যাতি বাড়বে,
সেইসাথে কাজের মান এবং অর্থ।
এজন্য আপনার প্রয়োজন নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে তুলে ধরা। কিছু নিয়ম মেনে আপনি সেটা করতে পারেন সহজেই।
যোগাযোগর পদ্ধতির উন্নতি করুন:
আপনার সেরা কাজ ক্লায়েন্টের কাছে তুলে ধরে জোরের সাথে বলুন আমি এই মানের
কাজ করি। কাজ পাওয়ার জন্য ধর্না দেবেন না। সম্ভব হলে ই-মেইল ব্যবহার করুন,
এতে মোবাইল ফোনের থেকে বেশি পেশাদারিত্ব প্রকাশ পায়। নিজের সময় বাচে।
ক্লায়েন্ট যা চান না সেটা দেবেন না:
ক্লায়েন্ট যা চান ঠিক সেটাই দিন, কম না বেশিও না। তিনি আপনাকে কম টাকা
দিলে যেমন নেবেন না, ঠিক তেমনি বেশি দিলে আপনার গ্রহন করা উচিত না। অনেকে
মনে করেন বেশি কাজ করে তাকে খুশি রাখলে পরবর্তীতে কাজ পাওয়া সহজ হবে।
অভিজ্ঞতা বলে, এতে সুফল পাওয়া যায় না বরং নিজের ক্ষতি ডেকে আনা হয়।
কাজ দেয়ার আগে ভালভাবে যাচাই করে নিন:
আপনি যে কাজ নিচ্ছেন সেটা আপনি কতটা ভালভাবে করতে পারেন, কোথাও সমস্যা
হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা, হলে কি করবেন এগুলি যাচাই করে কাজ নিন। কাজ নেয়ার
পর অপারগতা প্রকাশ করা পেশার জন্য ক্ষতিকর। আপনি সবই জানেন, সবই পারেন এটা
অবাস্তব ধারনা।
পরবর্তী কাজের জন্য পরামর্শ দিন:
কোন কাজ করার পর তাকে জানাতে পারেন পরবর্তী কাজ এভাবে করা যেতে পারে। এতে
এই সুবিধা পাওয়া যাবে। আপনার নিজের আইডিয়া থাকলে সেটা জানান। এতে
পরবর্তীকালে আপনার কাজ পাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যদি কোন বক্তব্য থাকে তাহলে জানাতে পারেন অন্যদের।

